সাবস্টেশন না থাকায় দুর্ভোগে ৫৬ হাজার গ্রাহক

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৮ ১৪২৭,   ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সাবস্টেশন না থাকায় দুর্ভোগে ৫৬ হাজার গ্রাহক

ফরহাদ আমিন, টেকনাফ (কক্সবাজার)  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪৭ ১৬ অক্টোবর ২০২০  

কক্সবাজারের টেকনাফে হালকা বাতাস-বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়

কক্সবাজারের টেকনাফে হালকা বাতাস-বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়

কক্সবাজারের টেকনাফে হালকা বাতাস-বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। বিদ্যুতের কোনো সাবস্টেশন না থাকায় প্রতিনিয়ত ও বর্ষা মৌসুমে এ সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে ৫৬ হাজার গ্রাহকের। অন্য উপকেন্দ্র থেকে আসা বিদ্যুতের জরাজীর্ণ লাইনের তার ছিড়ে প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। 

গতকালও পাশের উপজেলা উখিয়ায় বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিড়ে টেকনাফে একটানা ৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম আসলে এই চিত্র আরো বেশি ভয়াবহভাবে দেখা যায়।

টেকনাফ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়, টেকনাফে বিদ্যুতের গ্রিড উপকেন্দ্র না থাকায় এখানে বিদ্যুৎ আসে কক্সবাজার গ্রিড উপকেন্দ্র থেকে। লাইনটি উখিয়া উপজেলা পার হয়ে গ্রাম ও পাহাড়ের মধ্য দিয়ে এসেছে। এতে বৃষ্টি হলেই লাইনের ওপর গাছপালা পড়ে এবং বজ্রপাতে ইনসুলেটর ফেটে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি উখিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎ লাইনের ত্রুটি হলে টেকনাফেও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে।

উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রিড স্থাপনের জন্য বারবার আবেদন জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। পাশাপাশি উপজেলার হ্নীলা ইউপির স্থাপিত ২০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুতেরও কোনো সুফল পাচ্ছে না বলে তাদের অভিযোগ। 

তারা আরো জানান, এ সমস্যা থাকবে না যদি টেকনাফ শহরে গ্রিডের সাবস্টেশন স্থাপন করা হয়। যা টেকনাফের ৫৬ হাজার গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের দাবি। বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ টেকনাফে গ্রিড স্থাপন করলে সরবরাহ লাইনের সমস্যার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হবে না টেকনাফে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আব্দুল মোমিত চৌধুরী বলেন, প্রায় ৮০-৮৫ কিলোমিটার দূর থেকে বিদ্যুতের লাইন এসেছে টেকনাফে। তাই ঝড় তুফানে গাছপালা পড়ে লাইন বিকল হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। গ্রিড সাবস্টেশন না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা যাবে না। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম