ডিএনসিসির সড়কে বসছে ৪২ হাজার এলইডি বাতি

ঢাকা, শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১০ ১৪২৭,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ডিএনসিসির সড়কে বসছে ৪২ হাজার এলইডি বাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:২৭ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৮:১৩ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন সড়কে ৪২ হাজার এলইডি বাতি স্থাপন করা হবে। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকেই এই বাতি জ্বলবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ডিএনসিসি ভবনে মঙ্গলবার এলইডি লাইট স্থাপনে ডিএনসিসি ও বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। 

এলইডি সড়কবাতি স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডিএনসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম ও বিএমটিএফের মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তোফায়েল আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪২ হাজার ৫০০ লাইট ২০২১ সালের মধ্যে স্থাপন করতে পারব। নগরবাসীর জন্য এটি হবে ২০২১ সালের উপহার। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে ডিএনসিসির কিছু অংশে এ লাইট জ্বলবে। নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ঢাকা শহর করার জন্য আমারা যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলাম, সেই প্রত্যয়ের মধ্যে একটি হলো ঢাকা শহরকে আলোকিত করে রাখা।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এলইডি সড়কবাতি সরবরাহ ও স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পটি গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদিত হয়। সংশোধিত প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ৩৬৯ কোটি ১৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা। মূল প্রকল্পে ৪২ হাজার ৪৫০টি সড়কবাতি স্থাপনের কথা থাকলেও সংশোধিত প্রকল্পে ৪৬ হাজার ৪১০টি এলইডি বাতি স্থাপন করা হবে।

এর মধ্যে ১৫০ ওয়াটের ৩ হাজার ৪০৮টি, ১২০ ওয়াটের ৩ হাজার ৬৪৬টি, ৯০ ওয়াটের ৩ হাজার ২৯টি, ৬০ ওয়াটের ১০ হাজার ৬৬৬টি, ৪০ ওয়াটের ২৫ হাজার ৬৬১টি এলইডি বাতি স্থাপন করা হবে। এলইডি সড়কবাতি স্থাপন বাবদ ৩১৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে রয়েছে বাতি ক্রয়, পোল ক্রয় ও স্থাপন, ব্র্যাকেট, ফিটিংস, কন্ট্রোলিং সিস্টেম, সফটওয়ার, ওভারহেড কেব্লস ইত্যাদি।

সড়কবাতিগুলো কেনা হচ্ছে পোল্যান্ড থেকে। অবশিষ্ট ৪৯ কোটি ৪০ লাখ ৩২ হাজার টাকা হাইড্রোলিক গাড়ি ও অন্যান্য গাড়ি, যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং অন্যান্য খরচ বাবদ ব্যয় হবে। পুরো প্রকল্পটির কাজ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় অন্যান্যের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, বিএমটিএফের পরিচালক (বিপণন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুল ইসলাম।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ/এইচএন