জাল টাকা বন্ধে বিশেষ আইনে মামলা করবে পুলিশ

ঢাকা, রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৫ ১৪২৭,   ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

জাল টাকা বন্ধে বিশেষ আইনে মামলা করবে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪৮ ২৪ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৫:৩৭ ২৪ অক্টোবর ২০২০

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জাল টাকা তৈরি, বন্ধ এবং চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে এবার বিশেষ আইনে মামলার কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

শনিবার ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার এ কথা জানান।

দীর্ঘ ৫ থেকে ৬ বছর ধরে সংঘবদ্ধ একটি চক্র যোগসাজশে জাল নোটের কারবার করছে জানিয়ে হাফিজ আক্তার বলেন, কারখানায় তৈরি জাল টাকা ঈদ, দুর্গাপূজার মতো বড় উৎসবকে টার্গেট করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের সহযোগীদের মাধ্যমে সরবরাহ এবং বিক্রয় করা হয়। তবে বার বার গ্রেফতার হলেও এ চক্রের সদস্যরা বেরিয়ে একই পেশায় জড়িয়ে পড়ছে।

তিনি আরো বলেন, চলতি মাসে আমরা তিনটি জাল টাকার তৈরির চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছি। তাদের দেয়া তথ্য মতে, গত ২৩ অক্টোবর রাজধানীর কোতোয়ালি, আদাবর থানাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫৮ লাখ ৭০ হাজার জাল টাকা, ১১৩টি জাল ডলার ও জাল তৈরির সরঞ্জামাদিসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এক লাখ টাকার জাল নোট তারা ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে।

তিনি বলেন, এই পুরো চক্রের মাস্টার মাইন্ড কাজি মাসুদ পারভেজ। মাসুদ পারভেজ ছাড়াও এ চক্রের মোহাম্মদ মামুন, শিমু, রুহুল আলম, সোহেল রানা, নাজমুল হককে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানে তাদের কাছে থেকে জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম হিসেবে একটি ল্যাপটপ, দুটি স্ক্যানার, একটি লেমিনেটর, দুটি প্রিন্টার, ১২টি ট্রেসিং প্লেট, ৫ রিম জাল টাকা ছাপানোর কাগজ উদ্ধার করা হয়।

ডিবি প্রধান বলেন, এই চক্রের মাস্টার মাইন্ড কাজি মাসুদ পারভেজের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সে এর আগেও গ্রেফতার হয়েছে। তবে বারবারই বের হয়ে গেছে। তাই এবার আমরা তার বিরুদ্ধে স্পেশাল অ্যাক্টে  মামলা করবো, যেন সে সহজে বের হয়ে না আসতে পারে।

হাফিজ আক্তার আরো বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানায়, তারা দীর্ঘ পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে পরস্পরে যোগসাজশে জালনোট প্রস্তুত করে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইএ/জেডআর