আগামী বছর শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলে জলাবদ্ধতা হবে না: মেয়র তাপস

ঢাকা, বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২,   ২১ আষাঢ় ১৪২৯,   ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

আগামী বছর শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলে জলাবদ্ধতা হবে না: মেয়র তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক   ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:২২ ১৮ মে ২০২২  

জলাবদ্ধতা নিরসনে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফলজে নূর তাপস- ছবি: সংগৃহীত

জলাবদ্ধতা নিরসনে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফলজে নূর তাপস- ছবি: সংগৃহীত

আগামী বছর থেকে শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলে আর জলাবদ্ধতা হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফলজে নূর তাপস।

বুধবার পিডিবি পাওয়ার হাউস সংলগ্ন শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের ঈগলু পয়েন্ট এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মেয়র বলেন, ২০২০-২১ সালে আপনাদের ধারণকৃত চিত্র রয়েছে। ঢাকা ম্যাচ ফ্যাক্টরি, ঈগলু পয়েন্টে কারখানাসহ পুরো ৫৮ ও ৫৯ ওয়ার্ডজুড়ে যে শিল্পাঞ্চল রয়েছে, এ শিল্পাঞ্চলে কি পরিমাণ জলাবদ্ধতা ছিল তার প্রেক্ষিতেই আমরা নিজস্ব অর্থায়নে ১৩৬ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে এই কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছি। সংস্কারের কাজ আরম্ভ করেছি। আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, আমরা কত বড় নর্দমা এখানে স্থাপন করেছি। প্রায় সাত ফুটের মতো এটার ব্যাসার্ধ এবং আমাদের প্রধান প্রকৌশলী এটার ভিতর দিয়ে হেঁটে গেছেন।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিল্প কলকারখানার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বিশেষ করে পরিবেশ অধিদফতরকে অনুরোধ করব- যাতে করে তারা নিশ্চিত করে, এখানে শুধু স্বচ্ছ পানি যেন আসে। কোনো রকম কলকারখানার পয়োঃবর্জ্য, দূষিত পানি যেন এ নর্দমায় না দেওয়া হয়। কারণ, এটা দিলে বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা রয়ে যায়। সুতরাং সবাইকে অনুরোধ করব, যাতে করে আমরা অবকাঠামো যেটা নির্মাণ করেছি সেটাকে যেন কোনোভাবেই অপব্যবহার করা না হয়। কোনোভাবেই যেন কলকারখানার দূষিত পানি না দেওয়া হয়। এ রকম যদি হয় তাহলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব এবং সেসব কলকারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হব। আমরা বসে থাকব না।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, কাউন্সিলরদের মধ্যে ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডে আকাশ কুমার ভৌমিক, ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের শফিকুল আলম শামীম, ৭৩ ওয়ার্ডের মো. জিয়াউল হক, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের  মো. মীর হোসেন মীরু এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ

English HighlightsREAD MORE »