ফ্লোরে গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামী আটক

ঢাকা, শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৯ ১৪২৭,   ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ফ্লোরে গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:৫৭ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজধানীর খিলক্ষেত নিকুঞ্জ এলাকার একটি বাসা থেকে শায়লা পারভীন জুঁই নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জুঁইয়ের স্বামী তরিকুল ইসলাম জনিকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। জুঁই ফরিদপুর শহরের আলীপুরের খাঁ পাড়া এলাকার মৃত লাল মিয়া খানের মেয়ে। জুঁই স্বামী তরিকুল ইসলাম জনির সঙ্গে নিকুঞ্জ দুই এর আট নম্বর রোডের ৪২ নম্বর বাসার নিচ তলায় ভাড়া থাকতেন।

নিহত জুঁইয়ের মেঝ ভগ্নিপতি মো. আলমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে বাসায় গিয়ে ফ্লোরে জুঁইয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। মুখ উপড় হয়ে পড়ে ছিল জুঁই। তার নাক-মুখ রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল। এছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আর উপরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না ঝুলানো ছিল। 

তবে জুঁইয়ের স্বামীর দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছিল। এরপর রাত ১২টার দিকে জুঁই বাসার ভেতরের একটি রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। সারা রাতেও আর দরজা খুলেননি। এরপর সকালে জনি তালাচাবির মিস্ত্রি ডেকে এনে দরজা খুলে ফ্লোরে জুঁইকে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপরই তিনি পুলিশে খবর দেন।

স্বজনদের অভিযোগ, এটা নিশ্চিত হত্যাকাণ্ড। তা না হলে জুঁইয়ের শরীরে এত আঘাতের চিহ্ন এলো কীভাবে।

খিলক্ষেত থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্বামীর মারধরের কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। জুঁইয়ের স্বামীকে আটক করা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ