ইতিহাস প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যায় না: গোলাপ

ঢাকা, শুক্রবার   ২৭ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৩ ১৪২৭,   ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

ইতিহাস প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যায় না: গোলাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪৫ ২৭ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ২০:০৫ ২৭ অক্টোবর ২০২০

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ বলেছেন, সঠিক ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিলো জিয়াউর রহমান ও এরশাদ। বঙ্গবন্ধুর নাম যারা মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে তারাই মূল ষড়যন্ত্রকারী। ইতিহাস প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যায় না।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সরকার গঠন করলে তাঁর  সরকারের অধীনে চাকরি করেছেন জিয়াউর রহমান। বিএনপি বলে জিয়াউর রহমানের কথায় না কি দেশে স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু কোন  চাকরিজীবীর কথায় কি কোন দেশ স্বাধীন হতে পারে? 

মঙ্গলবার ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন তিনি। 

ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ আরো বলেন, আজ ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে কর্মী গড়ে ওঠেছে। পেছনের রাস্তা দিয়ে ক্ষমতায় আসার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে বিএনপির। কোনো অপশক্তি যেন শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্ত করতে না পারে সেজন্য সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। 

সুযোগ সন্ধানী নেতাদের কাছ থেকে সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়ে আব্দুস সোবহান গোলাপ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় লাখ লাখ কর্মী ছিলো। তারা এখন কোথায়? খালেদা জিয়ার জন্য একটি আন্দোলন করতে পারেনি বিএনপি। ক্ষমতায় থাকা দলে যারা যোগ দেন, তারা সুবিধাবাদী। এদের থেকে আমাদেরকে সাবধান থাকতে হবে। ত্যাগী নেতারা কখনো সুবিধা নেয়ার জন্য সংগঠন করে না।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সরকারি চাকরি দিয়েছে বিএনপি। যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষক হলো বিএনপি। তাদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে।

গোলাপ বলেন, বিএনপির ২১ বছরের উন্নয়ন আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১১ বছরের উন্নয়নের মধ্যে  আকাশ পাতাল পার্থক্য। শেখ হাসিনা কোনো ভোগ বিলাসের রাজনীতি করেন না, বিএনপি ভোগ বিলাসে মগ্ন ছিলো বলেই দেশের উন্নয়ন করতে পারেনি।

আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো.সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আজগর নস্কর। এসময় উপস্থিত ছিলেন- কার্যকারী সভাপতি  সাইফুল আলম মানিক,  সহ-সভাপতি আবুল বাশার, আব্দুল গফুর চোকদার,মুহাম্মদ আলম,গিয়াস খান, মোহাম্মদ ইউনুস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম, রফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/জাআ/এমআরকে/এসআর