Exim Bank Ltd.
ঢাকা, সোমবার ২২ অক্টোবর, ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫

ম্যাকগ্রা ও অ্যান্ডারসন

দুই কিংবদন্তির মিল-অমিল

সঞ্জয় বসাক পার্থডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
দুই কিংবদন্তির মিল-অমিল
ম্যাকগ্রা ও অ্যান্ডারসন

রেকর্ডটা আর গ্লেন ম্যাকগ্রার থাকছে না, এটি নিয়ে সন্দেহের কোন সুযোগও ছিল না। অপেক্ষা ছিল কেবল সেই মাহেন্দ্রক্ষণের, কখন তাঁকে ছাড়িয়ে যাবেন জেমস অ্যান্ডারসন। অপেক্ষা ঘুচল ওভাল টেস্টের একদম শেষ বলে, মোহাম্মদ শামিকে বোল্ড করে বহু প্রত্যাশিত সেই চূড়ায় উঠে গেছেন অ্যান্ডারসন।

বাণিজ্যের রমরমা এই যুগে ক্রিকেট এখন অনেকটাই ব্যাটসম্যানদের রাজত্বে পরিণত হয়েছে। ব্যাটসম্যানদের নিয়েই যত মাতামাতি, স্বাভাবিকভাবেই তাদের রেকর্ড নিয়েও মাতামাতি বেশি। কিন্তু ক্রিকেটটা বোঝেন এমন যেকোনো ব্যক্তিই বুঝবেন, অ্যান্ডারসনের এই রেকর্ডের মহিমা কতটা বেশি। একজন বোলার, বিশেষ করে একজন পেসারের জন্য এই অর্জনের মাহাত্ম্য কোন পর্যায়ের, সেটি বোধহয় আরেকজন পেসারই সবচেয়ে ভালো বুঝবেন।

এখনো পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটের স্বাদ নেয়ার সুযোগ হয়েছে ২৯৩২ জন খেলোয়াড়ের, তাদের মধ্যে অন্তত একবার হলেও বল করেছেন ২১৬৫ জন। তাদের মধ্যে মাত্র চারজন ৫৬৪ তম টেস্ট উইকেটের দেখা পেয়েছেন, যার মধ্যে আবার তিনজনই স্পিনার। ১৪১ বছরের টেস্ট ইতিহাসের একমাত্র পেসার হিসেবে এই উচ্চতায় ওঠার পর স্বাভাবিকভাবেই তাই প্রশংসার স্তুতিতে ভেসে যাচ্ছেন ইংলিশ এই পেসার। এত দীর্ঘ সময় ধরে ক্যারিয়ার ধরে রাখা, ফিট থেকে নিজের দক্ষতা বজায় রেখে একের পর এক উইকেট পেয়ে যাওয়া- এগুলোর কোনটিই যে মুখের কথা নয়। যাকে ছাড়িয়ে নতুন এই উচ্চতায় উঠেছেন, সেই গ্লেন ম্যাকগ্রাকে খেলাটির ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা পেসার মানা হয়। একই তকমা এখন অনেকে লাগাতে চাচ্ছেন অ্যান্ডারসনের গায়েও। না লাগিয়েই বা উপায় কী, রেকর্ডই যে কথা বলছে অ্যান্ডারসনের হয়ে।

বোলার হিসেবে দুজনের ধরন একেবারেই আলাদা। ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার ম্যাকগ্রার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল একটানা গুড লেন্থে বল ফেলে ব্যাটসম্যানকে শিকার করা, উচ্চতার কারণে আচমকা বাউন্সটাও পেতেন বেশ। আর অ্যান্ডারসনের মূল শক্তিমত্তার জায়গা ছিল সুইং। শুরুতে কেবল উইকেটের সহায়তায় সুইং পেলেও ক্যারিয়ার যত বর্ধিত হয়েছে, নিজের অস্ত্রে শাণ দিয়েছেন ততই। এখন আর শুধুই উইকেটের সহায়তায় নয়, নিজের দক্ষতাতেই সুইং দিয়ে নাভিশ্বাস তুলে ছাড়েন ব্যাটসম্যানদের। সদ্য সমাপ্ত সিরিজেও অ্যান্ডারসনের সুইং বল নাচিয়ে ছেড়েছে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। কিন্তু দুজনের সবচেয়ে বড় মিলটা ওই এক জায়গায়, উইকেট তুলে নেয়া। টেস্ট ক্রিকেটে ম্যাকগ্রার যাত্রা শুরু ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে। তবে ক্যারিয়ারের প্রথম বড় ব্রেক থ্রু তিনি পান ১৯৯৫ সালে ক্যারিবিয়ান সফরে গিয়ে। সিরিজের আগে ক্রেগ ম্যাকডারমটের ইনজুরির সুবাদে দলে ডাক পান ম্যাকগ্রা, সুযোগ পুরোপুরিভাবে কাজেও লাগিয়েছিলেন। পুরো সফরে ২৪টি প্রথম শ্রেণির উইকেট পেয়েছিলেন, তার মধ্যে চার টেস্টেই ছিল ১৭টি। রে লিন্ডওয়াল, গ্রাহাম ম্যাকেঞ্জি, ডেনিল লিলি, ক্রেগ ম্যাকডারমটদের হাত ঘুরে সেই যে ব্যাটনটা ম্যাকগ্রার হাতে এসে পড়ল, পরের এক যুগ সেটিকে নিষ্ঠার সাথেই আগলে রেখেছেন তিনি।

লর্ডসে অভিষেকে পাঁচ উইকেট পেয়ে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে যাত্রা শুরু অ্যান্ডারসনের, কিন্তু শুরুর দিকে দলে থিতু হতে পারেননি খুব একটা, আসা যাওয়ার মাঝেই পার করতে হয়েছে বেশিরভাগ সময়। স্টিভ হারমিসন, ম্যাথিউ হোগার্ড ও সাইমন জোন্সদের ভিড়ে নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগটাই ঠিকমতো পাচ্ছিলেন না। অ্যান্ডারসনের ক্যারিয়ারের প্রথম বড় ব্রেক থ্রু বলা চলে ২০০৮ এ ট্রেন্টব্রিজে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৩ রানে ৭ উইকেট পাওয়াকে। ওই বছরই দেশের মাটিতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হলেন, এরপর থেকে আর কখনোই পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। টেস্ট খেলতে চান বলে ২০১৫ বিশ্বকাপের পরে রঙিন পোশাকের ক্রিকেট ছেড়ে দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন। সেটার ফলও পেয়েছেন। বিশ্বকাপের আগে শেষ সিরিজ শেষে টেস্টে অ্যান্ডারসনের বোলিং গড় ছিল ৩০ এর একটু নিচে। আর বিশ্বকাপের পরে যে ৪৪ টেস্ট খেলেছেন, তাতে উইকেট পেয়েছেন ১৮৪ টি, গড়? ২০.৮৯! ক্যারিয়ার এভারেজটাও নেমে এসেছে ২৬.৮৪ তে। গত বিশ্বকাপের পর থেকে সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া বোলারদের তালিকায় অ্যান্ডারসন দ্বিতীয়, কেবল ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিনই এই সময়ে তাঁর চেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন (২০৮ টি)।

ক্রিকেটে ত্রিশ বছর বয়সটা আহামরি বেশি না হলেও পেসারদের জন্য একেবারে কমও নয়। ত্রিশের পর ফিটনেস ধরে রাখতে বেগ পেতে হয় অনেককেই, বলের ধারও ফুরিয়ে আসে অনেকের। অথচ অ্যান্ডারসনকে দেখুন, ত্রিশে পা দেয়ার পর যেন আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠেছেন তিনি! ৩০তম জন্মদিনের পরে মোট ৭২টি টেস্ট খেলে শিকার ২৯৬ উইকেট! অনেকের গোটা ক্যারিয়ারেই যেখানে এতগুলো উইকেট থাকে না, সেখানে তিনি কেবল ত্রিশের পরেই পেয়েছেন এত উইকেট। ত্রিশ পেরোনোর পর পেসারদের মধ্যে কেবল কোর্টনি ওয়ালশই অ্যান্ডারসনের চেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন (৩৪১টি)। যেভাবে এগোচ্ছেন অ্যান্ডারসন, তাতে ওয়ালশের এই রেকর্ডও খুব একটা নিরাপদ মনে হচ্ছে না।

অ্যান্ডারসনের মতো ম্যাকগ্রার ক্যারিয়ারেও এমন স্বর্ণালী সময় এসেছে। ১৯৯৫ এর সেই ক্যারিবিয়ান সফর থেকে শুরু করে ২০০২ এর হোম সামার পর্যন্ত যেন ক্যারিয়ারের মধ্যগগণে ছিলেন ম্যাকগ্রা। এই সাত বছরে মাত্র ২০.৪০ গড়ে ৩৯৭ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি! বিশ্বের আর কোন বোলার এই সময়ে ম্যাকগ্রার চেয়ে বেশি উইকেট পাননি। সবচেয়ে কাছাকাছি এসেছিলেন শন পোলক, সেটিও ২৭৩ উইকেট নিয়ে।

অ্যাশেজে কে কেমন: ইংল্যান্ড কিংবা অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের সামগ্রিক পারফরম্যান্স বিচারের একটি বড় মানদণ্ড হলো অ্যাশেজের পারফরম্যান্স। মর্যাদার এই লড়াইয়ের পারফরম্যান্স দিয়ে কেউ যেমন অনায়াসে হিরো হয়ে যেতে পারেন, আবার কেউ হতে পারেন নিন্দিত। অ্যান্ড্র ফ্লিনটফের কথাই ধরুন না, এক ২০০৫ অ্যাশেজ দিয়েই তিনি আজীবন ইংলিশ সমর্থকদের মনে জায়গা নিয়ে থাকবেন। বিবেচনায় যদি থাকে শুধু অ্যাশেজ, তাহলে সেখানে পরিষ্কারভাবে ম্যাকগ্রার চেয়ে পিছিয়ে থাকবেন অ্যান্ডারসন। শুধু অ্যান্ডারসন কেন, দুই দলের কোন পেসারই এখানে ম্যাকগ্রার সাথে পাল্লা লড়তে পারেননি। পেসারদের মধ্যে অ্যাশেজের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি যে এই অজি কিংবদন্তিই।

অ্যাশেজে মোট ৩০ টেস্ট খেলেছেন, তাতেই মাত্র ২০.৯ গড়ে ১৫৭ উইকেট তুলে নিয়েছেন। ১৯৯৪/৯৫ তে প্রথম অ্যাশেজের স্বাদ পাওয়া ম্যাকগ্রা কোন অ্যাশেজ সিরিজেই ১৯টির নিচে উইকেট পাননি, গড়কেও কখনো ২৪ এর সীমানা ছাড়াতে দেননি। যদিও ইংলিশ পেসারদের মধ্যে অ্যান্ডারসনও আছেন সবার উপরে, কিন্তু অ্যাশেজে ম্যাকগ্রার কাছে অ্যান্ডারসন বেশ বিবর্ণই। সাতবার অ্যাশেজ খেলে ৩১ টেস্টে ৩৪.৫৫ গড়ে ১০৪ উইকেট পেয়েছেন তিনি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে মাত্র একবার ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরষ্কার জিতেছেন ইংলিশ পেসার, যেখানে ম্যাকগ্রা জিতেছিলেন চারবার।

বিদেশে কার পারফরম্যান্স কেমন: উপমহাদেশের খেলোয়াড়দের সামগ্রিক পারফরম্যান্স বিবেচনা করতে গেলে যেরকম ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ায় পারফরম্যান্স আলাদা গুরুত্ব পায়, তেমনি ওই কন্ডিশনের খেলোয়াড়দের মাপতে গেলেও উপমহাদেশের পারফরম্যান্স বিশেষ গুরুত্ব পায়। আর এখানটায় অ্যান্ডারসনের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে আছেন ম্যাকগ্রা। খুব কম বোলারই আছেন দেশের চেয়ে বিদেশের মাটিতে যাদের গড় কম থাকে। ম্যাকগ্রা সেই বিরল প্রজাতির বোলারদেরই একজন। দেশে তাঁর গড় যেখানে ২২.৪৩, বিদেশে সেটি ২০.৮১! উপমহাদেশের মাটিতে পেসার হিসেবে তাঁর গড় রীতিমত ঈর্ষণীয়, প্রতিটি উইকেট পেতে খরচ করেছেন মাত্র ২৩.০২ রান। বিদেশে অ্যান্ডারসনের পারফরম্যান্স সেখানে অতটা ভালো নয়। দেশে তাঁর গড় যেখানে ২৩.৭৬, বিদেশে সেটি এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৩২.৬৩ তে। এশিয়ান কন্ডিশনে পর্যাপ্ত উইকেট না পাওয়াকে অনেকেই তাঁর সবচেয়ে বড় দুর্বলতাগুলোর একটি বলে মনে করে থাকেন। এশিয়ার মাটিতে সর্বশেষ ১২ টেস্টে মাত্র ৩৮ উইকেট পেয়েছেন তিনি। ম্যাকগ্রা যেখানে এশিয়ায় ১৯ টেস্ট খেলে উইকেট পেয়েছেন ৭২ টি, অ্যান্ডারসন সেখানে পেয়েছেন ২০ টেস্টে ৫৯ টি।

কার প্রিয় প্রতিপক্ষ কে: উইকেট সংখ্যার দিক থেকে ম্যাকগ্রার প্রিয় প্রতিপক্ষ বলতে হবে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। এই দুইটি দলের বিপক্ষেই একশর বেশি উইকেট পেয়েছেন তিনি। ম্যাকগ্রার প্রিয় ‘বানি’দের (কোন নির্দিষ্ট ব্যাটসম্যানকে যখন একজন বোলার একাধিকবার আউট করেন, তখন ওই ব্যাটসম্যানকে ওই বোলারের বানি বলা হয়) বেশিরভাগই তাই এসেছে এই দুই দল থেকে। মাইকেল অ্যাথারটনকে সর্বোচ্চ ১৯ বার আউট করেছেন তিনি। এছাড়া ব্রায়ান লারাকে ১৫ বার, জিমি অ্যাডামসকে ১২ বার, শেরউইন ক্যাম্পবেলকে ১১ বার ও অ্যালেক স্টুয়ার্টকে ১০ বার আউট করেছেন তিনি।

ম্যাকগ্রা যেমন লারাকে ‘বানি’ বানিয়েছিলেন, অ্যান্ডারসন তেমনি বানিয়েছিলেন টেন্ডুলকারকে। টেস্টে মোট ৯ বার শচিনকে আউট করেছেন জিমি, আর কোন বোলার তাঁকে এতবার আউট করতে পারেননি। এ ছাড়া আধুনিক ক্রিকেটের আরও দুই গ্রেট জ্যাক ক্যালিস ও কুমার সাঙ্গাকারা দুজনকেই সাতবার করে আউট করেছেন তিনি। গ্রায়েম স্মিথকে আউট করেছেন ছয়বার, রাহুল দ্রাবিড়কে পাঁচবার। বর্তমান সময়ের সেরা চার ব্যাটসম্যানের দিকে যদি তাকানো যায়, সেখানে স্টিভ স্মিথ ও কেন উইলিয়ামসন দুজনকেই ছয়বার করে আউট করেছেন তিনি। আর বিরাট কোহলিকে আউট করেছেন পাঁচবার, যার মধ্যে চারবারই ২০১৪ সিরিজে।

দুজনের মধ্যকার কিছু মিল: দুজনই নিজ নিজ দলের প্রধান স্ট্রাইক বোলার ছিলেন, ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময়টায় তাই নতুন বলটার উপর অধিকার ছিল তাদেরই। অধিকার যেমন পেয়েছেন, সেটি কাজেও লাগিয়েছেন দুজনে। ক্যারিয়ারে মোট ১৫৫ বার ওপেনারদের উইকেট নিয়েছেন ম্যাকগ্রা, অ্যান্ডারসন নিয়েছেন ১৫৩ বার। ১৭২ বার বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ম্যাকগ্রা, অ্যান্ডারসনের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ১৭৮ এ। ৫৬৪ উইকেটের মধ্যে ৩৬৮ টিই অ্যান্ডারসন পেয়েছেন ব্যাটসম্যানকে ক্যাচ দিতে বাধ্য করে, এর মধ্যে ১৫৪ বারই বল জমা পড়েছে উইকেটকিপারের গ্লাভসে। ম্যাকগ্রার ৫৬৩ উইকেটের মধ্যে ৩৭৩ উইকেট ছিল ক্যাচ, তার মধ্যে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ ছিল ১৫২ টি।

একসময় ম্যাকগ্রার রেকর্ডকে অলঙ্ঘনীয় মনে করা হতো, অ্যান্ডারসন এসে সেই রেকর্ড ভেঙেছেন। কিন্তু ম্যাকগ্রা নিজেই কিছুদিন আগে বলেছেন, অ্যান্ডারসনের রেকর্ডকে তাঁর কাছে অমর বলেই মনে হচ্ছে, ‘একবার জিমি আমাকে ছাড়িয়ে গেলে ও কোথায় গিয়ে শেষ করে সেটি দেখাই হবে সবচেয়ে আকর্ষণীয়। খেলাটি এখন যে পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে, যে পরিমাণ টি-২০ এখন খেলা হয়, আমি মনে করি না কোন পেসার ওকে কোনদিন টপকে যেতে পারবে।’

কিংবদন্তিরা তো এমনই হয়, রেকর্ড ভেঙে গেলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধাটা অটুট থাকে সবসময়!

ডেইলি বাংলাদেশ/এসজেড

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
আজো হিমঘরে সন্তানের প্রতীক্ষায় ‘বাবা’!
আজো হিমঘরে সন্তানের প্রতীক্ষায় ‘বাবা’!
আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন
আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন
দুই স্বামীকে ‘ছেড়ে’ মন্ট্রিলে দেখা মিলল তিন্নির!
দুই স্বামীকে ‘ছেড়ে’ মন্ট্রিলে দেখা মিলল তিন্নির!
না ফেরার দেশে সালমানের ‘শেষ প্রেমিকা’
না ফেরার দেশে সালমানের ‘শেষ প্রেমিকা’
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি
যেভাবে প্রথম বুবলীর ‘ভাই’
যেভাবে প্রথম বুবলীর ‘ভাই’
স্ত্রী ফিরে দেখে বাসায় অন্য নারী!
স্ত্রী ফিরে দেখে বাসায় অন্য নারী!
‘ওয়েব সিরিজে ভরপুর নগ্নতা’ দেখার কেউ নেই!
‘ওয়েব সিরিজে ভরপুর নগ্নতা’ দেখার কেউ নেই!
দাম শুনলে চমকে যাবেন যে কেউই!
দাম শুনলে চমকে যাবেন যে কেউই!
মৃত্যুর আগে কোথায় ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু?
মৃত্যুর আগে কোথায় ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু?
অনেকেই সাবান জমান কেউ গোসলই করেন না!
অনেকেই সাবান জমান কেউ গোসলই করেন না!
এক উঠোনে মসজিদ-মন্দির, প্রার্থনায় নেই বিবাদ
এক উঠোনে মসজিদ-মন্দির, প্রার্থনায় নেই বিবাদ
দুলাভাইয়ের কাছে শ্যালিকার আবদার!
দুলাভাইয়ের কাছে শ্যালিকার আবদার!
বন্ধুর ‘অকাল প্রয়াণে’ যা বললেন হাসান
বন্ধুর ‘অকাল প্রয়াণে’ যা বললেন হাসান
এবার মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক কথা বললেন ঐশ্বরিয়া!
এবার মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক কথা বললেন ঐশ্বরিয়া!
‘বেঁচে আছেন বাচ্চু?’ এ কী শোনালেন!
‘বেঁচে আছেন বাচ্চু?’ এ কী শোনালেন!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাচ্চুর ৬০টি গিটার!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাচ্চুর ৬০টি গিটার!
১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অনন্ত
১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অনন্ত
মিলনেই মৃত্যু, কারা ছিলো সেই ‘বিষকন্যা’?
মিলনেই মৃত্যু, কারা ছিলো সেই ‘বিষকন্যা’?
কাদের ওপর চটেছেন জেমস?
কাদের ওপর চটেছেন জেমস?
শিরোনাম:
বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে হারাল টাইগাররা ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে হারাল টাইগাররা