সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রোপণ হবে ১ হাজার গাছ

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৫ জুন ২০২১,   আষাঢ় ২ ১৪২৮,   ০৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রোপণ হবে ১ হাজার গাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:০২ ৮ মে ২০২১   আপডেট: ২১:০৪ ৮ মে ২০২১

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান- ফাইল ফটো

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান- ফাইল ফটো

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এখানে প্রায় ১ হাজার গাছ রোপণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। 

শনিবার উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের পরিচালক ও সরকারের যুগ্মসচিব মো. হাবিবুল ইসলাম এ তথ্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনে বিভিন্ন সময়ের আন্দোলন ও ঘটনাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখাচিরন্তন, স্বাধীনতা স্তম্ভ ও ভূগর্ভস্থ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রভৃতি নির্মাণ করা হয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ, আধুনিক নগর উপযোগী সবুজের আবহে আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ‘ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ’ (৩য় পর্যায়)’ শীর্ষক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরার পরিবেশ নেই। উদ্যানের একদিক দিয়ে প্রবেশ করে অন্যদিক দিয়ে নিরাপদে বের হওয়ার পরিবেশ নেই। এখানে ভবঘুরে ও নানা রকমের মতলববাজ লোকের আনাগোনা থাকে। একটা মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে পুরো উদ্যানটাকে একটা আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তুলতেই আমরা চাচ্ছি। যেখানে পাকিস্তানি শাসনবিরোধী ২৩ বছরের মুক্তিসংগ্রাম ও ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত ভাস্কর্য স্থাপন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থানে ভাস্কর্য স্থাপন, ইন্দিরা মঞ্চ নির্মাণ, ওয়াটার বডি ও ফাউন্টেইন নির্মাণ, ভূগর্ভস্থ ৫০০ গাড়ির কার পার্কিং ও শিশু পার্ক নির্মাণসহ বিভিন্ন নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

হাবিবুল ইসলাম বলেন, এ মহাকর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে উদ্যানের কিছু গাছ কাটা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খণ্ডিত তথ্য প্রচারিত হওয়ায় অনেকের মাঝে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, উদ্যানে আগামী বর্ষা মৌসুমে প্রায় ১ হাজার গাছ রোপণ করা হবে। সারা বছর উদ্যানের কোনো না কোনো গাছে ফুল রাখতে এবং মানুষ ঘুরার আমেজ পায় সেজন্য পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বিন্যাস করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ