পড়ালেখা করতে আসা ভাগনিকে দেহ ব্যবসায় নামালো মামা-মামি

ঢাকা, বুধবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২৪ ১৪২৮,   ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

পড়ালেখা করতে আসা ভাগনিকে দেহ ব্যবসায় নামালো মামা-মামি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২৪ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় মামা-মামির বিরুদ্ধে দশম শ্রেণি পড়ুয়া ভাগনিকে দেহ ব্যবসায় নামানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা করেছেন। এরই মধ্যে মামি রুমাকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বাড্ডা থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

এদিকে বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, মেয়ে যখন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় স্ত্রীর বড় ভাইয়ের বাসায় লেখাপড়ার জন্য পাঠাই। এখন মেয়ে ১০ম শ্রেণিতে পড়ে। তিন বছর ধরে মেয়েকে দিয়ে খারাপ কাজ করায় তার মামা ও মামি।  ওর মামা নিজেও তার সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে। 

তিনি আরো বলেন, মেয়ের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ করতে দিত না তার মামা ও মা। পরে মেয়ে আমার কাছে সব খুলে বলে। ওর মামি রুমা ও রুমার বড় বোন তাকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করাতো। তার মামা হান্নান চাপরাশি, মামি রুমা ও মামির বড় বোনের নামে বাড্ডা থানায় মামলা করেছি। এরপর রুমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার মামা হান্নান চাপরাশি এখন পলাতক।

বাড্ডা থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভাগনিকে দিয়ে মামা-মামি পতিতাবৃত্তি করাতো। ওর মামি তাকে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করতো। পরে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে মানবপাচার আইনে মামলা করেন। ভুক্তভোগীর মামি রুমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মামা হান্নান পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা করছি।

তিনি আরো বলেন, জানতে পেরেছি, মেয়ের বাবা ওই ঘটনা ধামাচাপা দিতে দুই লাখ টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন। তবে আমরা মেয়ের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে মামলা নিয়েছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ

English HighlightsREAD MORE »