বিএসএমএমইউতে অনলাইন টিকিট ব্যবস্থা, ভোগান্তি চরমে

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১২ ১৪২৭,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বিএসএমএমইউতে অনলাইন টিকিট ব্যবস্থা, ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৩৩ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৬:৩৪ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

রোগীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের বহির্বিভাগে চালু করা অনলাইন টিকিটের নামে অসুবিধা ও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।

দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা রোগীরা টিকিট কাটতে না পেরে চিকিৎসা নিতে পারছেন না। এছাড়া এ অনলাইন টিকিটের সুযোগে হাসপাতালের এক শ্রেণির কর্মচারী টিকিট কেটে দেয়ার নাম করে ৩০ টাকার টিকিট বিক্রি করছেন দ্বিগুণ অথবা চারগুণ দামে।

এ পরিস্থিতেতে অনেক ক্ষেত্রেই রোগীদের টিকিট না পেয়ে, চিকিৎসা না নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, বিএসএমএমইউ’র অনলাইন টিকিট নিয়ে ভোগান্তির কোনো সুযোগ নেই। 

একাধিক চিকিৎসক জানান, বহির্বিভাগের প্রতিটি বিভাগে রোগী অনুসারে অর্ধেক অনলাইনে টিকিট কাটা রোগী ও বাকি অর্ধেক সরাসরি আসা রোগীদের দেখা হচ্ছে। তবে সাধারণ রোগীরা অনেকেই এসে দেখছেন টিকিট নেই, তাদের ফেরত যেতে হচ্ছে।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অনলাইন টিকিটের সুযোগে প্রতিষ্ঠানেরই অসাধু কর্মচারীদের কেউ কেউ ১০টা টিকিট কিনে সেগুলো বেশি দামে বিক্রি করছেন। এমনকি ৩০ টাকার টিকিট ৬০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আবার ৬০ টাকার টিকিট কেউ ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন।

তারা বলছেন, এ প্রতিষ্ঠানে কখনো বহির্বিভাগে রোগীর অভাব ছিল না। কী কারণে অনলাইনের নিয়ম করা হলো, সেটাও একটা প্রশ্ন। রোগীরাতো সরাসরিই আসছেন, তাহলে অনলাইনে টিকিট কেটে কেন আসতে হবে। এটা তো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান নয়, এটা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, রোগীদের জন্য কাউন্টারে টিকিট রাখা হলেও সেটা বেশি সময় রাখা হয় না। আবার সকালের দিকে কাউন্টার খোলাও হয়, যখন রোগীরা এসে পৌঁছান না। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা টিকিট কেটে রাখেন, আর পরে রোগীদের কাছে সেটা বেশি দামে বিক্রি করেন।

বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া ভোগান্তির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এটা হওয়ার কথা নয়, কাউকে ফেরত দেয়া হচ্ছে না। সেখানে আমাদের ভিজিল্যান্স টিম রয়েছে। আমি বিষয়টি দেখবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর