ভিওআইপির ২০ কোটি টাকার কলিং কার্ডসহ আটক চার

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ৪ ১৪২৮,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ভিওআইপির ২০ কোটি টাকার কলিং কার্ডসহ আটক চার

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৩৬ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ভিওআইপি ব্যবসা চক্রের আটক চার সদস্য

ভিওআইপি ব্যবসা চক্রের আটক চার সদস্য

রাজধানী ফকিরাপুল এলাকায় থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার কলিং কার্ডসহ অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা চক্রের চার সদস্যকে আটক বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিটিআরসি ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে ফকিরাপুল গরম পানির গলি এলাকার প্রিন্টিং প্রেসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- মোহাম্মদ আমির হামজা (৩৩), আলমগীর হোসেন (৪৫), শামীম মিয়া (২৯) ও সাগর মিয়া (২৭)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ভিওআইপি ব্যবসায় ব্যবহৃত দু’টি সিপিইউ, দু’টি মনিটর, একটি মাউস, একটি কিবোর্ড, দু’টি প্রিন্টার, দু’টি স্ক্যানার, একটি পেপার কাটার মেশিন, একটি ডিজিটাল ওজন মেশিন ও চাটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

বিটিআরসি থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আটককৃত অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীরা বিটিআরসির লাইসেন্স ছাড়া অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, প্রিন্টিং প্রেসটিতে যে বিপুল পরিমাণ আন্তর্জাতিক কলিং কার্ড পাওয়া গেছে, তা যদি ব্যবহার হতো তাহলে বাংলাদেশ সরকার আনুমানিক ১৯ কোটি ৪৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫০ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতো।

অসাধু ভিওআইপি ব্যবসায়ীরা প্রচলিত সফটওয়্যার ভিত্তিক সুইচের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক কল রাউট করতো এবং ওই স্থাপনা পরিচালনা করার মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রদেয় রাজস্ব/চার্জ  ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে যান্ত্রিক ভার্চুয়াল সফটওয়্যার ভিত্তিক কৌশল অবলম্বন করে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা প্রদান করত।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটককৃতরা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত ডায়ালার কলগুলো বাংলাদেশে অবৈধ ভাবে আউট করত এবং উক্ত অ্যাপে রিচার্জের জন্য বিভিন্ন অংকের কলিং কার্ড বিক্রি করতো। এছাড়া তারা অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক রিচার্জ সেবা প্রদান করত এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে আসছিলো বলে জানা যায়।

আরো বলা হয়, তারা দীর্ঘ ৭/৮ বছর সরকারকে প্রদেয় রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভিওআইপি এবং আন্তর্জাতিক প্রেমেন্ট ও রিচার্জের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। ওই প্রিন্টিং প্রেসে পাকিস্তান ভয়েস, কাতার এক্সপ্রেস, এশিয়ান টেলিকম, এনএস এক্সপ্রেস, প্রবাসী কার্ড, স্বপন টেল, সুপার কার্ড, কাতার টুসহ মোট ১০৭  প্রকারের/ধরনের ১ লাখ ৫০ হাজার  প্রিন্টেড কার্ড পাওয়া গেছে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ