ভাগ্নিকে দিয়ে পতিতাবৃত্তি করাতো মামি, সুযোগে ভোগ করতো মামা

ঢাকা, বুধবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২৪ ১৪২৮,   ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

ভাগ্নিকে দিয়ে পতিতাবৃত্তি করাতো মামি, সুযোগে ভোগ করতো মামা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৩৬ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৪:৩৮ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মিথিলা (ছদ্মনাম) যখন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়তো, তখন তাকে ঢাকায় পাঠানো হয় মামার বাসায়। পড়ালেখা করানোর জন্য পাঠানো হলেও, তাকে দিয়ে করানো হতো পতিতাবৃত্তি। এমনকি তার মামা নিজেও তাকে ভোগ করে।

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় মামা-মামির সহযোগিতায় দশম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৪) পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের (মামলা নং-৫৪) করেছেন। আসামিরা হলেন- মামা হান্নান চাপরাশি, মামি রুমা ও মামীর বড় বোন। এরপর রুমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার মামা হান্নান চাপরাশি এখন পলাতক।

ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, তিন বছর ধরে আমার মেয়েকে দিয়ে খারাপ কাজ করায়। ওরা মেয়েকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিত না। পরে মেয়ে আমার কাছে সব খুলে বলে। ওর মামী রুমা ও রুমার বড় বোন তাকে দিয়ে পতিতাবৃত্তি করাতো।

বাড্ডা থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভাগ্নিকে দিয়ে মামা-মামি পতিতাবৃত্তি করাতো। পরে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করেন। মামি রুমা গ্রেফতার হলেও মামা পলাতক রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে

English HighlightsREAD MORE »