চার দিন পর আসছে করোনার প্রথম ভ্যাকসিন

ঢাকা, বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৩ ১৪২৭,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

চার দিন পর আসছে করোনার প্রথম ভ্যাকসিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫০ ৮ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৬:০৪ ৮ আগস্ট ২০২০

চার দিন পর আসছে করোনার প্রথম ভ্যাকসিন। ফাইল ছবি

চার দিন পর আসছে করোনার প্রথম ভ্যাকসিন। ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। ভাইরাসটিকে ধ্বংস করতে একমাত্র ভরসা ভ্যাকসিন। সেই ভ্যাকসিন চার দিনের মধ্যে আসার দাবি করেছেন রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাসখোও। মন্ত্রীর দাবি, দেশটির বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভ্যাকসিন আগামী ১২ আগস্ট আসছে।

এর আগে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে মহামারি করোনাভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ ভ্যাকসিন তৈরির দাবি করে রাশিয়া। কিছুদিন ধরেই দেশটি তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের খবর জানাচ্ছিলো। এবার চলতি মাস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটি।

রাশিয়ার উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলেগ গ্রিডনেভ স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম আরটি’কে বলেন, ‘মস্কোর গ্যামেলিয়া সেন্টার ১২ আগস্ট বিশ্বের প্রথম করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন নিবন্ধন করবে।

তিনি আরো জানান, টিকা প্রয়োগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা কর্মী ও প্রবীণদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাসখোও গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছিলেন যে, অক্টোবরে দেশব্যাপী গণটিকা কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যার পুরো ব্যয় সরকার বহন করবে।

শুক্রবার সকালে গ্রিডনেভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্যামেলিয়া সেন্টারে বিকশিত এ ভ্যাকসিনের নিবন্ধন শুরু হবে। এখন তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালটি চলছে, এটি পরীক্ষার অংশ এবং এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নিশ্চিতভাবে বুঝতে হবে যে, ভ্যাকসিনটি শতভাগ নিরাপদ কি না।

রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাসখোও দাবি করেছেন, ‘গ্যামেলিয়ার তৈরি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল পর্ব শেষ হয়ে গেছে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য কাগজ তৈরি করা হচ্ছে।' নিবন্ধনের তিন থেকে সাত দিনের মধ্যেই বাজারে ভ্যাকসিনটি এসে যাবে।’

গ্যামেলিয়া সেন্টারের ভ্যাকসিনটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল মস্কোর সেকেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ জুন থেকে শুরু হয়েছিল বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

ট্রায়ালে ৩৮ জন স্বেচ্ছাসেবী জড়িত ছিলেন। সেখানে এটি সুরক্ষা প্রোটোকল পাস করেছে। ট্রায়ালে অংশ নেয়া সবার শরীরেই সংক্রমণের প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

রাশিয়ায় মূলত দুটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে। একটি তৈরি করছে রাশিয়া সরকার পরিচালিত ভেক্টর স্টেট রিসার্চ সেন্টার অব ভাইরোলজি অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি। দ্বিতীয়টি তৈরি করছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় গ্যামেলিয়া সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/এনকে