ছাত্রাবস্থায় ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ বনে গেছেন রাশেদ

ঢাকা, শনিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ১০ ১৪২৭,   ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ছাত্রাবস্থায় ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ বনে গেছেন রাশেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২৪ ১৮ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ২১:২৫ ১৮ নভেম্বর ২০২০

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন - ফাইল ছবি

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন - ফাইল ছবি

কোটা আন্দোলনের নেতা সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের অন্যতম সহযোগী ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন ছাত্রাবস্থায় বনে গেছেন ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে শুরু থেকেই কাজ করছে সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ও তার অনুসারীরা। তারা লন্ডনে পলাতক ফেরারি আসামি ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেপথ্য নির্দেশনায় ‘পেইড এজেন্ট’ হয়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন সময় হাতেনাতে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মোটা অংকের মাসহারা পান বলে নুর ও তার সহযোগী রাশেদরা ‘রাজার হালে’ জীবনযাপন করেন। অথচ তাদের কোন উপার্জন উৎস নেই। এমনকি কেউ নির্দিষ্ট করে বলতেও পারেননি, তারা কী করেন।

বিগত শনিবার দেয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন আক্ষেপ করে লিখেছেন, একটা সময় শান্তি ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকাকালীন সময়ে টিউশনির বেতন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নীলক্ষেতের রয়েল তেহারির দোকানে চলে যেতেন। সেখানে ৭০ টাকায় হাফ প্লেট তেহারি খেতেন। কিন্তু এখন পাঁচ তারকা হোটেলের শত শত আইটেমের খাবারেও তার তৃপ্তি মেলে না। তার ভাষ্যমতে, তখন মুখে একটা স্বাদ ছিলো, যেটা এখন নাই।

এখন প্রশ্ন হলো, ক’দিন আগেও যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের ক্যান্টিনের খাবার আর নীলক্ষেতের তেহারিতে নিজের উদরপূর্তি করতেন, হঠাৎ তিনি এমন কি ‘আলাদীনের চেরাগ’ পেলেন যে পাঁচ তারকা হোটেলে নিত্য যাওয়া-আসা করছেন?

উত্তরটা খুবই সহজ। দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার কারণে মোটা অংকের টাকা মাসোয়ারা পান নুর ও তার গ্যাং। এ কারণে সেই টাকা আনতে এবং গোপন মিটিং করতে প্রায়শই তারা পাঁচ তারকা হোটেলে যাওয়া-আসা করেন। কিন্তু ‘সবার পেটে সব সয় না’ বলেই মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন এখন ফেসবুকে এমন স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের পুরনো অতীতকে স্মরণ করছেন। হা-হুতাশ করছেন।

রাজনৈতিক বিশিষ্টজনরা বলছেন, নুর-রাশেদদের হঠাৎ এই পরিবর্তনের গল্প দেশবাসী কম-বেশি সবাই অবহিত। তারা যাতে আরো বেপরোয়া হয়ে দেশের ক্ষতি করতে না পারে, লাল-সবুজের পতাকা, গণতন্ত্র ও সফল সরকারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। রুখে দিতে হবে তাদের সব ষড়যন্ত্র।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/টিআরএইচ/এইচএন/আরএইচ