‘ডার্টি ম্যান’ শফিক রেহমান এখন বিএনপির রাজনীতিতে নিখোঁজ

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৮ ১৪২৭,   ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

‘ডার্টি ম্যান’ শফিক রেহমান এখন বিএনপির রাজনীতিতে নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪৪ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৭:৪৩ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, সাংবাদিক, উপস্থাপক ও একসময় বিএনপিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ড. শফিক রেহমান রাজনীতি থেকে আজ নিখোঁজ। কোথাও নেই তিনি।

রাজনীতিতে ‘ডার্টি ম্যান’ হিসেবে পরিচিত শফিক রেহমান খালেদা জিয়ার বক্তব্য লেখক হিসেবে বিএনপিতে ছিলেন বেশ প্রভাবশালী। নোংরা কথা বলা, আধুনিকতার নামে অশ্লীলতার প্রসার ঘটানোর কাজেই যেন তার দক্ষতা বেশি।

শফিক রেহমান আলোচিত হন সাপ্তাহিক যায়যায়দিন-এর মাধ্যমে। এরশাদের শাসনামলে ওই সাপ্তাহিক পত্রিকাটি বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। কিন্তু ওই সাপ্তাহিকের মাধ্যমেই শফিক রেহমান বাংলাদেশের গণমাধ্যমে অশ্লীলতা এবং যৌন সুড়সুড়ি আমদানি করেন। যায়যায়দিন পত্রিকায় শফিক রেহমান ‘দিনের পর দিন’ নামে একটি কলাম লিখতেন। যেখানে মিলা আর মঈনের পরকীয়া সম্পর্কের টেলিআলাপ; ছিলো রীতিমতো যৌন সুড়সুড়ি।

রাজনীতি আর যৌনতার মিশেলে ‘খ্যাতির শিখরে প্রেমের গভীরে’ আরেকটি নিয়মিত নিবন্ধ প্রকাশিত হতো যায়যায়দিন-এ। সৈয়দ শামসুল হকের ‘খেলারাম খেলে যা’ উপন্যাসের পর এটিই যৌনতার প্রকাশ্য বিকিকিনি। এরপর ভ্যালেনটাইন ডে আমাদানি করেন শফিক রেহমান। এর মাধ্যমেই দেশের উঠতি তারুণ্যকে যৌনতায় এবং ড্রাগে উস্কে দেন তিনি।

শফিক রেহমানের রাজনীতিতে আসাও ছিলো এক ধরনের বিকৃতি। নিজের একটা যৌক্তিক অবস্থান পাওয়ার জন্যই তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। এদেশে কুৎসিত এবং নোংরা রাজনৈতিক বক্তব্যকে মূলধারার রাজনীতিতে আনার ক্ষেত্রেও শফিক রেহমান অগ্রগণ্য।

রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অনৈতিক সুবিধা আদায় করতেন শফিক রেহমান। বিলেতি কায়দার চলন বলনে মুগ্ধ খালেদা জিয়াও তাকে কাছে টেনে নেন।

২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপির অনেকেই যখন হতাশ এবং আত্ম সমালোচনায় ব্যস্ত, তখন শফিক রেহমান আরো ঘনিষ্ঠ হন খালেদার। অনেকেই মনে করেন ২০১৪ সালের নির্বাচনে না যেতে যারা খালেদা জিয়াকে প্ররোচিত করেছিল তাদের অন্যতম ছিলেন শফিক রেহমান।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/এইচএন