এডিসি আযীমুলের ‘ডুবে যেতে যেতে’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

ঢাকা, সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১১ ১৪২৭,   ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

এডিসি আযীমুলের ‘ডুবে যেতে যেতে’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৪৩ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সম্প্রতি পুলিশ সুপারে পদোন্নতি পাওয়া রমনা জোনের এডিসি আযীমুল হকের ‘ডুবে যেতে যেতে’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে বইমেলার মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্চের ডিআইজি হাবীবুর রহমান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ।

কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পুলিশদের কাজ করতে হয় উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, সময় বের করা খুব কঠিন। সকাল থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি অফিসারের রাত বারোটা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়। তার মধ্যে এরকম সৃজনশীল কাজে তিনি আপ্লুত।

যারা কবিতা বোঝেন বা পড়েন তাদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান আযীমুল হকের কবিতার বইটি পড়ার।

পুলিশ সুপার আযীমুল হক বলেন, মানব জীবনের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির দ্বন্দ্ব, মানব চাহিদার বহুমুখী দর্শন, জীবনের প্রেম, বেদনা ও দ্রোহের  বহুমুখী অন্তর্ঘাতের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে নতুন রুপক, চিত্রকর্ম ও উৎপ্রেক্ষার মাধ্যমে।

পাঠকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি আশাবাদী বইটি পড়লে আপনাদের ভালো লাগবে।

৪১টি কবিতার সমন্বয় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত এই বইয়ের প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্রুব এষ। বইমেলায় অন্যপ্রকাশের স্টলে বইটি পাওয়া যাচ্ছে।

আযীমুল হকের জন্ম বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর তীরের পুটিখালি গ্রামে। শৈশব কেটেছে সুন্দরবন লাগোয়া এই নদীর জল গায়ে মেখে। বাবা মোহা: মোবারক আলী হাওলাদার ছিলেন স্কুল শিক্ষক। মা আনোয়ারা বেগম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর সম্পন্ন  করে প্রথম চাকরি ব্যাংকে, তারপর বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে বাগেরহাট সরকারি পিসি কলেজে অধ্যাপনা করেন। পরে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/ইএ/টিআরএইচ