Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শনিবার ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫

ফলনে খুশি, দামে হতাশ

নড়াইল প্রতিনিধিডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ফলনে খুশি, দামে হতাশ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নড়াইলে বাণিজ্যিকভাবে সুপারির চাষে বাগান থেকে সুপারি সংগ্রহ করে হাটে নিয়ে বিক্রয় করতে ব্যস্থ সময় পার করছেন চাষিরা। এ বছর সুপারির ভাল ফলন হলেও নায্য দাম পাচ্ছেন না বলে চাষিদের অভিযোগ।

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সুপারি যাচ্ছে নোয়াখালি, লক্ষিপুর, সিলেট, চট্ট্রগ্রাম, ঢাকাসহ দেশের অন্তত ২০টি জেলায়। সুপারির দাম কম হওয়ায় এবছরে চাষিদের মনে কোনো আনন্দ নেই। তাদের অভিযোগ ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে তাদের নায্য দাম থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করছেন। মূলধন খাটিয়ে সারা মৌশুমে কষ্ট করে সুপারির চাষ করলেও এবছর সুপারির দাম অনেক কম। এতে তাদের খরচও উঠবে না।

অ্যাড়েন্দা বাজারের ব্যাবসায়ী নয়ন শেখ বলেন, গত বছরের তুলনায় এবছর সুপারির দাম কিছুটা কম। তবে কিছুদিন পর দাম একটু বাড়তে পারে। স্থানীয় ভাবে ২০০টি সুপারিতে এক কুড়ি হয়। বর্তমান বাজারে প্রতি কুড়ি সুপারি ১৭০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে।

চাষিরা জানান, অন্যান্য ফসলের তুলনায় সুপারি চাষে তুলনা মুলক খরচ অনেক কম। চারা লাগানোর প্রথম ২-৩ বছর একটু কষ্ট করতে হয়। ৫-৬ বছর পর গাছে ফল আসে। একবার ফল আসলে একাধারে অন্তত ৪০ বছর ফল পাওয়া যায়। তবে এ বছর বাজারে সুপারির কাংক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ।

লোহাগড়া উপজেলার অ্যাড়েন্দা গ্রামের সুপারি চাষি মিলন শেখ জানায়, সুপারির ফলন মোটামুটি ভাল হয়েছে। তবে বাজারে সুপারির দাম অনেক কম। তার অভিযোগ বাজারের ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকের করে সুপারির দাম কমাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে চাষিরা এই চাষ থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক চিন্ময় রায় জানান, এখানকার মাটি সুপারি চাষের জন্য খুব উপযোগী। এবছর ৭৫০ হেক্টর জমিতে এ চাষ করা হয়েছে। এক হেক্টোর জমিতে ভাল ফলন হলে ২.৬৮ মে.ট. সুপারি উৎপাদন হয়। একটি গাছ থেকে অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ বছর একভাবে ফল পাওয়া যায়। আমরা তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিচ্ছি। দিনে দিনে এ চাষের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসকে/আরআর

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
পোশাক শ্রমিকদের ৬ গ্রেডের বেতন বাড়ল
পোশাক শ্রমিকদের ৬ গ্রেডের বেতন বাড়ল
বাংলাদেশের মাঝে এক টুকরো ‌'কাশ্মীর'!
বাংলাদেশের মাঝে এক টুকরো ‌'কাশ্মীর'!
এমপি হচ্ছেন মৌসুমী!
এমপি হচ্ছেন মৌসুমী!
মদের চেয়ে দুধ ক্ষতিকর: মার্কিন পুষ্টিবিদ
মদের চেয়ে দুধ ক্ষতিকর: মার্কিন পুষ্টিবিদ
এই রিকশাচালক ৩৪টি কোম্পানির প্রধান!
এই রিকশাচালক ৩৪টি কোম্পানির প্রধান!
এশিয়ার সেরা ৭ বিশ্ববিদ্যালয়, নেই ঢাবি
এশিয়ার সেরা ৭ বিশ্ববিদ্যালয়, নেই ঢাবি
পাসওয়ার্ড না দেয়ায় স্বামীকে পুড়িয়ে মারল স্ত্রী
পাসওয়ার্ড না দেয়ায় স্বামীকে পুড়িয়ে মারল স্ত্রী
স্ত্রীর ‘বিশেষ’ আবেদনে মলম মাখিয়ে বিপাকে স্বামী!
স্ত্রীর ‘বিশেষ’ আবেদনে মলম মাখিয়ে বিপাকে স্বামী!
ফুলশয্যার রাতে স্ত্রীর কাছে কী চায় স্বামী
ফুলশয্যার রাতে স্ত্রীর কাছে কী চায় স্বামী
শুধুই নারীসঙ্গ পেতে পর্যটকরা যেসব দেশে ভ্রমণ করেন
শুধুই নারীসঙ্গ পেতে পর্যটকরা যেসব দেশে ভ্রমণ করেন
ওটিতে রোগীর সামনেই অন্তরঙ্গে নার্স-চিকিৎসক, ভিডিও ভাইরাল
ওটিতে রোগীর সামনেই অন্তরঙ্গে নার্স-চিকিৎসক, ভিডিও ভাইরাল
শাহনাজের স্কুটি উদ্ধার, হিরো পুলিশ
শাহনাজের স্কুটি উদ্ধার, হিরো পুলিশ
বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন সালমা
বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন সালমা
গণিতে ভীত ছাত্রী এখন নাসার ইঞ্জিনিয়ার
গণিতে ভীত ছাত্রী এখন নাসার ইঞ্জিনিয়ার
মিলিয়ে দেখুন, ১৮৯৫ ও ২০১৯ এর ক্যালেন্ডার হুবহু
মিলিয়ে দেখুন, ১৮৯৫ ও ২০১৯ এর ক্যালেন্ডার হুবহু
ষাট বছরের বরের সঙ্গে ১৫ বছরের কনে!
ষাট বছরের বরের সঙ্গে ১৫ বছরের কনে!
স্থগিত শনিবারের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন
স্থগিত শনিবারের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন
ইসলাম ধর্মে গোসলের প্রকারভেদ
ইসলাম ধর্মে গোসলের প্রকারভেদ
১৯ জানুয়ারি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন
১৯ জানুয়ারি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন
মাঝরাতে সালমানের বাড়ির গেট ভাঙচুর করলেন ‘জাস্টফ্রেন্ড’ জেসিয়া! (ভিডিও)
মাঝরাতে সালমানের বাড়ির গেট ভাঙচুর করলেন ‘জাস্টফ্রেন্ড’ জেসিয়া! (ভিডিও)
শিরোনাম :
বুকের তাজা রক্ত দিয়ে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করব, বিজয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বুকের তাজা রক্ত দিয়ে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করব, বিজয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বিপিএল: টস জিতে চট্টগ্রাম ভাইকিংসকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো খুলনা টাইটানস বিপিএল: টস জিতে চট্টগ্রাম ভাইকিংসকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো খুলনা টাইটানস