জাফলংয়ে আন্তর্জাতিক মানের ‘ভূ-তাত্ত্বিক জাদুঘর’

ঢাকা, সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১২ ১৪২৭,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

জাফলংয়ে আন্তর্জাতিক মানের ‘ভূ-তাত্ত্বিক জাদুঘর’

সিলেট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:৪৫ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ০১:৪৫ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি প্রকৃতিকন্যা জাফলং। পর্যটন কেন্দ্র ছাড়াও ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য সিলেটের জাফলং অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে রয়েছে চুনা পাথরের খনি। ভূতত্ত্ববিদদের কাছে অঞ্চলটি দেশের ভূতাত্ত্বিক ‘জাদুঘর’ হিসেবে পরিচিত।

এরই প্রেক্ষিতে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের একটি ‘ভূ-তাত্ত্বিক জাদুঘর’ স্থাপন করা হচ্ছে সিলেটের জাফলংয়ে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) এ জাদুঘর স্থাপনের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে ।

জানা গেছে, সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের পাথর তোলা বন্ধ করে ‘ভূ -তাত্ত্বিক জাদুঘর’ স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে বিএমডি। 

বিএমডি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গত সপ্তাহে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসনকে দিয়েছে।

গোয়াইনঘাটের ইউএনও মো. নাজমুস সাকিব জানান, জাফলংয়ে উন্মুক্ত শিলাস্তর, চুনাপাথর সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য ২৫ দশমিক ৫৯ একর ভূমিকে ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য ঘোষণা করা হয়েছে। ওই ভূমিতে আন্তর্জাতিক মানের একটি ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর নির্মাণ করা হবে।

গোয়াইনঘাটের ইউএনও মো. নাজমুস সাকিব আরো জানান, বিএমডির মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বৃহস্পতিবার আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। জাফলংয়ে দেশের প্রথম ‘ভূতাত্ত্বিক জাদুঘর’ স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএমডির কাজে সার্বিক সহায়তা করতে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি রয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাদুঘর নির্মাণে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ জাদুঘর দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হবে। তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও গবেষণার কাজের ক্ষেত্রে ডাউকি নদীর পাড়ে বিজিবি ক্যাম্পের পাশে চুনাপাথরের স্তরসহ কয়েকটি অতি পুরোনো পাললিক শিলার স্তর রয়েছে। যা বাংলাদেশের কোথাও নেই। এ শিলাস্তরগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে