মেলায় সাড়া ফেলছে মাহবুব রুমনের ‘কাব্য টোকাইয়ের অভিষেক’

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৮,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪২

মেলায় সাড়া ফেলছে মাহবুব রুমনের ‘কাব্য টোকাইয়ের অভিষেক’

রুমান হাফিজ, চবি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৯ ১ এপ্রিল ২০২১  

মাহবুব রুমনের কাব্যগ্রন্থ ‘কাব্য টোকাইয়ের অভিষেক’ নিয়ে এসেছে অনিন্দ্য প্রকাশনা

মাহবুব রুমনের কাব্যগ্রন্থ ‘কাব্য টোকাইয়ের অভিষেক’ নিয়ে এসেছে অনিন্দ্য প্রকাশনা

এবারের বইমেলায় কবি মাহবুব রুমনের কাব্যগ্রন্থ ‘কাব্য টোকাইয়ের অভিষেক’ নিয়ে এসেছে অনিন্দ্য প্রকাশনা। মাহবুব রুমন কর্মজীবনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন সিলেটে।

বইটি তরুণ সমাজের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বইমেলার ৫ নম্বর প্যাভিলিয়নে বইটি পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া Rokomari.com এর মাধ্যমে অনলাইনেও বইটি সংগ্রহ করা যাচ্ছে।

কাব্য টোকাইয়ের অভিষেক নিয়ে মাহবুব রুমন বলেন, বইটির বড় বিশেষত্ব হচ্ছে এর কবিতার বিষয়বৈচিত্র্য। একটি বইয়ের সকল কবিতা পাঠকের মনঃপুত হবে না। সব কবিতাই যে ভালো লাগবে সেটি আশা করা যায় না। কিন্তু এই  বইটির ক্ষেত্রে যেটি নিশ্চিত করে বলা যায় তা হচ্ছে কাব্যগ্রন্থটির কোন না কোন কবিতা পাঠকের মনে দাগ কাটবেই। তাই পাঠ শেষে পাঠক কে বিফল মনোরথে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হবে না বরং পাঠক কে কবিতার কোন একটি বিষয়বস্তু ভিন্ন কিছু চিন্তার খোরাক যোগাবে, কবিতা নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে সুযোগ করে দিবে।

লেখক জানালেন, আজকাল কবিতার পাঠক কম,কবি নতুন হলে তো আরো কম। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই বইটি যেই পড়ছেন এক বসায় শেষ করে উঠছেন বা উঠা লাগছে। কবিতা ,শব্দ গুলো এমন যে একটি পড়লে পরেরটিতেও চোখ বুলাতে ইচ্ছে করে। 

কেমন সাড়া পাচ্ছেন এমন প্রশ্নে লেখক বলেন, ভালোই সাড়া পাচ্ছি। বিষয়ের বৈচিত্রের কারণে;বিশেষ করে নামের বৈচিত্র সব মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। কবিতায় নতুন ভাবে পাঠক ফিরবে এমনটাই প্রত্যাশা।

বইটির ভূমিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, বাংলা কবিতার বাগিচায় আর একটি সুকণ্ঠী বুলবুলি যেন গান ধরেছে। তাকে গাইতে দেওয়ার জন্য আমাদের সময় দিয়ে ধৈর্যধারণ করতে হবে।

শুভেচ্ছা বাণীতে কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন- আমি আমার দীর্ঘ কাব্য জীবনে এরকম কোন কবি সন্ধান পাইনি।” বইটির জন্য আশীর্বাণী জানিয়েছেন স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক যতীন সরকার।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম