খুলনার দুই হাসপাতালে করোনায় ৪ জনের মৃত্যু

ঢাকা, শুক্রবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ৯ ১৪২৮,   ১৫ সফর ১৪৪৩

খুলনার দুই হাসপাতালে করোনায় ৪ জনের মৃত্যু

খুলনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৫৪ ১ আগস্ট ২০২১  

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী (ফাইল ছবি)

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী (ফাইল ছবি)

খুলনার দুটি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

খুলনার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে তিনজন এবং শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকালপার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- নগরীর সোনাডাঙ্গার আহসান হাবিব, ডুমুরিয়ার শৈবালানী ও বাগেরহাটের মোল্লাহাটের মামনলাল গাইন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৩৭ জন। যার মধ্যে রেড জোনে ৫০ জন, ইয়ালো জোনে ৫৩ জন, আইসিইউতে ২০ জন এবং এইচডিইউতে ১৪ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন আর সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৫ জন।

খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় গোপালগঞ্জের গোবরা এলাকার ফয়জুল চৌধুরী নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৪৩ জন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজন রোগী ভর্তি হয়। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন একজন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৫ জন। তার মধ্যে ১৮ জন পুরুষ আর ২৭ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৯ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন চারজন।

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৬৬ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন আটজন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনজন। আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন ১০ জন এবং এইচডিইউতে তিনজন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। বেসরকারি এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬১ জন। আইসিইউতে রয়েছেন তিনজন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন পাঁচজন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ জন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম