সবাই পালিয়ে গেলেও ধরা খেলেন কাজী

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১২ ১৪২৭,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সবাই পালিয়ে গেলেও ধরা খেলেন কাজী

পাবনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:২১ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১০:২৫ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন খান ছবি: সংগৃহীত

কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন খান ছবি: সংগৃহীত

মহা ধুমধামে বিয়ের আয়োজন চলছে কনের বাড়িতে। বর পক্ষের লোকজনের খাওয়া দাওয়াও শেষ। তখন সেই মাহেন্দ্রক্ষণ বিয়ে রেজিস্ট্রির পালা। প্রস্তুত কাজী।

বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে বিয়ে বাড়িতে হঠাৎ হাজির  ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। টের পেয়ে কনে ও তার মা-বাবা এবং বরসহ বরযাত্রীরা পালিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি কাজির। ধরা পড়লেন পুলিশের হাতে।

বুধবার সন্ধ্যায় পাবনার সুজানগর উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউপির ফুলালদুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বাল্য বিয়ের অপরাধে সুজানগর উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউপির কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন খানকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আরো পড়ুন >>> তেঁতুলিয়া থেকে স্পষ্ট দেখা দিচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা

জানা গেছে, সুজানগর উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউপির ফুলালদুলিয়া গ্রামের রায়হান আলীর মেয়ের সঙ্গে ফরিদপুর উপজেলার ডেমরা গ্রামের গোলাম কিবরিয়ার ছেলে মনিরুল ইসলামের বিয়ে ঠিক হয়। কনে সুজানগর উপজেলার জাহানারা কাঞ্চন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। তার বয়স মাত্র ১৫ বছর।

খবর পেয়ে সুজানগরের ইউএনও রওশন আলী বুধবার সন্ধ্যায় বিয়ে রেজিস্ট্রির আগে মেয়ের বাবার বাড়িতে হাজির হন। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিক বিয়ের সব প্রস্তুতি বন্ধ করে দেন। তাকে দেখে কনে ও তার মা-বাবা এবং বরসহ বরযাত্রীরা পালিয়ে যান। তবে বিয়ের কাজী পালাতে না পারায় পুলিশ তাকে আটক করে।

ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রওশন আলীর আদালত কাজীর কাছে থাকা বিয়ে রেজিস্ট্রির বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে কাজী তার অপরাধ স্বীকার করেন। পরে কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন খানকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সুজানগর থানার ওসি মো. বদরুদ্দোজা জানান, সাজাপ্রাপ্ত কাজীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে