শেখ হাসিনার প্রতি দেশের জনগণের আস্থা শতভাগ: কাদের

ঢাকা, শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৪ ১৪২৮,   ০৪ রমজান ১৪৪২

শেখ হাসিনার প্রতি দেশের জনগণের আস্থা শতভাগ: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:০৮ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৮:৪৫ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার প্রতি দেশের জনগণের আস্থা শতভাগ রয়েছে। সাম্প্রতিক পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিপুল বিজয় তারই নজির বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যেকোনো জনঘনিষ্ঠ ইস্যুতে শেখ হাসিনা সবার আগে সাড়া দিয়ে থাকেন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের সঙ্গে সব সময় থাকে। শেখ হাসিনার জনমুখী রাজনীতির কারণে বিএনপি আন্দোলন ইস্যু সংকটে পড়েছে। ফলে একবার এই ইস্যু আবার ওই ইস্যু, এভাবে বিএনপি ইস্যু নির্বাচন করতে কাটিয়ে দিয়েছে এক যুগ।

বিএনপির আন্দোলন সুদূরপরাহত, তাই তাদের আন্দোলন দূর আকাশের নীলিমা, যা দেখা যায় কিন্তু ছোঁয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির রাজনীতি এখন গভীর সমুদ্রে কম্পাস ছাড়া নাবিকের মতো। মিথ্যাচার তাদের রাজনীতিকে গ্রাস করেছে। নেতাদের ওপর কর্মীদের চরম আস্থাহীনতা, দলের গঠনতন্ত্র থেকে দুর্নীতিবাজদের অযোগ্যতার ধারা বাতিল করে বিএনপি আজ আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ক্ষমতার জন্য বিদেশি দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়ে যেদিন বিবৃতি দেয়, সেদিনই তাদের দেউলিয়াত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠে। তারা জনগণের রাজনীতি করে না, রাজনীতি করে ক্ষমতার জন্য। দুর্নীতি আর বিদেশি প্রভুদের ওপর নির্ভর করাই বিএনপি নেতাদের টার্গেট।

বিএনপি নেতারা এক দফা আন্দোলনের জন্য কর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এক দফা বলুন আর ১১ দফা বলুন, বিএনপির আন্দোলনের মরা গাঙে আর জোয়ার আসবে না। তথাকথিত এক দফা আন্দোলনও জনবিচ্ছিন্নতায় মুখ থুবড়ে পড়বে। যেকোনো আন্দোলনের বড় শক্তি জনগণ। কিন্তু অপরাজনীতির জন্য জনগণই বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/এসআর/জেডআর/আরএইচ