যাদের আত্মত্যাগে বাংলা ভাষা আমাদের হলো

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৮,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪২

যাদের আত্মত্যাগে বাংলা ভাষা আমাদের হলো

সাতরঙ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১২ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৩:২৮ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বাংলা একাডেমিতে ভাষা শহীদদের স্মৃস্তিস্তম্ভ

বাংলা একাডেমিতে ভাষা শহীদদের স্মৃস্তিস্তম্ভ

আমি বাংলায় গান গাই আমি/ বাংলার গান গাই/ আমি আমার আমিকে চিরদিন এই/ বাংলায় খুঁজে পাই/ আমি বাংলায় কথা কই আমি/ বাংলার কথা কই/ আমি বাংলায় ভাসি/  বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই- প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের লেখা এই গান বাঙালির অন্তরের কথা। 

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালির জীবনে এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। যে অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মধ্য দিয়ে। এই আন্দোলনে ছাত্রদের পাশাপাশি রাজপথে নেমে এসেছিল কৃষক, চাকরিজীবী, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। বুক পেতে দিয়েছিল শত্রুর বুলেটের সামনে। পরোয়া করেনি নিজের জীবনের। শহীদ হয়েছিলেন সালাম, বরকত সহ অফিস যাত্রী শফিউর রহমান সহ নাম না জানা অনেকে। শত্রুর ভয়ে যার লাশ দাফন হয়েছিল দুই দিন পর খুব গোপনে।  

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে সামিল হয়েছিল ছাত্রসহ নানান পেশার মানুষ

প্রাণের ভাষা বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গড়ে ওঠা দুর্বার আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। সেদিন পিচ ঢালা পথ রঙিন হয়েছিল বাংলার ছেলেদের টকটকে লাল রক্তে। তাজা প্রাণের বিনিময়ে অর্জন করেছিল নিজেদের ভাষা। বিশ্বে একমাত্র বাঙালি জাতিই ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে। ২১ বাঙালির কাছে শুধু মাত্র একটি সংখ্যা নয়, জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়।  

এই দিনে শহীদ হোন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, আরো নাম না জানা অনেকেই। তবে এই চারটি নাম যেন সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয় ভাষা আন্দোলন কিংবা ২১ ফেব্রুয়ারির সঙ্গে। ছোটবেলা থেকেই আমাদের সবারই এই নামগুলো একেবারে ঠোঁটস্থ বলা যায়। তবে আরো কয়েকজনের নাম এবং মৃত্যুর সময়কার কিছু ঘটনা বাংলা উইকিপিডিয়ায় সংরক্ষিত আছে। আছে ইতিহাসের পাতায় মায়ের কোল খালি হওয়ার নানান কথা। চলুন আজ তাদের কয়েকজনের ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক। 

রফিকউদ্দিন আহমদ

বিয়ের বাজার করতে এসে শহীদ হন রফিকউদ্দিন আহমদবাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার মিছিল। সেদিন একুশে ফেব্রুয়ারি রফিক তার মামাতো ভাই মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে লক্ষ্মীবাজারের দিকে যাওয়ার পথে মেডিক্যাল কলেজের গেটের কাছে এলে পুলিশ তাদের উত্তর দিকে যেতে বাধা দেয়। তখন তারা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীবাজারের দিকে রওনা দেন এবং মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের উত্তর-পশ্চিম দিকের গেটের কাছে পৌঁছান। সেখানেও একদল বন্দুকধারী পুলিশকে দেখতে পান তারা। 

তখন মোশাররফ হোসেন হোস্টেলের ১৩ ও ১৯ নম্বর শেডের পেছনে দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। রফিক তখন দাঁড়িয়েছিলেন ২২ নম্বর শেডের কাছে। কিছুক্ষণ পরই একদল পুলিশ হোস্টেলে ঢুকেই গুলি শুরু করে। এদের গুলিতে হোস্টেলের বারান্দাতেই নিহত হন রফিক। মেডিকেল হোস্টেলের ১৭ নম্বর রুমের পূর্বদিকে তার লাশ পড়ে ছিল। ছয় সাত জন ধরাধরি করে তার লাশ অ্যানাটমি হলের পেছনের বারান্দায় এনে রাখেন। তাদের মাঝে ডা. মশাররফুর রহমান খান রফিকের গুলিতে ছিটকে পড়া মগজ হাতে করে নিয়ে যান। রাত তিনটায় সামরিক বাহিনীর প্রহরায় ঢাকার আজিমপুর গোরস্তানে শহীদ রফিকের লাশ দাফন করা হয়। 

নিথর পড়ে আছেন ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদ । পূর্ববাংলা ছাত্রলীগের ১৯৫৩ সালের লিফলেটের ছবি।মিছিলের আগের দিন ২০ তারিখ ঢাকা আসেন রফিক। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের পারিল গ্রামে (এখন রফিকনগর) বাড়ি তার। একই গ্রামের মেয়ে রাহেলা খাতুন পানুর সঙ্গে প্রেম, পারিবারিকভাবে এই সম্পর্ককে দুপক্ষ মেনে নেয় এবং বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়। বিয়ের শাড়ি, গহনা এবং আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র কিনে ২১ তারিখ সন্ধ্যায় তার বাড়ি ফেরার কথা তার। গুলি খাওয়ার পর রফিকের লাশ মেডিকেল হোস্টেলের বারান্দায় পড়ে ছিল। অনেকে মনে করেন রাস্তায় রফিক গুলিবিদ্ধ হননি। ইতিহাস বলে ভাষার জন্য প্রথম শহীদ হয়েছেন রফিক। তার ঘটনাটা আরো বেশি ট্রাজিক এই কারণে যে তিনি ঢাকা এসেছিলেন বিয়ের বাজার করতে।

শফিউর রহমান

ভাষা শহীদ শফিউর রহমানসারা দেশে কারফিউ চলছে। ১৪৪ ধারা জারি করেছে পাকিস্তানি সরকার। তাই অফিস, স্কুল, কলেজ সব বন্ধ রাখা হয়েছে। জরুরি এক কাজে অফিসে যেতেই হবে ঢাকার রঘুনাথ দাস লেনের বাসিন্দা শফিউর রহমানের। ১৯৫২-র ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল দশটার দিকে বাসা থেকে সাইকেলে চড়ে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সকাল সাড়ে দশটার দিকে নওয়াবপুর রোডে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে পূর্বদিনের পুলিশের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ পুনরায় গুলিবর্ষণ করে। পুলিশের গুলি শফিউর রহমানের পিঠে এসে লাগে। তারপরও অনেকক্ষণ সাইকেল চালিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন। 

জীবনী শক্তি কমে আসছিল। তাই মনের জোরে আর এগিয়ে যেতে পারছিলেন না। এক চায়ের দোকানের সামনে এসে পড়ে যান তিনি। সবাই ধরাধরি করে আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করে। শফিউর রহমানের শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে পিঠে গুলি ঢুকে একেবারে ভেতরটা ঝাঁঝরা করে ফেলেছিল। অস্ত্রোপচার সফল না হওয়ায় ওইদিন সন্ধ্যা সাতটায় মৃত্যুবরণ করেন। দুই বছরের ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে শফিউর রহমানের স্ত্রী ঢাকা মেডিকেলের সামনে পায়চারী করছেন উদ্ভ্রান্তের মতো। যেন কি হচ্ছে বুঝে উঠতে পারছেন না তিনি। সকালে নাস্তা খাইয়ে সঙ্গে টিফিন দিয়ে যাবে বিদায় দিলেন, সেটাই কি শেষ বিদায় ছিল! 

কলা ভবনের সামনে (২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সাল)   প্রিয়মানুষটাকে হারিয়ে একদিকে দিশেহারা। অন্যদিকে চিন্তা দাফন নিয়ে। পুলিশ সব লাশ নিয়ে গুম করে ফেলছে। তারা প্রস্তাব বিয়েছে বাড়তি কিছু টাকা দিলে শফিউর রহমানকে গোপনে আজিমপুরে কবর দিবে তারা। শেষ সম্বল ১০০ টাকা দিয়ে শফিউরের স্ত্রী তাইই করলেন। তাও দুই দিন পর মধ্যরাতে চুপিচুপি আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হল শফিউর রহমানকে। তার কবরের পাশেই রয়েছে পূর্বদিনের শহীদ আবুল বরকতের কবর।

২০০০ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শফিউর রহমানকে একুশে পদক (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়। এছাড়াও, ২০০৬ সালে ভাষা আন্দোলনে মৃত্যুবরণ করা অন্যান্য পরিবারের পাশাপাশি তার স্ত্রী বেগম আকিলা খাতুনকে আজীবন ভাতা প্রদানের ঘোষণা দেয়।

আবদুস সালাম

ভাষা শহীদ আবদুস সালাম
১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ফেনীর দাগনভূঞা থানার মাতৃভূঞা ইউপির লক্ষণপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আবদুস সালাম। বাবা মো. ফাজেল মিয়া ও মা দৌলতন নেছার তিন মেয়ে এবং চার ছেলের মধ্যে আবদুস সালাম ছিলেন সবার বড়। তিনি সালাম কৃষ্ণরামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। এরপর তৎকালীন মাতুভূঁই কলিমুল্লাহ মাইনর স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েন। তারপর তৎকালীন দাগনভূঁইয়া আতাতুর্ক হাইস্কুলে ভর্তি হন। সেখানে দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। তবে অভাবের কারণে তার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। 

লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার পর কলকাতায় যান সালাম। সেখানে মেটিয়াবুরুজে বড় বোনের স্বামী আবদুল কাদেরের মাধ্যমে কলকাতা বন্দরে কাজ করেন। দেশ ভাগের পর ১৯৪৭ সালে ঢাকায় ফিরে এসে আজিমপুরের ৩৬ বি নং কোয়ার্টারে বসবাস শুরু করেন তিনি। ওই সময় ডাইরেক্টর অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অফিসে রেকর্ড কিপার পদে চাকরি করতেন। ৫২’ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন তিনি। ওই বছরের ৭ এপ্রিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাতৃভাষা প্রেমিক সালাম শহীদ হন। এ শহীদকে সম্মাননা জানিয়ে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।
 
আবুল বরকত

ভাষা শহীদ আবুল বরকত
বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ গুলি চালালে হোস্টেলের ১২ নম্বর শেডের বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আবুল বরকত। ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ভর্তি অবস্থায় রাত আটটার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালের রাতে আবুল বরকতের আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে আজিমপুর গোরস্তানে তার লাশ দাফন করা হয়।

আবদুল জব্বার

ভাষা শহীদ আবদুল জব্বার
আবদুল জব্বারের পুত্র জন্ম হওয়ার কিছুকাল পরে তার শাশুড়ি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। শাশুড়িকে নিয়ে ১৯৫২ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আসেন। হাসপাতালে রোগী ভর্তি করে আবদুল জব্বার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ছাত্রদের আবাসস্থল (ছাত্র ব্যারাক) গফরগাঁও নিবাসী হুরমত আলীর রুমে (২০/৮) উঠেন। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হলে, কী হয়েছে দেখবার জন্য তিনি রুম থেকে বের হয়ে আসেন। তখনই পুলিশ গুলি শুরু করে এবং জব্বার আহত হন। ছাত্ররা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জব্বারকে মৃত ঘোষণা করেন। তাকে যারা হাসপাতালে নিয়ে যান, তাদের মধ্যে ছিলেন ২০/৯ নম্বর কক্ষের সিরাজুল হক।

আবদুল আউয়াল
আনুমানিক ১৯৩৪ সালের ১১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন আবদুল আউয়াল। বাবা মো. আবদুল হাশেম ঢাকার গেন্ডারিয়ার বাসিন্দা বলে ধারণা করা হয়। আবদুল আউয়াল পেশায় রিকশাচালক ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের জন্য ঢাকার রাজপথ যখন উত্তাল, তখন ঢাকা রেল হাসপাতাল কর্মচারী এলাকায় পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর মোটর গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি শহীদ হন।

সালাম, রফিক, বরকত ছাড়াও আরো অনেক নাম না জানা শহীদ রয়েছেন ভাষা আন্দোলনের মো. অহিউল্লাহ
রাজমিস্ত্রি বাবা হাবিবুর রহমানের সঙ্গে শিশু শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন মো. অহিউল্লাহ। ১৯৪১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তার জন্ম হয় বলে ধারণা করা হয়। ভাষা আন্দোলনের কারণে উত্তাল ঢাকার রাজপথে ২২ শে ফেব্রুয়ারির মিছিলে যোগ দেন শিশু শ্রমিক অহি। মিছিলটি ঢাকার নবাবপুরের বংশাল রোডের মাথায় এলে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদ হন। পরে তার লাশটি গুম করা হয়।

২২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদের প্রতিবেদনঅজ্ঞাত বালক
২১ শে ফেব্রুয়ারির ঘটনার প্রতিবাদে পরদিন ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে শোক মিছিল করা হয়। সেই মিছিলে অজ্ঞাত এক বালক অংশ নেন। ওই মিছিলটি ছত্রভঙ করতে তৎকালীন সশস্ত্র বাহিনী ট্রাক চালিয়ে দেয়। এতে অজ্ঞাতনামা বালকটি ট্রাকের চাপায় পড়ে শহীদ হন।

ভাষা শহীদদের সংখ্যা আটজনের পুরো ও আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে পাকিস্তানের নির্বাসিত লেখক লাল খান ভাষা আন্দোলনের সময় ২৬ জন শহীদ হয়েছেন বলে দাবি করেন। এছাড়া তৎকালীন চট্রগ্রাম জেলা রাষ্ট্রভাষা-সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক মাহবুব উল আলম ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’শিরোনামের কবিতায় ৪০ বা তারও বেশি শহীদের কথা লিখেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/কেএসকে