১৩০ টাকার কর্মচারী নুরুল দশ বছরে ৪৬০ কোটি টাকার মালিক

ঢাকা, শনিবার   ১৬ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১ ১৪২৮,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

১৩০ টাকার কর্মচারী নুরুল দশ বছরে ৪৬০ কোটি টাকার মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৩৪ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৫:৩৯ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

অবৈধভাবে পণ্য খালাস করে ১০ বছরে ৪৬০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের এক সময়ের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটর নুরুল ইসলাম

অবৈধভাবে পণ্য খালাস করে ১০ বছরে ৪৬০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের এক সময়ের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটর নুরুল ইসলাম

১৩০ টাকা বেতনে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি শুরু করেছিলেন নুরুল ইসলাম। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাননি। ১০ বছরে অবৈধ উপায়ে পণ্য খালাস করে কামিয়েছেন ৪৬০ কোটি টাকা। এসব অর্থ দিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৩৭টি বাড়ি ও জমি কিনেছেন। এছাড়া সাভার, টেকনাফসহ বিভিন্ন স্থানে কিনেছেন জমি।

মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। এ সময় বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা, ইয়াবা ও জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব সূত্র জানায়, এক সময় টেকনাফ বন্দরে ১৩০ টাকা বেতনে চাকরি করতেন নুরুল ইসলাম। বন্দরের কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করলেও অবৈধ উপায়ে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন তিনি। পরবর্তীতে তার পদে অন্য আরেকজনকে চাকরি দেন। আর অবৈধ অর্থ দিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে অঢেল সম্পত্তি কেনেন।

র‍্যাব জানিয়েছে, মোহাম্মদপুরের হাজি দীন মোহাম্মদ রোডে নুরুল ইসলামের সাড়ে চার কাঠা জমির উপর ৭ তলা ভবন রয়েছে। এছাড়া নবোদয় হাউজিংয়ে আছে ১৫ কোটি টাকার সাত কাঠা জমির উপর সাততলা বাড়ি, ঢাকা উদ্যানে ৯ কাঠা জমি ও ১৭টি দোকান। মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা উদ্যানে চার কাঠা জমি ও দুইতলা ভবন, একতা হাউজিংয়ে চার কাঠা জমি, হাজী দিল সড়কে ১১ কাঠা জমি ও দুইতলা সাতটি দোকান, নবোদয় হাউজিংয়ে চার কাঠা জমি ও বাড়ি রয়েছে।

নুরুল ইসলামের এমন অনেক অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছে র‍্যাব। সব মিলিয়ে তার ৩৭টি জমি ও বাড়ির খোঁজ পাওয়া গেছে। এছাড়া ৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নুরুল ইসলামের বিপুল অর্থ রয়েছে বলেও জানতে পেরেছে র‍্যাব।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর