‘২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় শতভাগ পয়ঃশোধনাগার তৈরি করা হবে’

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৮ ১৪২৭,   ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

‘২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় শতভাগ পয়ঃশোধনাগার তৈরি করা হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০২:১৬ ১৭ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ২০:১৯ ১৭ অক্টোবর ২০২০

প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। ফাইল ছবি

প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। ফাইল ছবি

ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষের (ঢাকা ওয়াসা) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকা শহরে শতভাগ পয়ঃশোধনাগার তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, নগরীর পয়ঃশোধনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা ওয়াসা সুয়ারেজ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করেছে। এ প্ল্যান অনুযায়ী (বাস্তবায়নের সুপারিশ) ২০৩০ সাল ধরা হলেও ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে শহরের শতভাগ পয়ঃসেবার আওতায় আনতে পাঁচটি শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা ওয়াসা ভবনে আয়োজিত বিগত ১০ বছরের ঢাকা ওয়াসার অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রকৌশলী তাকসিম এ খান বলেন, সংস্থাটি বর্তমানে প্রায় ২৪৫-২৫০ কোটি লিটার পানি চাহিদার বিপরীতে ২৬০-২৬৫ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করছে। এছাড়া ঢাকা ওয়াসা একটি ওয়াটার মাস্টারপ্ল্যান করেছে। এ প্ল্যানের সুপারিশ ২০৩০ সাল হলেও ২০২৪ সালের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ ভূ-উপরিস্থ এবং ৩০ ভাগ ভূগর্ভস্থ পানির উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। 

তিনি বলেন, ঢাকা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে সাতটি সংস্থা। এজন্য বলা হচ্ছে, একক সংস্থার হাতে এটি দেয়ার জন্য। তবে এরইমধ্যে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের হাতে তুলে দেয়ার জন্য প্রচেষ্টা চলছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের পাম্পগুলো একটা কন্ট্রোলরুম থেকে ব্যবস্থাপনা করি। মানুষের বাসায় যে মিটার সেটা বাসায় গিয়ে দেখে আসতে হয়। আমরা সেটাকে ডিজিটাল করার চেষ্টা করছি, যেন মিটার রিডিংটা ওয়েবের মাধ্যমে পাই। তাহলে এটাই হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম ডিজিটাল মিটার রিডিং পদ্ধতি।

ওয়েবের মাধ্যমে মিটার রিডিং আমাদের আশপাশের কোনো শহরে নেই। এটা যদি আমরা করতে পারি তাহলে এটা হবে আমাদের বড় একটি অর্জন, যোগ করেন তাকসিম এ খান।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ/টিআরএইচ/আরএইচ