রাজধানীতে ডাকাতি-ছিনতাই-চুরি প্রতিরোধ অভিযানে আটক ৩৪ 

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২০ ১৪২৭,   ১৯ রজব ১৪৪২

রাজধানীতে ডাকাতি-ছিনতাই-চুরি প্রতিরোধ অভিযানে আটক ৩৪ 

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২৩ ২১ জানুয়ারি ২০২১  

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক টিম ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩৪ জনকে আটক করেছে।

বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। 

আটককৃতরা হলেন- মো. অপু (২৩), মো. রজব আলি (৪০), মো. রাসেল ওরফে রুবেল (২৮), মো. ইউনুস আলী (৪০), মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), মুরাদ শিকদার (২৩), মো. নয়ন (৩০), মো. পারভেজ (৩০), মো. সিরাজুল ইসলাম (২৮), রাকিব হাসান ওরফে কনক (২৬), মো. ইব্রাহিম (২৩), মো. আমির হোসেন (২২), মো. মাইনুদ্দিন ওরফে কালু (১৯), মো. রনি (২০), মো. রুবেল হাসান (২০), মো. সাব্বির হোসেন (১৯), মো. আরিফুল ইসলাম (২৩), মো. অন্তর মিয়া (১৯), মামুন হোসেন (২০), মো. ওয়াজিব হোসেন (১৯), আসামি শাওন (২২), শাকিল ওরফে লাদেন (২৪), রবিন (২৩),  হাবিবুর রহমান (২৭), নুর আলম বাবু ওরফে পিচ্চি বাবু(২৫), রমজান (২৪), মো. রুবেল হাওলাদার (২৭), মো. শাহিন (২১), মো. নয়ন মিয়া (২৮), মো. সোহেল খান (২৫), মো. বাদল বিশ্বাস (২৬), আহাম্মদ আলী মাতব্বর ওরফে পিচ্চি (৩৫), মো. আলমগীর (২৭) ও মো. রফিকুল ইসলাম (৩০)।

অভিযানকালে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত চাপাতি, চাকু, ছোরা, হাইড্রোলিক কাটার, তালা ভাঙ্গার রড, হাতুরি, প্লাস, স্ক্র ড্রাইভার, হেসকো ব্লেড, গ্রিল ও তালা কাটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তিনি বলেন, শীতকাল এলে দোকান, বাসাবাড়ি ও মার্কেটে ডাকাতি ও চুরি বেড়ে যায়। এটা প্রতিরোধের লক্ষ্যে ডিবির ৩২টি টিম একযোগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। এই অভিযানে ৩৪ জনকে আটক করতে সক্ষম হয় গোয়েন্দা পুলিশ।

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, সবাই সচেতন হলে ডাকাতি, ছুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রতিরোধ করা যাবে। বিশেষ করে কারো বাসায় নতুন দারোয়ান বা মালি নিয়োগ দিলে তা নিকটবর্তী থানায় অবগত করুন। এতে বাসা-বাড়িতে চুরি ও ডাকাতির ঘটনাগুলো কমে আসবে। অথবা চুরি ও ডাকাতির মতো ঘটনাগুলো ঘটলে তাদের সহজেই আটক করতে পারবে পুলিশ। বিশেষ করে গ্রিল কেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে চোরেরা বাসার কিচেন ও বাথরুমের পিছনের অংশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যবহার করে থাকে। এ বিষগুলো খেয়াল রাখতে হবে। 

উদ্ধারকৃত ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরিতে ব্যবহৃত সরঞ্জাম

যারা আর্থিকভাবে সামর্থবান তারা বাসায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করতে পারেন। জনগণকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এরপরও যদি এমন ঘটনা ঘটে যায় তাহলে পুলিশকে অবগত করুন। যেকোনো ঘটনা নিয়েন্ত্রণে রাখাই আমাদের লক্ষ্য বলেও ব্রিফিংয়ে জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইএ/এমকেএ