যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে ব্যবহারে আবারো মরিয়া তারেক

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ৭ ১৪২৮,   ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে ব্যবহারে আবারো মরিয়া তারেক

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৪৩ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৫:১১ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

তারেক রহমান। ফাইল ছবি

তারেক রহমান। ফাইল ছবি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সব রাজনৈতিক দল এরই মধ্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। তবে এক্ষেত্রে একেবারেই ব্যতিক্রম বিএনপি। দলকে না গুছিয়ে অযৌক্তিক আন্দোলনকে প্রাধান্য দিতে চক্রান্ত শুরু করেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত বহুবার আন্দোলনে ব্যর্থ এবং সরকারি দলের রাজনৈতিক কৌশলের কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে বিএনপি। তাই উপায়ন্তর না পেয়ে এবার নির্বাচনের পূর্বে যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীকে পাশে চাইছেন লন্ডনে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সূত্র আরো জানায়, দীর্ঘদিন ধরে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার কথা বললেও নেতাদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় বিএনপির আন্দোলন এখন রসিকতায় পরিণত হয়েছে। আন্দোলনের কথা বললেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রলের শিকার হচ্ছেন দলের নেতাকর্মীরা। সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে নির্বাচনের আগে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে দেশে বড় ধরনের অরাজকতা সৃষ্টি করে সরকারকে চাপে ফেলতে চান তারেক রহমান।

সূত্রটি আরো জানায়, জামায়াত নেতাদের সঙ্গে এ লক্ষ্যে তারেক রহমানের একাধিক বৈঠকও হয়েছে। সরকারকে চাপে ফেলতে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে এরই মধ্যে কাজও শুরু করেছে বিএনপি-জামায়াত।

ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতা আব্দুল আলীম নকী’র এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী জানান, তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন জামায়াতের নেতারা। ধারণা করা হয়, বসুন্ধরা এলাকা থেকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলসহ শীর্ষ পর্যায়ের সাত নেতাকে নাশকতার পরিকল্পনাকারী তারেক রহমানের সঙ্গে মিটিংয়ের পরই গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে বিএনপিতে তারেকবিরোধী নেতারা মনে করেন, বিএনপির অধঃপতনের অন্যতম কারণ হচ্ছে জামায়াতের সঙ্গে সখ্য। তাই তারা বিভক্ত। কিন্তু জামায়াত সাংগঠনিকভাবে বিএনপির চেয়ে বেশি শক্তিশালী বলেই তারেক রহমান বারবার তাদের শরণাপন্ন হন। আর এ কারণেই তারেকের নেতৃত্বে বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন সারির নেতারাই রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টির অপরাজনীতি করছেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও করছেন তারা।

তাদের মতে, জামায়াতের নেতাদের নীরবতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নতুন নতুন ধর্মভিত্তিক দলের উত্থান হয়েছে। এদের মধ্যে হেফাজতে ইসলাম একটি।

আর জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ধর্মভিত্তিক দলগুলো নতুন নতুন ভার্সনে (রূপে) সামনে আসছে। জামায়াতে ইসলামীর মতো এসব দলগুলোও সহিংস ও নারকীয় তাণ্ডবকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহারে বিশ্বাসী।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/জেডআর/এইচএন