সিটি কর্পোরেশনে নিবন্ধন ছাড়া হাসপাতাল চলবে না

ঢাকা, বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৭ ১৪২৭,   ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সিটি কর্পোরেশনে নিবন্ধন ছাড়া হাসপাতাল চলবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০২:১৮ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৪:৪৮ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

শেখ ফজলে নূর তাপস। ফাইল ছবি

শেখ ফজলে নূর তাপস। ফাইল ছবি

সিটি কর্পোরেশনের নিবন্ধন ছাড়া কোনো বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিককে চলতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে নগরবাসীর জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় সারাদেশে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের মূল অনুমোদন দিয়ে থাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে সেটা দেয়া হয়ে থাকে। ‘মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক, ল্যাবরেটরি অর্ডিন্যান্স-১৯৮২’-এ আছে আবেদনের সঙ্গে আবশ্যিক ডকুমেন্টের তালিকায় হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিভিন্ন তথ্যের কথা বলা হয়েছে। আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি, এখানে অবকাঠামো বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। জনবলের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে, কিন্তু সেই হাসপাতাল-ক্লিনিকের বর্জ্যগুলো কীভাবে ব্যবস্থাপনা করবে, তাদের অবকাঠামো কী থাকবে, কী নিশ্চিত করতে হবে- এ বিষয়ে এখানে কিছু বলা হয়নি।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ১১২ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইন কার্যকর হইবার তারিখে বা তৎপর কর্পোরেশন এলাকায় নিবন্ধন ব্যতীত কোনো প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট, ইত্যাদি পরিচালনা করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে আমরা এই আইনটি বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এরইমধ্যে একটা বিধিমালা-প্রবিধান করবো। সুনির্দিষ্টভাবে চিকিৎসা বর্জ্য কীভাবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে কী কী অবকাঠামো তাতে থাকতে হবে- ১০, ১০০ কিংবা ৫০০ শয্যা হোক কী কী তাদের মানতে হবে এই বিষয়গুলো তুলে ধরে আমরা তাদের নিবন্ধনের আওতায় আনতে চাই।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০০৮ সালে চিকিৎসা বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য একটি বিধিমালা হয়েছে জানিয়ে ফজলে নূর তাপস বলেন, আজ পর্যন্ত সে বিধিমালার বাস্তব কোনো পরিপালন আমরা লক্ষ্য করিনি। আমাদের আইন, বিধিমালা, প্রবিধান কম নেই, সবই আছে। অন্যান্য উন্নত দেশে যা আছে আমাদেরও তাই আছে। কিন্তু সেখানে একটি বড় ফারাক আমরা লক্ষ্য করি তা হল সেটা পরিপালন।

সভায় ফজলে নূর তাপস আরো জানান, ঢাকা এখন মশকমুক্ত একটি নগরী। যা আমরা উপহার দিতে পেরেছি। এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১০টি অঞ্চলের জলাশয় ও খালগুলোকে নিয়ে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করেছি। যেটা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হলে ইনশাআল্লাহ আগামীতে ঢাকা নগরীকে জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখতে পারব।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ/এমআরকে