Exim Bank Ltd.
ঢাকা, সোমবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

মহররম ও আশুরা: করণীয় ও বর্জনীয়

মাওলানা ওমর ফারুকডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
মহররম ও আশুরা: করণীয় ও বর্জনীয়
ফাইল ছবি

মহররম ও আশুরার মধ্যে মহররম হচ্ছে সম্মানিত মাস, আর আশুরা ফজিলতপূর্ণ দিন।

পবিত্র কোরআন ও হাদীস শরীফে এ মাস সম্পর্কে যা এসেছে তা হলো, এটা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ সময়। যুদ্ধ হাঙ্গামা ও ফেতনা-ফাসাদ থেকে বিরত থাকার সময়। ফলে এ মাসের যথাযথ মর্যাদা রক্ষায় কিছু করণীয় ও বর্জনীয় কাজ রয়েছে। করণীয়গুলো পবিত্র কোরআন ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত আর বর্জনীয়গুলোতে সময়ের সঙ্গে মানুষ জড়িয়ে গেছে। যা বর্জন করা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতপন্থীদের জন্য আবশ্যক।

আশুরা কেন তাৎপর্যময়?

দশ মহররম অর্থাৎ আশুরা তাৎপর্যময় হওয়ার ঐতিহাসিক দুইটি কারণ রয়েছে।

(১) এ দিনে ফেরাউনের ডুবে মরা ও মুসা (আ.) এর ফেরাউন বাহিনী থেকে মুক্তি। যখন মিশরের বাদশাহ ফেরাউন নিজেকে খোদা দাবি এবং মিশরের নিরহ মানুষের ওপর জুলুম করতে লাগলো, তখন মহান আল্লাহ তায়ালা হজরত মুসা (আ:)-কে পাঠালেন ফেরাউনকে ভয় ও সতর্ক করার জন্য এবং বনী ইসরায়েলদেরকে তার কবল থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য।

হজরত মুসা (আ:) এবং তার ভাই হজরত হারুন (আ:) ফেরাউনকে সঠিক পথে আনার জন্য অনেক দাওয়াত দিয়েছিলে। এমনকি তাকে অনেক ধরণের মোজেজা দেখিয়েছেন। তবুও ফেরাউন নিজের খোদায়ী দাবি থেকে ফিরে আসেন নাই। উল্টো নবী হজরত মুসা (আ:) এর ওপর জুলুম নির্যাতন শুরু করে। তখন হজরত মুসা (আ:) বনী ইসরায়েলদের নিয়ে নীল নদ পার হয়ে গেলেন। আর ফেরাউন তার সৈন্য নিয়ে নবী হজরত মুসা (আ:) এর পিছে ধাওয়া করলে নীলনদে ডুবে মারা যায়।

ফেরাউনের লাশ এখনো মিশরে হেফাজতে আছে, যাতে পরবর্তী মানুষ তার থেকে শিক্ষা গ্রহন করে। যেই দিন হজরত মুসা (আ:) ও বনী ইসরাইল নীল নদ পার হয়ে নাজাত পেয়ে যান এবং নিজ খোদা দাবিদার ফেরাউন তার সৈন্য নিয়ে দরীয়ায় ডুবে মারা যায় সেদিন এই দশে মহররমই ছিলো।

তারপর আমাদে নবী (সা.) এর সময়েও এটির তাৎপর্য ফুটে উঠে। যখন তিনি মদিনায় হিজরত করেন, তখন দেখেন মদিনার ইহুদিরা রোজা রাখে। রোজার কারণ জিজ্ঞাসা করলে, তারা উত্তর বলে এই দিনে আল্লাহ তায়ালা হজরত মুসা (আ:)-কে ফেরাউনের ওপর বিজয়ী দান করেছেন। তাই আমরা শুকরিয়া স্বরূপ রোজা রাখি। তখন রাসুল (সা:) বললেন, তোমাদের থেকে আমরা হজরত মুসা (আ:) এর বেশি হকদার।

এরপর থেকে রাসূল (সা:) মুসলমানদের আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দেন এবং মুসলমানেরা আশুরার রোজা রাখেন। যেমনিভাবে ইহুদীদের মধ্যে আশুরার রোজা রাখার নিয়ম ছিলো, তেমনি জাহিলি যুগে কুরাইশরা রোজা রাখতো, কিন্তু কুরাইশদের রোজার রাখার কারণ ছিলো, ওই দিনে কাবার ওপর গিলাফ চড়ানো হয়।

(২) কারবালার ময়দানে ইয়াজিদ বাহিনী কর্তৃক নবী দৌহিত্র হজরত হুসাইন (রা.) এর শাহাদাত বরণ। এই মহররমের দশ তারিখে হজরত ইমাম হুসাইন (রা:) কারবালার ময়দানে হকের পতাকা উত্তোলন করতে গিয়ে শাহাদাত বরণ করেন। আশুরার করণীয়:

আশুরা উপলক্ষ্যে প্রথম করণীয় হচ্ছে, এ দিনটির সঙ্গে আগে পরে মিলিয়ে দুইটি বা তিনটি রোজা রাখা। শুধু আশুরার দিন রোজা রাখলেও কোনো সমস্যা নেই। তবে উত্তম হচ্ছে আগে পরে মিলানো। এ দিনে রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

দশম তারিখে রোজা রমজান কেন্দ্রিক রোজার বিধান আসার পূর্বে এ দিনেই রোজা রাখতেন রাসূল (সা.)। সাহাবাদের বলতেন এ দিনে রোজা রাখতে। এক প্রকার আবশ্যিকরূপেই রাসূল (সা.) পালন করতেন রোজাটি। রমাজান কেন্দ্রিক রোজার বিধান অবতীর্ণের পর এ রোজায় নফল-শৈথিল্য এসেছে। তবু ফজিলত কমেনি কোনো অংশেই।

এই একটিমাত্র রোজা বিগত একটি বছরের পাপ মোচনে সাহায্য করে। রাসূল (সা.) বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে, আশুরার রোজার কারণে আল্লাহ তায়ালা অতীতের এক বছরের (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।’ (সহীহ মুসলিম ১/৩৬৭; জামে তিরমিযী ১/১৫৮)

আয়শা (রা.) বলেন: ‘রাসূল (সা.) কে আমি দেখিনি কোনো দিনের রোজাকে অন্য দিনের তুলনায় এতটা গুরুত্ব দিতে, আশুরার দিন আর রমাজান ব্যতিত

ইবনে আব্বাস (রা.) একবার বললেন, হে আল্লার নবী! এ দিনটিকে ইহুদীরা সমীহ পূর্বক রোজা রাখে। আমাদের রোজাও তাদের সদৃশ হয়ে যায়। রাসূল (সা.) বললেন, যদি আমি আগামী বৎসর জীবিত থাকি, তবে নবম তারিখটিকেও দশমের সঙ্গে মিলিয়ে রোজা রাখব, ইনশাআল্লাহ! পরের বছরটি আর আসেনি রাসূল (সা.) এর জীবনে। তবু তাঁর আগ্রহকে ভিত্তি করে বিধান এসেছে নবম দিবসটিকেও দশম তারিখের সঙ্গে মিলিয়ে রোজা পালনের, সেমতে এটিও মুস্তহাব।

এদিন নিজ পরিবারস্থদের জন্যে একটু ভালো খোরপোষ বা ভরণপোষণের ব্যবস্থা করার কথা বলেন অনেকে। হাদীসের দুর্বল একটি সূত্রকে কেন্দ্র করে এটিকে আমলে নেওয়া হয়। এও করা যেতে পারে সাধ্যের সীমানায় থেকে।

আশুরার বর্জনীয়:

এ দিনের গুরুত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে অনেকে নানা ভিত্তিহীন কথাও বলে থাকেন। যেমন, এদিন হজরত ইউসুফ (আ.) জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন, হজরত ইয়াকুব (আ.) চোখের জ্যোতি ফিরে পেয়েছেন। অনেকে বলে, এদিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। হজরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি পেয়েছেন। হজরত ইদ্রিস (আ.)-কে আসমানে উঠিয়ে নেওয়া হয়। এসব কথার কোনো সঠিক ভিত্তি নেই। (সূত্র:আস আসারুল মারফূআ, আবদুল হাই লাখনেবী ৬৪-১০০; মা ছাবাহা বিসসুন্নাহ ফী আইয়্যামিস সানাহ ২৫৩-২৫৭)

এ মাসের একটি ঘটনা শাহাদাতে হুসাইন (রা.)। বলাবাহুল্য যে, উম্মতের জন্য এই শোক সহজ নয়। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামেরইতো শিক্ষা, ‘নিশ্চয়ই চোখ অশ্রুসজল হয়, হৃদয়ব্যথিত হয়, তবে আমরা মুখে এমন কিছু উচ্চারণ করি না যা আমাদের রবের কাছে অপছন্দনীয়।’

এক হাদীসে নবী কারিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই যারা মুখ চাপরায় কাপড় ছিঁড়ে এবং জাহেলী যুগের কথাবার্তা বলে।’ অতএব শাহাদাতে হুসাইন (রা.)-কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়া এবং সব ধরনের জাহেলী রসম-রেওয়াজ থেকে দূরে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের অবশ্য কর্তব্য।

এ মাসে যেসব অনৈসলামিক কাজকর্ম ঘটতে দেখা যায় তার মধ্যে তাজিয়া, শোকগাঁথা পাঠ, শোক পালন, মিছিল ও র‌্যালি বের করা, শোক প্রকাশার্থে শরীরকে রক্তাক্ত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এসব রসম-রেওয়াজের কারণে এ মাসটিকেই অশুভ মাস মনে করার একটা প্রবণতা অনেক মুসলমানের মধ্যেও লক্ষ করা যায়। এজন্য অনেকে এ মাসে বিয়ে-শাদী থেকেও বিরত থাকে। বলাবাহুল্য এগুলো অনৈসলামিক ধারণা ও কুসংস্কার।

এছাড়া বাকি যত কাজ প্রচলিত আছে আশুরা দিবসকে ঘিরে, সবই বর্জনযোগ্য কুসংস্কার। অসতর্ক কিছু মুসলমানের অপকীর্তী এসব, অথবা ইসলামের সুচতুর কোনো শত্রুপক্ষ এসবের অনুপ্রবেশ করিয়েছে ইসলামী নীতি-সংস্কৃতির ক্ষতিসাধনের অসদুদ্দেশ্যে। সেমতে এসব হালুয়া-রুটি বিতরণ, অথবা শোকের র‌্যালীতে অংশগ্রহণ, মুমিনের জন্য কোনটিই কাম্য নয়।

কোনটি গুরুত্বপূর্ণ? আশুরা না মহররম?

এ মাসে শুধু আশুরার দিনটিই গুরুত্বপূর্ণ নয়, পুরো মহররম মাসটিই গুরুত্বপূর্ণ। মহিমান্বিত কয়েকটি মাসের একটি হলো এ মুহাররাম। মর্যাদার বিচারে এটি বিগত হজের মাস জিলহজ মাসের মতই।

পবিত্র কোরআনুল কারিমে বলা হয়েছে,

إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِندَ اللّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَات وَالأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلاَ تَظْلِمُواْ فِيهِنَّ أَنفُسَكُمْ وَقَاتِلُواْ الْمُشْرِكِينَ كَآفَّةً كَمَا يُقَاتِلُونَكُمْ كَآفَّةً وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ مَعَ الْمُتَّقِينَ

‘নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সঙ্গে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সঙ্গে রয়েছেন। (সূরা আত-তাওবা, আয়াত: ৩৬)

ইসলামপূর্ব ইতিহাস বলে জালিমরাও এসব মাসে জুলুম করতো না। লুট-তরাজ গুম-খুন বন্ধ থাকতো এ মাসগুলোতে। মানুষ সফর করতো নিরাপদে। বাণিজ্যিক কাফেলা রাত্রি নিশিতে যাত্রাবিরতি করতে পারতো যেখানে সেখানে; সহায় সম্পদ নিয়ে দোটানায় থাকতে হতো না তখন। ইসলাম এসে তাদের উক্ত সম্মান প্রকাশের নীতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহন করেছে। বলেছে অন্যান্য মাসের মতো এসব মাসের প্রতিও সম্মান পোষণ করতে, যাবতীয় অন্যায় অবিচার ও হত্যা পাপাচার বন্ধ রাখতে। সেমতে এ মহররম মাসেও নিষিদ্ধ থাকবে এসব। আমাদের কলুষমুক্ত রাখতে হবে আরবি নববর্ষ ১৪৪০ এর অন্তত প্রথম এ মাসটি। নিরাপদ রাখতে হবে নিজেদের আমলনামার ওয়াল।

মহররম মাসের করণীয়:

অন্যায় আনাচার থেকে নিজেকে মুক্ত করার পর মুমিনের রয়েছে আরো কিছু কর্তব্য। অতীতের পাপমোচন ও পরপারে নিজের মানোন্নয়নে যে সকল বিষয়ের অবদান অসামান্য। রাসূল (সা.) বলেন: ‘রমাজানের পর শ্রেষ্ঠ মাস হচ্ছে আল্লাহর মাস, মহররম মাস। সেমতে পূর্ণ মাস জুড়েই ঈমানদারের জন্য রয়েছে আমলের অফুরন্ত সুযোগ। এ মাসে অধিক পরিমানে রোজা রাখার জন্য উৎসাহিত করেছেন পূর্ববর্তী ওলামায়ে কেরাম। পুরো মহররম মাসজুড়ে রোজা রাখলে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনও সহজ হবে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রমজানের পর আল্লাহর মাস মহররমের রোজা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ।’ (সহীহ মুসলিম ২/৩৬৮; জামে তিরমিযী ১/১৫৭)

এছাড়াও এ মাসের করণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, তওবা-ইস্তেগফার, নফল রোজা এবং অন্যান্য নেক আমল। এসব বিষয়ে যত্নবান হওয়া এবং সব ধরনের কুসংস্কার ও গর্হিত রসম-রেওয়াজ থেকে বেঁচে পবিত্র কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক চলাই মুসলমানের একান্ত কর্তব্য।

রাসূল (সা:) এই মাসে অধিক পরিমান দোয়া করতেন। হজরত আলী (রা:) বলেন, রাসূল (সা:)-কে এক সাহাবী প্রশ্ন করলেন, রমজানের পর আর কোন মাস আছে যে মাসে আপনি রোজা রাখার আদেশ করেন? রাসূল (সা:)বললেন, রমজানের পর তুমি যদি রোজা রাখতে চাও তাহলে মহররম মাসে রাখ। কারণ এটা আল্লাহর মাস। এই মাসে এমন একটি দিন আছে যে দিনে আল্লাহ তায়ালা একটি জাতির দোয়া কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য জাতির তাওবা কবুল করবেন। ’ (জামি তিরমিযী,১ম খন্ড, ১৫৭ পৃষ্টা)।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
শিরোনাম :
কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা