স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, ইঞ্জিনিয়ার স্বামী আটক 

ঢাকা, বুধবার   ২০ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৭ ১৪২৭,   ০৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, ইঞ্জিনিয়ার স্বামী আটক 

নরসিংদী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৪ ৯ অক্টোবর ২০২০  

রুহল আমিন-শিমু দম্পতি- ফাইল ফটো

রুহল আমিন-শিমু দম্পতি- ফাইল ফটো

নরসিংদীতে তাহমিনা সুলতান শিমু নামে এক নার্সকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে উঠেছে তার স্বামীর রুহুল আমিন ওরফে মুরাদ আকন্দের বিরুদ্ধে। বুধবার রাত ১০ টার দিকে নরসিংদী জেলার ভেলানগর এলাকার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতের পরিবারের অভিযোগে ভিত্তিতে বুধবার রাতেই স্বামী রুহুল আমিন ওরফে মুরাদ আকন্দকে আটক করেছে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ।

তাহমিনা সুলতান শিমু উপজেলার হাড়িসাংগান গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ও শিবপুর উপজেলার কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক সুলতান উদ্দিনের ছোট মেয়ে। তিনি নরসিংদী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  

মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে শিমুর বিয়ে হয় একই উপজেলার ভাবলা গ্রামের সিরাজ আকন্দের ছেলে ও ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিনের সঙ্গে। শিমু দীর্ঘ দিন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি বদলি হয়ে নরসিংদী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন।

মৃতের পরিবারের ধারণা, বুধবার রাতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির একপর্যায়ে শিমুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে তার স্বামী রুহুল আমিন। পরে রুহুল জেলা সদর হাসপাতালের নার্স ও শিমুর খালা পারুল আফ্রাদকে ফোন করে শিমুর অসুস্থতার খবর জানান। খবর পেয়ে বাসায় গিয়ে শিমুকে ফ্লোরে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তার খালা। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক শিমুকে মৃত ঘোষনা করেন।

শিমুর খালু মো. আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, শিমুর সঙ্গে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের টাকা পয়সা নিয়ে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। এরই জেরেই স্বামী শিমুকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে।
 
অভিযুক্ত রুহুল আমিনের ছোট ভাই নাহিনুল জানান, টাকা পয়সা নিয়ে ভাবীর সঙ্গে তাদের কারো কোনো ঝগড়া ছিল না। ভাবীর বাবার বাড়ির লোকজনের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

নরসিংদী মডেল থানার ওসি বিপ্লব কুমার দত্ত চৌধুরী জানান, এ ব্যাপারে নরসিংদী মডেল থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ