কালীপ্রসন্ন সিংহ’র মৃতুবার্ষিকী আজ

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৮,   ১৯ সফর ১৪৪৩

কালীপ্রসন্ন সিংহ’র মৃতুবার্ষিকী আজ

শিল্প ও সাহিত্য ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৫৪ ২৪ জুলাই ২০২১  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আজ ২৪ জুলাই, ১৮৭০ সালে ২৯ বছর বয়সে এদিন মারা যান বাঙালি লেখক ও সমাজসেবক কালীপ্রসন্ন সিংহ। এই সংক্ষিপ্ত জীবনে অবিশ্বাস্য বহুমুখী গুণাবলীর একজন মানুষ ছিলেন কালিপ্রসন্ন। খুব অল্প বয়স থেকে তিনি অদ্ভুত স্মরণশক্তির অধিকারি ছিলেন, মাত্র একবার দেখলে কিংবা শুনলেই তিনি তা মনে রাখতে পারতেন।

কালীপ্রসন্ন সিংহের সবথেকে বড় কীর্তি হল তার সম্পাদনায় আঠারো পর্ব মহাভারত গদ্য আকারে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। যা এখনও ব্যাপকভাবে পঠিত এবং প্রকাশিত হয়। পুরো প্রকল্পটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দ্বারা পরিদর্শিত হয়। এই অনুবাদটি ১৮৫৮ থেকে ১৮৬৬ এর ভিতরে প্রকাশিত হয়েছিল।

উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকোরে বিখ্যাত ‘সিংহ’ পরিবারে ১৮৪০ সালে জন্মগ্রহণ করলেও জন্মের তারিখ নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। কারো মতে তার জন্মের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি, কারো মতে আবার ২৩ ফেব্রুয়ারি। জন্মগ্রহণ করেন। কালীপ্রসন্ন সিংহের জন্ম জোড়াসাঁকো, কলকাতায় ১৮৪০ সালে। ধনী জমিদার বংশে নন্দলাল সিংহের একমাত্র সন্তান। ১৮১৭ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হলেও ১৮৫৭ সালে কলেজের পড়াশোনা শেষ করেন। পরে গৃহশিক্ষকের কাছে সংস্কৃত ও বাংলা ভাষা শিক্ষালাভ। উইলিয়াম ক্লার্ক প্যাট্রিকের কাছে ইংরেজি অধ্যয়ন করেন।

কালিপ্রসন্নের মাত্র ছয় বছর বয়সে বাবাকে হারান। এরপর তার অভিভাবকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন নিম্ন আদালতের বিচারক বাবু হরচন্দ্র ঘোষ। 

বাংলাভাষ অনুশীলনের জন্য ১৩ বছর বয়সে ১৮৫৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘বিদ্যোৎসাহিনী সভা’। এর মুখপত্র হিসেবে বিদ্যোৎসাহিনী পত্রিকা ১৮৫৫ সালে প্রকাশ করেন। 

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মৌখিক ভাষার সুষ্ঠু প্রয়োগের প্রথম কৃতিত্ব তারই। তার ব্যবহৃত ভাষা ‘হুতোমী বাংলা’ নামে পরিচিত। অন্যান্য গ্রন্থ : বাবু (প্রহসন ১৮৫৪), বিক্রমোর্বশী (অনুবাদ নাটক, ১৮৫৭), সাবিত্রী সত্যবান (নাটক, ১৮৫৮), মালতীমাধব (অনুবাদ নাটক, ১৮৫৯)। মৃত্যু, কলকাতা, ২৪ জুলাই ১৮৭০।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম