স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন নিয়ে বিএনপির ‘প্রতারণা’

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৮,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪২

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন নিয়ে বিএনপির ‘প্রতারণা’

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:৪৫ ২ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ১৫:১৫ ২ এপ্রিল ২০২১

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

করোনাভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন না করে দলের তৃণমূল ও জনগণের সঙ্গে বিএনপি ‘বড় ধরনের প্রতারণা’ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র বলছে, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে গত ২৪ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দলীয় সব কর্মসূচি স্থগিত করে বিএনপি। এদিন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ৩০ মার্চ পর্যন্ত বিএনপির সব ধরনের কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। কিন্তু ৩০ তারিখ পার হলেও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন বিষয়ে এখনও কোনো কার্যক্রম হাতে নেয়নি বিএনপি। সীমিত আকারেও হয়নি কোনো আয়োজন।

জানা গেছে, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গত ২২ নভেম্বর এক বছরের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সংবাদ সম্মেলন করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। কিন্তু কর্মসূচি ঘোষণার সময়ই প্রশ্ন উঠেছিল- স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ থেকে কীভাবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মতো মহান একটি বিষয় উদযাপন করবে বিএনপি?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যে দল দেশের স্বাধীনতাই চায়নি, দেশের জনগণের ওপর পাক হানাদার বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়েছিল, তাদের সঙ্গে থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করার ঘোষণাকে তখনই দেশের মানুষ নাটক বলে উল্লেখ করেছিল।

তারা বলছেন, জামায়াতের সঙ্গে থাকাই তো প্রমাণ করে বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উপলক্ষে বিএনপির অনুষ্ঠান ঘোষণা যে লোক দেখানো ছিল তা সবাই জানে। এছাড়া স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান সীমিত আকারেও পালন করতে পারতো বিএনপি। কিন্তু দলটি সুবর্ণজয়ন্তীর সব কার্যক্রম স্থগিত করে তৃণমূল ও দেশের জনগণের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে তারা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/টিআরএইচ