রাজশাহীতে ড্রেনে ভাসছে কাড়ি কাড়ি টাকা, হাত দিলেই মিলছে বান্ডেল

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৩ ১৪২৭,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

রাজশাহীতে ড্রেনে ভাসছে কাড়ি কাড়ি টাকা, হাত দিলেই মিলছে বান্ডেল

রাজশাহী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫৩ ২২ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৫:৪৯ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজশাহী নগরীর রেলওয়ে অফিসার্স মেস ভবনের ড্রেনে কচুরিপানার মতো ভেসে বেড়াচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা। যেই নামছেন খালি হাতে ফিরছেন না। হাত দিলেই দুই থেকে ৫ হাজার টাকা মিলছেই। এমনকি পাওয়া যাচ্ছে প্রাইজবন্ডও। 

আরো পড়ুন>>> রাজশাহীর ড্রেনে হাজার হাজার টাকা কোথা থেকে এলো?

আজ শনিবার দুপুরের দিকে রাজশাহী মহানগরীর রেলওয়ে অফিসার্স মেস ভবনের সামনে মালিক সমিতির অফিস ও মহাসড়ক সংলগ্ন ড্রেনে এভাবেই টাকা মেলে।

ড্রেনের ভেতরে ভাসমান টাকা ধরতে নেমে পড়েছেন শিশু-কিশোর থেকে সব বয়সীরা।

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ড্রেনের ভেতরে ভাসমান টাকা ধরতে নেমে পড়েছেন শিশু-কিশোর থেকে সব বয়সীরা। অনেকেই ৫০ হাজার টাকার বান্ডিলও পেয়েছেন।

আরো পড়ুন>>> রাজশাহীর ড্রেনে কচুরিপানার মতো ভাসছে টাকা, দেখুন ভিডিওতে

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেকেই ২০ হাজার টাকার বান্ডিল এবং ৫০০, ১০০, ২০, ১০ ও ৫ টাকার নোটও কুড়িয়ে পেয়েছেন। এছাড়াও ১শ’ টাকার কিছু প্রইজবন্ড ও বিভিন্ন ধরনের কাগজ পাওয়া গেছে।

কুরবান আলী নামের এক যুবক জানান, বাস মালিক সমিতির টিকেটসহ অন্যান্য কাগজও ভেসে আসতে দেখা গেছে। 

ড্রেনের ভেতরে ভাসমান টাকা ধরতে নেমে পড়েছেন শিশু-কিশোর থেকে সব বয়সীরা।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, টাকা এবং কাগজগুলো মোটর মালিক সমিতির বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।  

আরো পড়ুন>>> রাজশাহীর ড্রেনে হাজার হাজার টাকা কোথা থেকে এলো?

রাজশাহী সড়ক পরিবহনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মতিল হক টিটো জানিয়েছেন, চার বছর পূর্বে ক্যাশিয়ার শামসুজ্জোহা বকুলের থেকে দুই লাখের কিছু বেশি টাকা খোয়া যায়। তবে পুরনো কাগজের সঙ্গে সেই টাকাই ড্রেনে ফেলা হয়েছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, টাকাগুলো রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের। সেগুলো পুরনো কাগজপত্রের ভেতরে ছিল। নগরীর শিরোইল এলাকায় সড়ক পরিবহন গ্রুপের কার্যালয়। শনিবার দুপুরে  সেখান থেকেই কাগজের সঙ্গে খেয়াল না করে টাকাগুলোও ফেলে দেয়া হয়েছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে খবর ছড়িয়ে পড়ে, এগুলো দুর্নীতি করে জমানো টাকা। ভয়ে ড্রেনে ফেলে দেয়া হয়েছে। যা পুরোপুরি গুজব।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ