ভেজাল ক্রিম-লোশন ব্যবহারে ক্যান্সার রোগের আশঙ্কা
রাজধানীতে পৃথক এলাকায় নকল ও ভেজাল প্রসাধনী (ক্রিম-লোশন) উৎপাদনের দায়ে ১৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫২ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। নকল উৎপাদিত এসব প্রসাধনী ব্যবহার করলে চর্মরোগসহ ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার র্যাব-১০ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম অভিযানটি পরিচালনা করেন।
তিনি আরো জানান, অভিযানে বিএসটিআই’র অনুমোদনবিহীন বিপুল পরিমাণে ভেজাল, নকল ও নিম্নমানের কসমেটিকস পণ্য বা প্রসাধনী এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ফুড আইটেম, উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রির দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে এবং নিরাপদ খাদ্য আইনে ১৯ টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৫২ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এর মধ্যে সারোয়ার ম্যানশন প্রতিষ্ঠানের দুই ব্যক্তি মোহাম্মদ মিঠুকে (৩৫) ছয় লাখ টাকা, মোহাম্মদ শাহেদকে (৩০) পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড এবং রাজিব এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠানের মোহাম্মদ ইউনুসকে (৩৩) ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
এ সময় আটটি দোকান ও গোডাউন সিলগালা করে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ভেজাল, নকল, নিম্নমানের প্রসাধনী এবং বিভিন্ন মেয়াদোত্তীর্ণ ফুড সামগ্রী উদ্ধার করে ধ্বংস করা হয়। এসব নকল ও নিম্নমানের প্রসাধনী ব্যবহারে শিশু এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের স্কিন ডিজিজ, চর্মরোগ এমনকি ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের আশঙ্কা রয়েছে।
মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, ভবিষ্যতে এই ধরনের ভেজাল ও নিম্নমানের প্রসাধনী ও খাবার সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।