কালভার্ট ভেঙে ভোগান্তিতে ৩০ গ্রামের মানুষ

ঢাকা, বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৬ ১৪২৭,   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কালভার্ট ভেঙে ভোগান্তিতে ৩০ গ্রামের মানুষ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪৮ ১ অক্টোবর ২০২০  

ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্ট এলাকা

ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্ট এলাকা

টাঙ্গাইলের বাসাইলে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি কালভার্ট ভেঙে গেছে। এতে করে তিন উপজেলার প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে পৌর এলাকার দক্ষিণপাড়া গারামাড়া বিল সংলগ্ন বাসাইল- নাটিয়াপাড়া সড়কে এ কালভার্ট ভেঙে গেলে এমন ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।

সম্প্রতি উপজেলার সর্বত্রই বন্যার পানি পুনঃরায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর  প্রভাবে বিভিন্ন এলাকার পা-পথসহ পাকা সড়ক ডুবে যাচ্ছে। তাছাড়া এসব পা-পথে কোথাও কোথাও পানির স্রোতে বাঁশের তৈরি সাঁকোগুলোও ভেসে যাচ্ছে। গারামাড়া বিলে পানি বৃদ্ধির কারণে বাসাইল-নাটিয়াপাড়া সড়কের ওই কালভার্টের নিচ দিয়ে প্রবল স্রোতের সৃষ্টি হয় এবং বৃহস্পতিবার ভোরে এটি হঠাৎ করে ভেঙে যায়।

স্থানীয়রা জানান, এই সড়ক দিয়ে বাসাইল উপজেলার আদাজান, কাঞ্চনপুর, বিলপাড়া, বালিনা,ভোরপাড়া,হাবলা, মির্জাপুর উপজেলার কূর্নী,ফতেপুর,পাটখাগুড়ী,মহেড়া, ভাতকুড়া, আদাবাড়ি এবং দেলদুয়ার উপজেলার নাটিয়াপাড়া,বর্নীসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতো। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ার কারণে এসব এলাকার মানুষের বাসাইল সদরের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেল।

বাসাইল মাখন সুপার মার্কেটের প্রিন্স টেইলার্সের মালিক সোলায়মান মিয়া বলেন, এই সড়কে বাসাইলের সব বড় ব্যবসায়ীরা ঢাকা থেকে মালামাল আনা-নেয়া করতো। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়াতে আমাদের সময় এবং খরচ দুটোই বেড়ে যাবে। আমরা অতি দ্রুত এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি করছি।

এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী রোজদিদ আহমেদ বলেন, ১৯৯৫ সালে এলজিইডি পাঁচ টাকা ব্যয়ে সাড়ে চার মিটার কালভার্টটি নির্মাণ করে। আগেই এই কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পানি বৃদ্ধির ফলে প্রবল স্রোতে এবার এটি ভেঙে গেছে। সরেজমিনে আমরা কালভার্ট এলাকা পরিদর্শন করেছি। এখানে ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ