আঙুলের ছাপ দেখে মিলল লঞ্চের কেবিনে নিহত নারীর পরিচয় 

ঢাকা, সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১১ ১৪২৭,   ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

আঙুলের ছাপ দেখে মিলল লঞ্চের কেবিনে নিহত নারীর পরিচয় 

বরিশাল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:৪৫ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১০:৫০ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিহত জান্নাতুল ফেরদৌস লাবনী

নিহত জান্নাতুল ফেরদৌস লাবনী

ঢাকা থেকে বরিশালগামী এমভি পারাবত-১১ লঞ্চের কেবিনে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর পরিচয় জানা গেল আঙুলের ছাপ দেখে।  

মঙ্গলবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে ওই নারীর মরদেহ রাতেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে নৌ পুলিশ।

নৌ পুলিশ সূত্র জানায়, দুই সন্তানের জননী নিহত জান্নাতুল ফেরদৌস লাবনীর স্বামী একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান। বাবা আব্দুল লতিফ মিয়া ও মা মমতাজ চোধুরীর সঙ্গে ঢাকার পল­বী-২ নম্বর এলাকার বাসায় থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ভাঙ্গা এলাকায়।  

চাকরির প্রলোভনে সোমবার সদরঘাট থেকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে লঞ্চযোগে বরিশাল যান লাবনী। ওই দিন রাত ৯টা পর্যন্ত লাবনীর সঙ্গে ফোনে কথা হয় তার বাবার। পরদিন মঙ্গলবার সকালে লঞ্চের ৩৯১ নম্বর কেবিন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

আরো পড়ুন >>>  ইতিহাসের এই দিনে যা যা ঘটেছিল (১৬ সেপ্টেম্বর)

ওই নারীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিআইডি’র ক্রাইম সিন ইউনিটের পরিদর্শক আল মামুনুর রশিদ। তবে তার সঙ্গে থাকা ওড়না ও ব্যাগসহ অন্যান্য আলামত নিয়ে যাওয়ায় পুলিশ তাৎক্ষণিক ওই নারীর পরিচয় উদঘাটন করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত আঙুলের ছাপ অনুযায়ী তার পরিচয় উদঘাটন করে পুলিশ। সে অনুযায়ী তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। 

মঙ্গলবার বিকেলে বরিশাল মর্গের হিমঘরে ওই নারীর মরদেহ শনাক্ত করে তার বাবা আব্দুল লতিফ এবং ভাই মোক্তার মিয়া।

আরো পড়ুন >>> খাওয়ার সময় সালাম দেয়া নেয়ার বিধান

এ ঘটনায় ওইদিনই নৌ থানার এসআই অলক চৌধুরী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সদর নৌ থানার ওসি আবদুল্লাহ-আল মামুনকে। 

ওসি (তদন্ত) আবদুল্লাহ-আল মামুন জানান, ওই নারীর মরদেহ স্বজনরা শনাক্ত করার পর তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।  

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে