একটা স্কুল মাঠের গল্প

ঢাকা, শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৬ ১৪২৭,   ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

একটা স্কুল মাঠের গল্প

মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৭ ২৫ এপ্রিল ২০২০  

ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় মাঠ

ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় মাঠ

‌‘তোমরা যেখানে সাধ চ'লে যাও — আমি এই বাংলার পারে
র'য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরী ডানা শালিখের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে
ধবল রোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে
নেচে চলে — একবার – দুইবার – তারপর হঠাৎ তাহারে
বনের হিজল গাছ ডাক দিয়ে নিয়ে যায় হৃদয়ের পাশে;’ – জীবনানন্দ দাশ

আমার পিতার সঙ্গে আমার প্রত্যক্ষ স্মৃতির সময়কাল মাত্র এক যুগ। অর্থাৎ জন্মের পর থেকে বারো বছর। এর পর আমি তৎকালীন মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজে (বর্তমান মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ) ভর্তি হই। ১৯৭৭ সনে। অর্ধ যুগ বা ছয় বছরকাল সেখানে কাটানোর পর আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশনড র‍্যাংকে যোগদান করি। ১৯৮৩ সালে। মিলিটারি একাডেমিতে ক্যাডেট হিসেবে দুই বছর প্রশিক্ষণ করি। অতঃপর ১৯৮৫ সন থেকে শুরু করে দুই যুগের অধিক সময়কাল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত থেকে অবসর গ্রহণ করি। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে আমার পারিবারিক জীবন। জন্ম নিয়ে বেড়ে উঠছে আমার সন্তানসন্ততি। অর্থাৎ বারো বছর বয়সের পর থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে আমার কখনোই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসবাস করা হয়নি।

ক্যাডেট কলেজে পড়ার সময়ে প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর আমাদের টার্ম শেষের ছুটি হতো। অর্থাৎ আমি প্রতিবছরের তিন মাস সময়কাল তিন কিস্তিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাস করতাম। কিন্তু এই বাস কখনোই পূর্বের মতো ছিল না। বাড়িতে আমার স্ট্যাটাস ছিল অনেকটা অতিথির মতো। এই সময়ে আমার সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও খাপছাড়া আচরণ করত, তাকে যথার্থ পারিবারিক বন্ধন কখনোই বলা যায় না। আসলে এক ছাঁদের নিচে বড় হয়ে না উঠতে পারাও একটা বিশাল ব্যাপার।

আমার পিতা ছিলেন আমাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রাইমারি স্কুল অতিক্রম করার পর আমি ক্লাস সিক্স ও ক্লাস সেভেনের অর্ধেক সময় এই স্কুলে অধ্যয়ন করেছিলাম। আমার স্মৃতিতে আমি আমার পিতাকে শিক্ষকের ভূমিকাতেই সবচেয়ে বেশি দেখতে পাই। ওই সময়ে ঝাড়কাটা উচ্চবিদ্যালয়টি উক্ত এলাকার ভেতরে খুবই নামকরা একটা স্কুল ছিলো। শুধুমাত্র পড়াশুনার ক্ষেত্রে নয়, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও স্কুলটি ছিল এলাকার মধ্যে সেরা। তিনি ছিলেন খুবই বিনয়ী স্বভাবের। কখনোই কারো সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন না। তবে অদ্ভুত কোনো কারণে স্কুলের ছাত্র-শিক্ষক সবাই তাকে খুবই ভয় ও সমীহ করত।

আমি প্রায়ই দেখতাম তাকে স্কুল মাঠের কোনো প্রান্তে দেখলেই ছাত্ররা তাদের গতিপথ পরিবর্তন করে অন্যপথ ধরত। ভয় নয়, আমার ধারণা তার ব্যক্তিত্বের মুখোমুখি হতে তারা ভয় পেত। কারণ, এই একই ছাত্রদেরকেই আমি দেখেছি জীবনে বিভিন্ন ভালো ভালো স্থানে অধিষ্ঠিত হবার পরেও প্রতিনিয়ত তার সঙ্গে দেখা করতে আসত। এবং প্রতিবারেই তারা তার সঙ্গে নিবিড় আলাপচারিতায় মেতে উঠত।

শুধু ছাত্র নয়, শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য ছিল। ১৯৯২ সালে আমি বাংলাদেশ আর্মি হতে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে কম্বোডিয়ায় গিয়েছিলাম। এজন্যে সোনালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখায় আমার একটা ফরেন এক্সচেঞ্জ একাউন্ট খোলার প্রয়োজন হয়েছিল। কিন্তু ঢাকা সেনানিবাসের সোনালী ব্যাংকে এই সুবিধা না থাকাতে আমি গিয়েছিলাম বায়তুল মোকারমের নিকটবর্তী পুরানো প্লটন সোনালী ব্যাংকে এই একাউন্ট খুলতে। ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক আমার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলার পর আমাকে জানালেন যে, তিনি এক সময়ে ঝাড়কাটা স্কুলের শিক্ষক ছিলেন আমার পিতার অধীনে। সহযোগী শিক্ষক হিসেবে এবং আমাদের বাড়িতেই লজিং থাকতেন। আমাকে দেখেই তিনি প্রবল স্মৃতির ভেতরে ডুবে গেলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং একজন শিক্ষক হিসেবে আমার পিতার ভূয়সী প্রশংসা করলেন।

আমার পিতার স্কুলের সহকারী প্রধানশিক্ষক বা সহকারী শিক্ষক হিসেবে কাজ করা অনেক শিক্ষককেই আমি পরবর্তীতে জানি ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানের বিখ্যাত স্কুল সমূহের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বভার পালন করতে। যেমন সেগুনবাগিচা স্কুলের এক সময়ের প্রধান শিক্ষক ঝাড়কাটা স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন। মুন্সিগঞ্জের এক বিখ্যাত উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্য একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন পিতার স্কুলের একজন সহযোগী শিক্ষক। পরবর্তীতে তিনি জামালপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে অবসর গ্রহণ করেন। তার অন্য এক সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ স্যার চলে গিয়েছিলেন আমাদের পার্শ্ববর্তী থানার মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হয়ে।

তবে আমার পিতা উন্নত জীবন যাপন বা অন্য কোনো মোহে নিজের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে রাজী ছিলেন না কখনোই। ঝাড়কাটা স্কুলই ছিল তার প্রাণ। এই স্কুলের উন্নতিকল্পেই তিনি নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। এবং তিনি সার্থকতাও অর্জন করেছিলেন। স্কুল কর্তৃপক্ষও তার চাকরি বর্ধিত করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে তাকে রেখেছিল দীর্ঘদিন।

আমার জানামতে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি স্কুল বা কলেজের পাঠকালীন সময় ছাড়া নিজের এলাকা হতে বিচ্যুত হননি। সারাজীবন নিজের এলাকায় সাফল্যমণ্ডিত জীবন যাপন করে গেছেন। সবাই তাকে সম্মান করত। তার ধার্মিক ও অনন্য জীবনাচরণের জন্যে। আমরা চার ভাই-বোন। জীবন আমাদেরকে বিচ্যুত করে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গেছে। আমরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গেছি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু আমাদের পিতা নিয়মিত আমাদেরকে দেখতে আসলেও কখনোই নিজের বাসভূম ছেড়ে আমাদের কাছে চলে আসতে রাজী হননি।

অবশ্য নিজের বাড়িতে বা এলাকায় আজীবন থাকার যে বাসনা, তা শেষপর্যন্ত আংশিক পূর্ণ হয়েছিল তার। তার শেষ জীবনে আমরা ভাইবোনেরা যারা দেশের বিভিন্নস্থানে বিচ্যুত হয়ে গিয়েছিলাম, তারা আমাদের জন্মস্থানে ফিরে যেতে সক্ষম হইনি। জীবন আমাদেরকে তা করতে দেয়নি। সুতরাং আমাদের এলাকার পার্শ্ববর্তী সরিষাবাড়ি থানায় যেখানে আমার ছোটবোন একটা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছে, সেখানেই থাকার জন্যেই তিনি মনঃস্থির করেছিলেন। কারণ, এখান থেকেই সংক্ষিপ্ততম সময়ের ভেতরে নিজ বাড়িতে তার প্রত্যাবর্তন সম্ভব। আমার নিজ পরিবার ও ভাই বোনদের জন্যে জন্যও এই জায়গাই শেষ পর্যন্ত গন্তব্য হয়ে উঠেছিল। সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে। ঝাড়কাটার কথা আমরা ক্রমশই ভুলে যাচ্ছিলাম।

আমি নির্দিষ্ট করে বলতে পারব না, আসলে তার বয়স কত হয়েছিল। তবে আমাদের পুরো এলাকাতে এমনকি হয়ত জামালপুর জেলাতেও তার বয়সী কোনো বর্ষীয়ান ব্যক্তি জীবিত হিসেবে অবশিষ্ট ছিলেন না। শেষের দিকে উনার স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছিল কিছুটা। আমাদেরকে ঠিকভাবে সনাক্ত করতে পারতেন না। অথবা পারলেও তা ছিল মূহুর্তিক। কয়েকমাস পূর্বে আমি তাকে বাড়ির কথা জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি কিছুই স্মরণ করতে সমর্থ হননি। তবে তার মুখে উচ্চারিত হয়েছিল ঝাড়কাটা নদীর নাম। আমার ছোটবোনের সঙ্গে তার সবচেয়ে নিবিড় আলাপচারিতা হতো। কারণ তার শেষ দিনগুলো কেটেছিল তারই বাসায়। মাসখানেক পূর্বে যখন আমি তাকে দেখতে গিয়েছিলাম, তখন সে (আমার বোন) আমাকে বলছিল যে, তিনি তার স্কুল সময়ের কিছু স্মৃতি রোমন্থন করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু দুর্বলতার কারণে সমর্থ হননি। আসলে কিছু কিছু স্মৃতি আছে, যেগুলো স্মৃতির ভেতর থেকে কখনোই উবে যায় না।

মাস দেড়েক পূর্বে শেষবার আমি স্বপরিবারে তাকে দেখতে গিয়েছিলাম। স্ত্রী কন্যাদের নিয়ে। তিনি খুবই উল্লসিত হয়েছিলেন। আমার স্ত্রী আর আমার দুই মেয়ের সঙ্গে ভীষণ রকম চেষ্টা করেছিলেন কথা বলার। উদ্বেলিত হয়ে। অনেক কথা। যেগুলো কখনোই বলা হয়নি।

এই দিনের পর থেকে তিনি ধীরে ধীরে সম্বিত হারিয়ে ফেলেন ক্রমশ। আমি গেলে আমাকেও চিনতে পারতেন না। তার শারীরিক চলাফেরা ক্রমশ স্থবির হয়ে যাচ্ছিল। যদিও কঠিন কোনো রোগ ছিল না তার। এমনকি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপও।

১৭ এপ্রিল ২০২০। বিগত দুই তিন সপ্তাহ যাবত আমার তাকে দেখতে যাওয়া হয়নি। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পুরো বাংলাদেশে লকডাউন বা কোয়ারেন্টাইন অবস্থা ঘোষিত হয়েছে। রাত আটটার দিকে আমার ছোটবোন আমাকে রিং করে জানালো যে, তার ভীষণ শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। একজন ডাক্তার এসে দেখে গেছেন। অন্য আরেকজন আসছেন তাকে দেখতে। কিন্তু অবস্থা ভালো না। আমি কিছুটা হতবুদ্ধি হয়ে গেলাম। মাত্র পাঁচ মিনিট পর আমার বড় বোন রিং করলেন। জানালেন যে, আব্বা বেঁচে নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন...)। কৈশোর থেকেই আমি সংসারের বাইরে জীবন-যাপন করেছি। কিন্তু আমার কাছে মনে হলো প্রগাড় ছায়া সরে গেল আমার মাথার উপর থেকে। যেটার উপস্থিতি সম্পর্কে আমি কখনোই সচেতন ছিলাম না।

আমার স্ত্রী খবর শুনে অস্থির। বলল, ‘চলো সবাইকে নিয়ে এখনই চলে যাই।’ কিন্তু আমি জানি করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে সারাদেশে। সেনাবাহিনী ও পুলিশকে পুনরায় নির্দেশ দেয়া হয়েছে কঠোরভাবে লকডাউন ও কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করার। আন্তঃজেলা পরিবহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি প্রাইভেট যানবাহনও। জানাজা নামাজ সবকিছুর জন্যেই জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুতরাং আমি সিদ্ধান্ত নিলাম শুধু নিজে যাওয়ার। নিজের গাড়ি নিয়ে। আমার স্ত্রীর মন ভীষণ খারাপ; শেষবারের মত তাকে দেখতে যেতে না পারার জন্যে। আমার দুই মেয়েই ভীষণ শঙ্কিত এমন পরিস্থিতিতে আমাকে যেতে হচ্ছে বলে। দাদুর জন্যে তাদের মনও কাঁদছে ভীষণরকম।

আমার ছোটবোন এবং তার স্বামী রাতের বেলাতেই রওয়ানা দিল বাড়ির উদ্দেশ্যে। সকালের মধ্যেই তাকে স্নান করানোসহ সৎকারের ব্যবস্থা করতে হবে।

আমি যাত্রা শুরু করলাম রাত সাড়ে চারটার দিকে। যদিও রাস্তায় কোনো যানজট নেই, তবু দূরত্বের কারণেই আমার পৌঁছুতে সকাল সাড়ে আটটা বেজে যাবে। পৌঁছলাম যথাসময়ে। ঝাড়কাটা স্কুলের মাঠে তার জানাজা হবে। স্কুল মাঠে পৌঁছানোর পর দেখলাম অনেক মানুষ এসেছে তাকে শেষ দেখা দেখতে।

একটা অদ্ভুত দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে সেখানে। প্রায় সহস্র মানুষ স্কুল অ্যাসেম্বলির মতো কর দাঁড়িয়ে আছে। যথাযথ সামাজিক দূরত্ত্ব মেনে। আত্নীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, স্কুলের শিক্ষক, ছাত্র; সবাই। আসলে এরা সবাই কোনো না কোনোভাবে তার ছাত্র। অধীর অপেক্ষায় সবাই দাঁড়িয়ে। তার কথা শোনার জন্যে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, যিনি তার প্রত্যক্ষ ছাত্র এবং আমার চাচাত ভাই যে, পার্শ্ববর্তী গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানাযার অনুষ্ঠানের সমন্বয় করছেন। পার্থক্য একটাই। স্কুল অ্যাসেম্বলির সময়ে পুরো প্যারেডের মুখ থাকত উত্তর দিকে। স্কুলঘরের দিকে। এবারে মুখ পশ্চিম দিকে। স্কুল মসজিদের পূর্বপাশে। তিনি শুয়ে আছেন উত্তর দক্ষিণে। শুভ্র কাফন পরে। এবারে কথা বলবে অন্য সবাই। তিনি নন।

আমি মাঠের কোণা থেকে তাকালাম। পুরো স্কুলের মাঠকে মনে হচ্ছে খুবই ছোট। অথচ শৈশবে দৌড়ে এই মাঠ পেরোতেই আমি ক্লান্ত হয়ে যেতাম। এবং মাঠের মানুষগুলোকে লাগছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকৃতির। অনেক যুগ পর তারা যেন সবাই স্কুল জীবনে ফিরে গেছে। নতুন ধরণের একটা অ্যাসেম্বলি হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর