‘বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ রোল মডেল’

ঢাকা, রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১০ ১৪২৭,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

‘বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ রোল মডেল’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০০:৩৯ ১৭ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৯:৪৪ ১৭ অক্টোবর ২০২০

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মিয়ানমারে হিংসার শিকার হয়ে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ নিজেকে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা জাতিসংঘসহ পৃথিবীর অনেক দেশই স্বীকৃতি দিয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রে আয়োজিত ‘অদম্য বাংলাদেশ’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে দুটি সম্পদ রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- মানবসম্পদ ও পানি। কিন্তু আমদের দক্ষতার অভাবে এই দুই ধরনের সম্পদকে কাজে লাগাতে পারছি না। যদি এই দুই ধরনের সম্পদকে কাজে লাগানো যায় তাহলে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। 

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আলুর দাম বেড়ে গেছে। শুধু কার্যকর প্রক্রিয়াজাতের অভাবে দেশে লাখ লাখ টন আলু উদ্বৃত্ত হয়ে পড়ে আছে। এজন্য আলু প্রক্রিয়াজাত করার বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বিমান যোগাযোগ চালুর প্রক্রিয়া চলছে। এরইমধ্যে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। এখন সিলেট থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত বিমান যোগাযোগ চালুর প্রক্রিয়া চলছে।

‘অদম্য বাংলাদেশ’ গ্রন্থের লেখক ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদের ডিন এবিএম আবু নোমানী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এএফ ইমাম আলী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মাহাবুবুল আলম, বাংলাদেশ চা বোর্ডের যুগ্মসচিব ড. নাজনীন কাউসার।

স্বাগত বক্তব্য দেন- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ/এসআর/জেডআর/টিআরএইচ