বাঙালি জাতির কাছে বঙ্গবন্ধু এক অবিস্মরণীয় নাম: জাহাঙ্গীর কবির নানক

ঢাকা, শুক্রবার   ০৬ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ২২ ১৪২৮,   ২৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

বাঙালি জাতির কাছে বঙ্গবন্ধু এক অবিস্মরণীয় নাম: জাহাঙ্গীর কবির নানক

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪৩ ২৩ জুন ২০২১   আপডেট: ২০:০৮ ২৩ জুন ২০২১

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীর কবির নানক- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীর কবির নানক- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বাংলা ও বাঙালির কাছে অবিস্মরণীয় এবং অনুপ্রেরণার এক নাম জাতি পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সূর্যের ন্যায়ে বঙ্গবন্ধুর নাম বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে এখনো আলো জ্বালিয়ে উজ্জীবিত করে যাচ্ছে।

বুধবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায় ও অসহায় মানুষদের বন্দী দশা থেকে মুক্ত করতে আন্দোলন-সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। তার ডাকে বাংলাদেশের সব মানুষ উজ্জীবিত হয়ে ওঠেছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেই কণ্ঠেস্বর রোধ করার জন্য আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করা হয়। কিন্তু যার রক্তে বারুদ সেই রক্তকে দমিয়ে রাখা যায় না। শুরু হয় বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম। এ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠে আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ঘোষণা করে বাংলাদেশের মানুষ স্বাদরে গ্রহণ করে। কিন্তু কোনোভাবেই ক্ষমতা লোভীরা ক্ষমতার পালা বদল করতে চাইছিল না। ধীরে ধীরে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যান এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জিত হয়। তাই বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ স্বাধীনতার, এদেশের ইতিহাস অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত রয়েছে। এরপরে যখন বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেন তখনি যুদ্ধাপরাধী-মানবতাবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে রাতের আধারে নিঃশেষ করে দেয়। এ ঘাতকদের চিহ্নিত করে মূল উৎপাটন করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এদেশে মানুষের অধিকার আদায়, ভাগ্য পরিবর্তনে অবিচল। ২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা জনগণের বিপুল ম্যানডেট নিয়ে সরকার গঠন করেন। এরপর বঙ্গবন্ধুকন্যা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে করতে বড় বড় প্রকল্প গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন যা অন্য কোনো সরকার ভাবতেও পারেনি। আজ বাংলাদেশ কৃষি ও খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রেই অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। এমনকি শৃঙ্খলা ও মানুষের নিরাপত্তা বিধানে এবং জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ বিশ্বে আলোচিত।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহামুদ স্বপন,আফজাল হোসেন, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, উপ-প্রচার আমিনুল ইসলাম আমিনসহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ