সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলায় শিশু ছাত্রের গায়ে গরম চা ঢেলে দিলেন শিক্ষক

ঢাকা, বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৮ ১৪২৭,   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলায় শিশু ছাত্রের গায়ে গরম চা ঢেলে দিলেন শিক্ষক

সিলেট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:৪৬ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০  

গরম চায়ে ঝলসে যাওয়া নাবিলের শরীর

গরম চায়ে ঝলসে যাওয়া নাবিলের শরীর

সিলেটের জৈন্তাপুরে মক্তবে পাঠদানের সময় সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলায় গরম চা ঢেলে দিয়ে সাত বছরের শিশু শিক্ষার্থীর শরীর পুড়ে দিয়েছেন এক শিক্ষক। গত মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে হেমু তিনপাড়া পশ্চিম মহল্লা জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। 

আহত শিক্ষার্থী শাহরিয়ার নাফিজ নাবিল উপজেলার ফতেপুর (হরিপুর) ইউপির হেমু মাঝপাড়া গ্রামের এখলাছ উদ্দিনের ছেলে ও হেমু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা এলাকাবাসীর কাছে বিচার চাইলেও কোনো প্রতিকার পাননি। বিচার না পাওয়ায় আহত শিক্ষার্থীর পরিবার মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

আহত শিশুটির বাবা এখলাস উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল অনুমান ৭টায় হেমু তিনপাড়া পশ্চিম মহল্লা জামে মসজিদের মক্তবে যায় নাবিল। পাঠদানের সময় সহপাঠীর সঙ্গে আলাপ করতে দেখে রেগে গিয়ে মক্তবের শিক্ষক হেমু ভাটপাড়া গ্রামের শামছুল হক ওরফে বড়হুনার ছেলে দারুল উলুম হেমু মাদরাসার শিক্ষক আব্দুল করিম ফ্লাক্স থেকে গরম চা এনে নাবিলের শরীরে ঢেলে দেন। সঙ্গে সঙ্গে তার শরীর পুড়ে যায়। এ অবস্থায় মক্তবের অন্যান্য ছাত্ররা তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়।

তিনি আরো বলেন, আমি চাকরির সুবাদে বাড়িতে না থাকায় ঘটনার পর স্থানীয় প্রভাবশালীরা নাবিলকে স্থানীয় ফার্মেসিতে চিকিৎসা দেন। এরপর বিষয়টি গ্রামের মুরব্বিদের জানালে বিচার না করে উল্টো আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। তাই এখন আইনের আশ্রয় নেব আমরা। 

এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মহসিন আলী বলেন, শিশু নির্যাতনের বিষয় নিয়ে কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। যদি অভিযোগ আসে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ