মাত্র একটি আখের জন্য দুরন্ত কিশোরকে বেধড়ক পিটুনি 

ঢাকা, বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৭ ১৪২৭,   ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

মাত্র একটি আখের জন্য দুরন্ত কিশোরকে বেধড়ক পিটুনি 

পাবনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:২৫ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ০৯:২৯ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

দুরন্ত কিশোর আবু হানিফ ছবি: সংগৃহীত

দুরন্ত কিশোর আবু হানিফ ছবি: সংগৃহীত

তের বছরের দুরন্ত কিশোর আবু হানিফ নদীতে গোসল করতে গিয়ে হঠাৎ তার চোখে পড়ে আখ খেতে মাছের ঝাঁক। চোখের পলকে মাছ ধরতে ঢুকে পড়ে আখ খেতে। এক পর্যায়ে ক্ষেত থেকে একটি আখ ভেঙে নিয়ে আসে।

দুরন্তপনার কাল হলো সেই একটি আখ। জমির মালিক কিশোরের হাতে আখ দেখতে পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সেই আখ দিয়েই বেধড়ক পিটুনি দেন। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন আবু হানিফ। পরে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় তাকে।
 
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউপির হরিহরপুর গ্রামে মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন >>> ২৫২ প্রবাসীকে নিয়ে সৌদির পথে সাউদিয়ার ফ্লাইট

আবু হানিফ হরিহরপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে ও অষ্টমনিষা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র। আখ ক্ষেতের মালিক নুর বক্স হরিহরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও পচা মোল্লার ছেলে।

এ ঘটনায় কিশোর আবু হানিফের চাচা শরৎ মোল্লা বাদী হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা যায়, দুপুরে হানিফ বাড়ির পাশের নদীতে গোসল করতে গিয়ে আখ খেতের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত বৃষ্টির পানিতে মাছ দেখতে পায়। এক পর্যায়ে মাছ ধরতে না পেরে ওই জমি থেকে একটি আখ হাতে নিয়ে আসে।

আরো পড়ুন >>> যৌনতায় ভরা স্ক্রিপ্ট নিয়ে লাক্স তারকার বাসায় পরিচালক

এ সময় আখ খেতের মালিক নুর বক্স আবু হানিফকে ধরে ফেলেন। তিনি তার হাত বেঁধে আখ দিয়েই বেধড়ক পেটাতে থাকেন। এ সময় আবু হানিফের মা খবর পেয়ে ছেলেকে রক্ষা করার জন্য ছুটে যান। হানিফের মা রাশিদার সামনেই ছেলেকে পেটাতে থাকেন। এরপর তাকে আহতাবস্থায় রেখে চলে যান।  

হানিফের মা রাশিদা খাতুন জানান, ছেলের সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন। আহত অবস্থায় আবু হানিফকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়ছে। এ ঘটনায় হানিফের চাচা শরৎ মোল্লা বাদী হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে