পুলিশি হেফাজতে ছেলের মৃত্যুর শোকে একদিন পর মারা গেলেন বাবাও
ঢাকার নবাবগঞ্জে পুলিশের হেফাজতে ছেলে মামুনের মৃত্যুর শোকে কাতর হয়ে একদিন পরই তার বাবা আবুল হোসেনও মারা গেছেন। মৃত্যুর পর আবুল হোসেনের মরহেদ নবাবগঞ্জে দাফন করতে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি মামুন ও তার বাবার মৃত্যুর পর অন্য সদস্যদের ভবিষ্যত এবং নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত পরিবার।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নবাবগঞ্জে একটি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আটক হন অটোরিকশা চালক মামুন। পরে হাজতখানার টয়লেট থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, মামুন হাজতখানার ভেতরে থাকা টয়লেটের জানালার সঙ্গে তার পরনের লুঙ্গি দিয়ে ফাঁস নিয়েছেন। কিন্তু পুলিশের নির্যাতনেই মামুনের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।
.png)

ওই ঘটনার পর মামুনের পরিবার নবাবগঞ্জ ছেড়ে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নেয়। বৃহস্পতিবার সকালে আত্মীয়ের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, মামুনের বাবা মারা গেছেন। তার দাফন নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে সংকট।
নিহত মামুনের স্ত্রী পিংকি আক্তার বলেন, ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে স্বামীর বাবাও মারা গেছে। এখন আমাদের কে দেখবে? আমার ছোট ছোট বাচ্চা, এদের নিয়ে কই যাবো, এখন এদের দায়িত্ব কে নিব?
নিহত মামুনের মা মাসুদা বেগম বলেন, আমার ছেলের মৃত্যুর একদিন পর আমার স্বামী শুক্রবার সকালে মারা গেছেন। আমাদের আর কেউ নেই। নানা জটিলতায় আমরা বাড়িতেও যেতে পারছি না।