দ্য প্লেগ (পর্ব ২০) 

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৪ ১৪২৮,   ১৯ সফর ১৪৪৩

দ্য প্লেগ (পর্ব ২০) 

মূলঃ আলবেয়ার কামু

অনুবাদঃ মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৫৩ ২৮ জুলাই ২০২১   আপডেট: ২১:০৬ ২৮ জুলাই ২০২১

দ্য প্লেগ

দ্য প্লেগ

ফাদার পেনেলাক্সের ধর্মোপদেশ অনুষ্ঠানের অব্যবহিত পরেই উষ্ণ আবহাওয়া জেঁকে বসল। প্রতিশোধপরায়নতা নিয়ে।

রবিবারের অসময়ের মুষলধারায় বৃষ্টির পর গ্রীষ্মকাল বাসস্থানগুলোর ছাদ পুড়িয়ে দিল। প্রথমে একটি শক্তিশালী উষ্ণ বায়ুপ্রবাহ সারাদিন ধরে দেয়ালগুলোকে শুকিয়ে ফেলল। তারপর সূর্য দায়িত্বগ্রহণ করল। অবিররাম উষ্ণতা ও আলোর ঢেউ বইয়ে দিল শহরের উপরে। রাস্তার গেইট ও বাসস্থানগুলো উলঙ্গ হয়ে উজ্জ্বল আলোর নীচে পুড়তে লাগল। সূর্যের আলো আমাদের শহরের লোকজনকে অনুসরণ করতে লাগল প্রতিটি জায়গায়। প্রতিটি উপপথে, রাস্তার বাঁকে বা কোণায়। যখনই তারা থামত, তখনই তা তাদেরকে আঘাত করত।

গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে লাগল। মৃত্যুর সংখ্যা সপ্তাহে প্রায় ৭০০তে গিয়ে পৌঁছল।  ফলে শহরের মানুষদের মনোবল গভীরভাবে নিম্নগামী হলো। তবে শহরতলীর জীবনে তখনও কিছুটা প্রাণবন্তভাব অবশিষ্ট ছিল। এই এলাকার লোকজনেরা দিনের সবচেয়ে ভালো সময় কাটাচ্ছিল। ঘরের বাইরে; দরজার কাছে। কিন্তু এই সময়ে প্রত্যেকটা দরজাই বন্ধ হয়ে গেল। বাইরে কাউকেই দেখা গেল না। এমনকি ভেনেশিয়ান ব্লাইন্ডগুলোও বন্ধ করে রাখা হলো। ফলে বুঝতেই পারা গেল না যে, নাগরিকেরা উষ্ণতা, নাকি প্লেগকে বাইরে রাখার চেষ্টা করছে। কোনো কোনো বাসার ভেতর হতে গোঙানির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। প্রথম প্রথম মানুষেরা সেই বাসাটির বাইরে একত্রিত হতো এবং শুনতো। ঔৎসুক্য অথবা আবেগ হতে। কিন্তু এক সময়ে তারা এই শব্দের সমান্তরালে বাস করা শিখে গেল। কারণ, ইতিমধ্যেই তাদের হৃদয় কঠিন হয়ে গিয়েছিল। ফলে তারা শব্দগুলোর পাশে বাস করতে বা সেগুলোকে এড়িয়ে পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে পারত। শব্দগুলোকে তাদের আর অস্বাভাবিক মনে হতো না। স্বাভাবিক মানুষের কন্ঠস্বর বলেই মনে হতো।

নগরের প্রবেশদ্বারের কাছে প্রায়ই মারামারি হতো। সেখানে পুলিশকে রিভলভার ব্যবহার করতে হতো। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলাহীনতাকে নগরের বাইরেও ছড়িয়ে দিয়েছিল। পুলিশের সাথে যুদ্ধে  অনেকেই আহত হতো। কিন্তু নগরের ভেতরে  উষ্ণতা ও ভীতির মিথস্ক্রিয়ায় সবকিছুকেই অতিরঞ্জিত করা হতো। সেখানে সবাই নিহত হবার কথা আলাপ করত। এভাবে অসন্তুষ্টি বাড়ছিল। সামনের দিনগুলো আরও খারাপ হতে পারে ভেবে স্থানীয় কর্মকর্তারা দীর্ঘসময় ধরে তর্ক করতেন যে, তাদের কি ধরণের ব্যবস্থা নিতে হতে পারে, যদি জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কেউ শহর ত্যাগ করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে  কি কি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, সে সম্পর্কে নতুন নীতিমালা প্রকাশ করা হলো। এতে বলা হলো যে, যাদেরকেই আটক করা হবে, তাদেরকে দীর্ঘসময়ের জন্যে জেলে অন্তরীন রাখা হবে। শহরের বুকে টহলের ব্যবস্থা করা হলো। প্রায় সময়েই দেখা যেত শহরের খালি ও রৌদ্রদগ্ধ নুড়ির রাস্তার উপর দিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে সওয়ার হয়ে পুলিশের দল টহল দিচ্ছে। মাঝেমধ্যে গুলির শব্দ শোনা যেতে লাগল। একটা বিশেষ ব্রিগেডকে দায়িত্ব দেয়া হলো বিড়াল ও কুকুরগুলোকে মেরে ফেলার জন্যে। প্লেগের সম্ভাব্য জীবাণু বহনকারী হবার কারণে। এই বাহিনীর চাবুকের শব্দ নগরের বুকে বিরাজমান অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে দিলো।                                   

উষ্ণতা ও নিস্তব্ধতার ভেতরে শহরের মানুষদের সমস্যাকীর্ণ হৃদয়গুলোর জন্যে সবচেয়ে কম শব্দকেও উচ্চকিত বলে মনে হতে লাগল। শহরের মানুষেরা আকাশের রঙ বদলানো বা ঋতু পরিবর্তনের সময়ে মাটি থেকে যে গন্ধ উঠে, তা জীবনে প্রথমবারের মতো লক্ষ্য করল। প্রত্যেকেই তার বিহ্বলতার সাথে বুঝতে পারলো যে, উষ্ণ আবহাওয়া প্লেগের জন্যে অনুকূল হবে। তারা এটাও স্পষ্টভাবে বুঝতে পারল যে, গ্রীষ্মকাল ক্রমেই স্থায়ী হচ্ছে। বিকেলের বাতাসে বাসাবাড়ির উপরে গাঙচিলের চিৎকার তীব্র হচ্ছিল। আকাশের আকৃতিও ছোট হয়ে আসছিল জুনমাসের চেয়ে, যখন গোধূলির সময়ে দিগন্তকে সীমাহীন দূরে বলে মনে হতো। বাজারে ফুলের কলি আসা বন্ধ হয়ে গেল। যেগুলো আসতে লাগল সেগুলো ইতিমধ্যেই ফুটে গিয়েছিল। ফলে সকালের বাজার শেষ হয়ে যাবার পর বাজারের ধূলিময় উঠোনে ছেঁড়া বৃতিগুলোকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেল। এটা সহজেই বোঝা যাচ্ছিল যে, বসন্তের শেষ সমাগত। বসন্ত তার সুগন্ধকে ফুটন্ত ফুলের ভেতরে বিতরণ করে প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছে। এখন সে উত্তাপ ও প্লেগের আক্রমণে বিচূর্ণ হবে। শহরের নাগরিকদের জন্যেও গ্রীষ্মের আকাশ ও ধূলিময় রাস্তা একই বার্তা বয়ে আনছিল। কারণ, শহরে প্রতিদিনই শতাধিক মানুষ মারা যাচ্ছিল। সিয়েস্তা বা ছুটির সাথে সম্পর্কিত একটানা সূর্যালোক বা উজ্জ্বল সময়গুলো হারিয়ে গিয়েছিল। কেউই আর সৈকতে আনন্দবিহার ও প্রেমের খেলা খেলছিল না। এগুলোর বিপরীতে বন্ধ শহরের নির্জনতার ভেতরে শূন্যতা খেলা করছিল। নাগরিকেরা সুখী গ্রীষ্মের সোনালী যাদুময়তা হারিয়ে ফেলেছিল।

এই বিশাল পরিবর্তনগুলো এনেছিল মহামারী। তারপরেও আমরা গ্রীষ্মকালকে আমন্ত্রণ জানালাম। আনন্দময়তার ভাবনা থেকে। শহরটি ছিল সাগরের দিকে খোলা এবং যুবকেরা সেখানে গেলে তাদেরকে টাকা দিতে হতো না। কিন্তু এই গ্রীষ্মে এত কাছে থাকা স্বত্বেও সেটিকে নিষিদ্ধ (out of bounds) ঘোষণা করা হলো। কোনো যুবক-যুবতীই সেখানে আনন্দ করতে যেতে পারল না। এই ধরণের পরিস্থিতিতে আমরা কি করতে পারতাম? এটা ছিল সেই সময়ে আমাদের জীবনের সবচেয়ে বিশ্বস্থ ছবি, যা ত্যারু আমাদের জন্যে এঁকেছিল। সে প্লেগের অগ্রগতি বিষয়ে একটা প্রতিচিত্র এঁকেছিল। বর্ণনা করেছিল যে, প্লেগের নতুন একটি পর্যায় শুরু হয়েছিল যখন থেকে রেডিওতে প্রতিদিনের মৃত্যুসংখ্যা (যেমন, বিরানব্বই, একশত সাত, একশত ত্রিশ) ঘোষণা করা হলেও সাপ্তাহিক সার্বিক মৃত্যুর সংখ্যা বলা হচ্ছিল না।

“খবরের কাগজ ও কর্তৃপক্ষ প্লেগ নিয়ে খেলছে। তারা ভাবছে যে, তারা জিতে যাচ্ছে। কারণ, এক শত ত্রিশ নিঃসন্দেহে নয় শত দশ এর চেয়ে ছোট সংখ্যা।”      

সে তার দৃষ্টিতে আসা গুরুত্বপূর্ণ অথবা আবেগ সৃষ্টিকারী ঘটনাগুলোকেও লিপিবদ্ধ করেছিল। যেমন, একদিন ত্যারু যখন একাকী রাস্তায় হাঁটছিল, তখন এক মহিলা তার মাথার উপরে অবস্থিত বেডরুমের একটি বন্ধ জানালা খুলে দুইবার তীব্র চিৎকার দিয়ে জানালাটি বন্ধ করে দিয়েছিল। সে এটাও লিপিবদ্ধ করেছিল যে, শহরের ওষুধের দোকানগুলো থেকে পেপারমিন্ট লজেন্সগুলো নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল। কারণ, সবাই বিশ্বাস করত যে, এই চকলেট চুষলে প্লেগে সংক্রমনের সম্ভাবনা শূন্য হয়ে যায়।         

সে তার বিপরীত ব্যালকনি’র সেই বিড়ালগুলোকেও দেখত। তার মনে হয়েছিল যে, সেই প্রাচীন ছোট-খেলা শিকারীর জীবনেও ট্র্যাজেডি নেমে এসেছিল। একদিন সকালে রাস্তার উপরে গুলির শব্দ হয়েছিল। ত্যারুর বর্ণনামতে সেদিন কিছু ‘দুর্মুখ মানুষ’ বেশীরভাগ বিড়ালগুলোকেই মেরে ফেলেছিল এবং বাকীগুলোকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। যেগুলো আর কখনই ফিরে আসেনি। সেদিন সেই ছোট্ট বুড়ো লোকটিও নির্দিষ্ট সময়ে তার ব্যালকনীতে গিয়ে অবাক হয়েছিল এবং ব্যালকনীর রেলে পিঠ ঠেকিয়ে রাস্তার কোণটি পর্যবেক্ষন করেছিল এবং হতাশভাবে ডানহাত দিয়ে রেলিংয়ে আঘাত করছিল। তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর সে কাগজের টুকরা ছিঁড়ে তার কক্ষে ফিরে গিয়েছিল এবং আবার ফিরে এসেছিল। আবার অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর শব্দ করে জানালা বন্ধ করে কক্ষের ভেতরে চলে গিয়েছিল। এরপর  একই কাজের পুনরাবৃত্তি করেছিল সপ্তাহের অবশিষ্ট দিনগুলোতেও। প্রতিদিন ফিরে যাওয়ার সময়ে তার মুখ দুঃখ ও কান্নায় ভরে থাকত।            

অষ্টম দিনে ত্যারু বৃথাই তার জন্যে অপেক্ষা করেছিল। সেদিন জানালাগুলো খুব শক্তকরে বন্ধ করা ছিল। ত্যারু তার বর্ণনার সামারি লিখেছিল এভাবে, “প্লেগের সময়ে বিড়ালদের উপরে থুথু ফেলা নিষেধ।”

অন্য একটা প্রসঙ্গে ত্যারু লিপিবদ্ধ করেছিল যে, বিকেলে ঘরে ফেরার পর সে প্রায়ই দেখত যে, রাত্রিকালীন প্রহরী  হলের ভেতরে হাঁটছে। সে কখনই সবাইকে মনে করিয়ে দিতে ভুলত না যে সে জানে, যা আগামীতে ঘটতে যাচ্ছে।     

ত্যারু স্বীকার করেছিল যে, “তার ধারণায় একটি দুর্যোগ সমাগত এবং সেটি সম্ভবত হবে ভূমিকম্প। কিন্তু বৃদ্ধ লোকটি তাকে বলেছিল, “ভূমিকম্প হলে তো ভালোই। তুমি মৃত ও জীবিতদের সংখ্যা গুনবে এবং সেটাই হবে তার শেষ। কিন্তু এটা হবে এমন একটা রোগ, যা যাদের হবে না, তারা কখনই বুঝবে না সেটি আসলে কী।”       

হোটেলের ম্যানেজারও একইরকম হতাশ হয়ে গিয়েছিল। আগেরদিনে পর্যটকরা শহর ছেড়ে যেতে না পারলে হোটেলের রুমেই থাকত। কিন্তু এবারে মহামারী চলে যাওয়ার লক্ষণ দেখা না যাওয়াতে তারা এক এক করে তাদের বন্ধুদের সাথে থাকার জন্যে চলে গিয়েছিল। এর ফলে সবগুলো রুমই খালী হয়ে গিয়েছিল। কারণ, শহরে আর কোনো নতুন পর্যটক আসছিল না। হোটেলে থাকা অবশিষ্ট পর্যটকদের মধ্যে সে ছিল অন্যতম। ম্যানেজার তাকে সবসময়ে বলত যে, ত্যারুর অসুবিধা হবে ভেবেই সে হোটেল বন্ধ করেনি। নতুবা সে অনেক আগেই এই হোটেল বন্ধ করে দিত। সে প্রায়ই ত্যারুতে জিজ্ঞেস করত কতদিন এই মহামারী থাকবে বলে সে মনে করে। ত্যারু তাকে বলত, “আমি শুনেছি, ঠান্ডা আবহাওয়ায় এই রোগ টিকে না।“ ম্যানেজারকে দেখতে তখন বিপন্ন মনে হতো। “কিন্তু স্যার, এই অঞ্চলে তো কখনই শীত পড়ে না। যাই হোক, এর অর্থ এই যে, মহামারির যেতে অনেক মাস সময়  লাগবে।”

এছাড়াও ম্যানেজার নিশ্চিত ছিল যে, এই মহামারীর কারণে এই শহরের পর্যটন শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। কিছুদিন অনুপস্থিত থাকার পর মিঃ ওথোন তার হুতুমপেঁচার মতো পরিবার নিয়ে পুনরায় হোটেলে আসলেন। কিন্তু এবারে তার সাথে ছিল শুধুমাত্র তার দুই সন্তান। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেল মিসেস ওথোন কোয়ারেনটাইনে আছেন এবং তার মাকে দেখাশুনা করছেন। যিনি প্লেগে আক্রান্ত হয়েছেন।

“আমার ধারণা, মিসেস ওথোনও প্লেগে আক্রান্ত হয়েছে। আমি নিশ্চিত যে, কোয়ারেনটাইনে থাকুক আর নাই থাকুক, তাকেও সন্দেহজনকদের তালিকায় রাখা হয়েছে। এর মানে হলো যে, এই পরিবারের সবাই সন্দেহের তালিকায় রয়েছে।”

ত্যারু তাকে বলল যে, এই শহরের প্রত্যেকটা মানুষই এখন সন্দেহের তালিকায়। কিন্তু ম্যানেজার তার নিজের ধারণায় অটুট থাকল। 

“না, স্যার। তুমি ও আমি সন্দেহের তালিকায় নেই। কিন্তু আমি নিশ্চিত যে, এই পরিবারের সবাই আছে।”

যাই হোক, মিঃ ওথোন প্লেগের বিষয়গুলোকে তেমন পাত্তা দিতেন না এবং প্লেগের কারণে তিনি নিজের কোনো অভ্যাসকে পরিবর্তন করতে তিনি রাজী ছিলেন না। তিনি পূর্বের মতো ব্যক্তিত্ব সহকারে হোটেলে প্রবেশ করলেন। নিজের সন্তানদের সামনে বসলেন এবং তাদেরকে কিছুক্ষণ পর পর অবিনয়ী মন্তব্যের মধ্যদিয়ে তাদেরকে উপদেশ দিলেন। তার ছোট ছেলেটিকে দেখতে অন্যরকমের লাগছিল। সে তার বোনের মতো কালো জামা পরেছিল। তাকে দেখতে তার পিতার ছোট্ট নমুনা বলে মনে হচ্ছিল। রাতের প্রহরীটি, যে মিঃ ওথোনকে পছন্দ করত না, সে ত্যারুকে বলল,”এই ভদ্রলোক তার পোষাক পরেই মারা যাবেন। তিনি পোশাক পরে তৈরি হয়ে আছেন। সুতরাং তাকে দাফনের জন্যে সাজানোর দরকার হবে না।         

ত্যারুর বর্ণনায় ফাদার পেনেলাক্সের ধর্মাপদেশ সম্পর্কে কয়েকটি মন্তব্য ছিলঃ 

“আমি এই ধরনের উদ্দীপনাগুলো বুঝি এবং এগুলো আমার কাছে মন্দ লাগে না। মহামারীর শুরুর দিকে এবং  যখন  তা শেষ হয়, তখন সব সময়েই এই ধরণের বক্তৃতার প্রবণতা দেখা যায়। প্রথমত মানুষের অভ্যাসগুলো এখনও পরিবর্তন হয়নি। দ্বিতীয়ত, সেগুলো ফিরে আসছে। বিপর্যয় বা দুর্যোগের মধ্যেই মানুষের সত্যের প্রতি বিশ্বাস দৃঢ় হয়। সুতরাং এসো আমরা অপেক্ষা করি।”

দ্য প্লেগ (প্রথম পর্ব)

দ্য প্লেগ (দ্বিতীয় পর্ব)

দ্য প্লেগ (তৃতীয় পর্ব)

দ্য প্লেগ (চতুর্থ পর্ব)

দ্য প্লেগ (পঞ্চম পর্ব)

দ্য প্লেগ (ষষ্ঠ পর্ব)

দ্য প্লেগ (সপ্তম পর্ব)

দ্য প্লেগ (অষ্টম পর্ব)

দ্য প্লেগ (নবম পর্ব)

দ্য প্লেগ (দশম পর্ব)

দ্য প্লেগ (একাদশ পর্ব)

দ্য প্লেগ (দ্বাদশ পর্ব)

দ্য প্লেগ ( ত্রয়োদশ পর্ব)

দ্য প্লেগ ( চতুর্দশ পর্ব)

দ্য প্লেগ (পঞ্চদশ পর্ব)

দ্য প্লেগ (ষোড়শ পর্ব)

দ্য প্লেগ (সপ্তদশ পর্ব)

দ্য প্লেগ (অষ্টদশ পর্ব)

দ্য প্লেগ  (ঊনবিংশ পর্ব)

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ