Exim Bank Ltd.
ঢাকা, সোমবার ২৩ জুলাই, ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৫

বাংলা চলচ্চিত্রের হাওয়া বদল

তুনাজ্জিনা জাহান রেমিডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
সংগৃহীত ছবি

রিচার্ড ডায়ার ও জিনেট ভিনসেনডুর (১৯৯২: ৫) সহজ করে বলেছেন, “জনপ্রিয় হলো তাই, যা জনগণ পছন্দ করে। তবে কোন সংস্কৃতিকে ‘জনপ্রিয়’ বলা বাহুল্য মাত্র। মানুষের প্রিয় না হলে, কোন সংস্কৃতি গড়ে উঠে না। তবে চলতি ধারণায় জনসংস্কৃতি বলতে সাধারণত বোঝানো হয় ‘পাবলিকের’ পছন্দ। অর্থাৎ সস্তা, চটুল ও খেলো রুচির জিনিস। উচ্চমার্গীয় গান, সাহিত্য, চিত্রকলা যদি হয় অভিজাতরুচির, তবে জনসংস্কৃতি হল বটতলার উপন্যাস, সস্তা বিনোদনে ভরপুর ম্যাগাজিন কিংবা হিন্দি সিরিয়াল। ফরাসী দার্শনিক পিয়ের বর্দু বলেছেন, যাদের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মূলধন নেই, জনসংস্কৃতি তাদেরই। মূলধারার চলচ্চিত্র এই অর্থে একটি জনসংস্কৃতি বা পপুলার কালচার, যা বিপুল জনগোষ্ঠী দ্বারা দীর্ঘদিন ধরে আস্বাদিত হয়ে এসেছে।

আশির দশকেও চলচ্চিত্র বাংলাদেশের মানুষের বিনোদনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে থাকলেও প্রেক্ষাগৃহে সাম্প্রতিক সময়ে দর্শক সমাগম কমে গিয়েছে। তাই বলে চলচ্চিত্রের চাহিদা বা প্রয়োজনীয়তা কমে গিয়েছে তা কিন্তু নয়। টেলিভিশন এখন শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল প্রায় সব জায়গায় বিস্তৃত। সরকারি থেকে শুরু করে বেসরকারি প্রায় প্রতিটি চ্যানেলেই প্রতিনিয়ত ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র দেখানো হয়। সিনেমার গানের অনুষ্ঠান তো রয়েছেই , এছাড়াও টেলিভিশনের নাটকেও আজকাল সিনেমার গান ব্যবহার করা হয়। টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনেও চলচ্চিত্রের জিঙ্গেল ব্যবহার হরহামেশাই হয়। সুতরাং মানুষ হলে গিয়ে চলচ্চিত্র দেখা কমালেও, চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে যেতে পারেনি। ইন্টারনেটের যুগ হওয়ায় নতুন ছবিও খুব সহজেই দেখে ফেলছে দর্শক। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, আশির দশকের শেষ ভাগে তুমুল জনপ্রিয় চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে তোজাম্মেল হক বকুলের বেদের মেয়ে জোসনা (১৯৮৯)। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ব্যবসাসফল ছবি হিসেবে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে এটি। এই ছবির সফলতার পর নির্মাতারা এই ছবির ধারা নকল করে নানা ধরণের চলচ্চিত্র তৈরি করতে থাকে। যার ফলে আশির দশক হয়ে যায় পোশাকী ছবির যুগ। রঙ চঙে পোশাক দিয়ে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করা হয়।

উদ্ভট কাহিনী ও অশালীন নাচ পোশাকের দাপট শুরু হয় এই সময় থেকেই। পোশাকী ছবির মধ্যে এফ কবির চৌধুরী নায়িকা অঞ্জুকে নির্ভর করে একের পর এক সওদাগর (১৯৮২), আবে হায়াৎ (১৯৮৩), পদ্মাবতী (১৯৮৪) নামক এক ধাঁচের কিছু ছবি বানিয়ে ব্যবসা সফলতা পান। এরপর কিছুটা বৈচিত্র্য নিয়ে হাজির হয় এ্যাকশন ছবি। এসময় নির্মাতারা একের পর এক নায়ককেন্দ্রিক এ্যাকশন ছবি নির্মাণ করেন। শহীদুল ইসলাম খোকন মার্শাল আর্ট হিরো রুবেল কে নিয়ে লড়াকু (১৯৮৬), দেওয়ান নজরুলের জনি (১৯৮৩) ও সারেন্ডার নির্মাণ করেন।

সোহেল রানা কে নিয়ে। নব্বইয়ের দশকে ভিসিআরের আগমনের ফলে মানুষ এই পোশাকী ও এ্যাকশন নির্ভর চলচ্চিত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে ইংরেজী ও হিন্দি চলচ্চিত্রের উপর ঝুঁকে পড়ে। এসময় এহতেশাম নাইম-শাবনাজ জুটিকে নিয়ে নির্মিত চাঁদনী (১৯৯১) সম্পূর্ণ অন্য ধরণের স্বাদ দেয় দর্শককে। এর প্রভাবেই সোহানুর রহমান নির্মাণ করেন সুপারহিট প্রেমের ছবি কেয়ামত থেকে কেয়ামত (১৯৯৩)।

হিট হলেও এটি ছিল মুম্বাইয়ের কায়ামাত সে কায়ামাত ছবির শট বাই শট কপি। নব্বইয়ের দশকে দর্শকের কাছে নায়ক একই সাথে রোমান্টিক ও ভায়োলেন্স নির্ভর ছবিতে বেশি জনপ্রিয়তা পায়। আজকাল বাংলাদেশে ভালো ছবি নির্মিত হচ্ছে কম। বরং আজেবাজে কাহিনী নিয়ে তৈরি বাস্তবতা বর্জিত ছবির ভিড়ে ভালো ছবি ক্রমশ হারিয়ে যেতে বসেছে। শুধুমাত্র ব্যবসা সফলতার দিক চিন্তা করে নিয়মিত তৈরি হচ্ছে অশ্লীল ছবি। এসব ছবির পোস্টারে ছাপা হয় নায়িকার অশ্লীল দেহভঙ্গী। শুধুমাত্র দর্শককে হলমূখী করার জন্য নারীকে পণ্য করে উপস্থাপন করা হচ্ছে পর্দায়। অশ্লীল পোশাক, অশ্লীল গান ও অশ্লীল দৃশ্য দিয়ে নারীর ও সিনেমার বাণিজ্যিকরন করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এসব সিনেমা দেখা যায় না।

সস্তা বিনোদন প্রত্যাশী এক শ্রেণির দর্শক এসব সিনেমা দেখেন। ক্রমেই এই বাংলা সিনেমার উপর থেকে আগ্রহ উঠে যেতে থাকে কিছু নায়কের একচেটিয়া ব্যবসার কারণে। মানসম্পন্ন সিনেমার স্ক্রিপ্ট আর পরিচালনার অভাবে আস্তে আস্তে হারিয়ে যেতে থাকেন অভিনয় শিল্পীরা। শাকিব খান টানা অভিনয় করেই যাচ্ছেন কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই। অন্যদিকে বি গ্রেডের ছবিতে অভিনয় করা নায়িকারাও এখন আসছেন বর্তমান ছায়াছবিতে। কুরুচিপূর্ণ দৃশ্য এখন ঠাই মেলে এই বানিজ্যিক ছায়াছবিগুলোতে। তরুণ সমাজকে রুচিহীনতার দিকে ঠেলে দিতে এ ধরনের ছায়াছবি অনেকটা ভূমিকা রাখে। সিনেমা শিল্প যে শুধু বিনোদন মাধ্যম নয় তা যেন আজ বাংলাদেশের অনেক চলচ্চিত্রকার ভুলতে বসেছেন। যেখানে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতি ও শাসন-শোষনের অসামঞ্জস্য গুলোও তুলে ধরা যায় সেখানে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আজ যেন এক বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত হয়েছে। অথচ বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের কারিগরি মান আগের চেয়ে বেশ উন্নত হয়েছে। আজ সাদাকালোর বদলে নিয়মিত রঙিন ছবি নির্মিত হচ্ছে। ছায়াছবি, ছায়াছবির কলাকুশলীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। হিট, সুপারহিট ছবিও তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশের কিছু ছবি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হচ্ছে। কুড়িয়ে আনছে সম্মান। দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের নায়ক-নায়িকা, ছবির কলাকুশলীরা হচ্ছেন পুরস্কৃত, সংবর্ধিত। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের বর্তমান অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগী হওয়া জরুরি। প্রয়াত জহির রায়হান ও আলমগীর কবীরের মতো চলচ্চিত্রকার চলচ্চিত্র নির্মাণে যে ধারা শুরু করেছিলেন তার পথ ধরে বর্তমান চলচ্চিত্র নির্মাতাদের এগিয়ে যেতে হবে। অশ্লীল ছায়াছবি নির্মাণ এবং ভিডিও পাইরেসি বন্ধ করতে সবার একাত্ম হতে হবে। শিল্পমান সম্পন্ন সুস্থধারার ছায়াছবি তৈরি করতে শিল্প-সাহিত্য সংশ্লিষ্টদের হতে হবে অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের শিশু-কিশোরদের চরিত্র গঠনের লক্ষ্যে শিক্ষামূলক শিশুতোষ ছায়াছবি নির্মাণে তৎপর হতে হবে। চলচ্চিত্র যে শিল্প-সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান বলিষ্ঠ মাধ্যম তা ছায়াছবি নির্মাণের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। এফডিসি ও ফিল্ম সেন্সর বোর্ডকে এ ব্যাপারে নিতে হবে বিশেষ দায়িত্বশীল ভূমিকা। সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা বিশেষ জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারের পর্যাপ্ত অনুদান প্রদান এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনের সময় প্রেক্ষাগৃহের টিকিট থেকে বিনোদন কর মওকুফ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি গুণী চলচ্চিত্র শিল্পী ও সংশ্লিষ্টদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিসহ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করা হলে তা চলচ্চিত্র শিল্পের মানোন্নয়ন ও বিকাশে সহায়ক হবে।

বর্তমানে সেইসব স্ক্রিপ্ট রাইটারদের দরকার যারা বর্তমানকে তুলে ধরবে। শুধু যে তুলে ধরবে তাই না, সমস্যার বিপরীতে সমাধানটাও দেখিয়ে দিবে। চলচ্চিত্রকে সাধারণ জনগণের কাছে দুই ভাবে উপস্থাপন করা যায়। এক, তাদেরকে এমন একটি পরিস্থিতিতে নিয়ে যাওয়া যাতে তারা সস্তা ও চটুল বিনোদনে এতটাই মজে থাকবে যে তাদের চারপাশে যে অন্যায়, অবিচার ও শোষণ হচ্ছে তা নিয়ে তারা মাথা ঘামাবেন না। এমনকি অনেক সময় তারা এটাও বুঝবে না যে তারা নির্যাতিত হচ্ছে। দুই, দেশের যে বিশাল এক জনগোষ্ঠী জেগে ঘুমিয়ে আছে তাদেরকে আক্ষরিক অর্থে জাগিয়ে তোলা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা যেসব ভুল ধারনাগুলো সমাজে সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আসছে সে ধারনার ভিতকে যেন ধাক্কা দিতে পারে এমন কিছু চলচ্চিত্র নির্মাণ করা আজ বেশ জরুরী হয়ে পড়েছে।

সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেনের মত নির্মাতারা যদি সাদা কালো যুগে থেকেও মানুষের বিবেককে ধাক্কা দেয়ার মত ছবি নির্মাণ করতে পারে তবে এযুগেও নিশ্চয়ই এত উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে এ ধরণের চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব। আমাদের গ্রামগুলো এখন মিনিটাউন হয়ে গেছে, গ্রামেও স্ক্র্যাচকার্ড পাওয়া যায়, মোবাইল ব্যাংকিং হচ্ছে, পারবারিক বন্ধনের দিকটা কমছে, যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে একক পরিবার হচ্ছে, নিজের জন্য ভাবছে সবাই, বেড়া দিয়ে বসতবাড়ি ঘিরে ফেলছে, সামান্য জমির বিরোধে লাশ ফেলে দিচ্ছে, বড়-ছোট সম্পর্কে চিড় ধরছে, শৈশবে ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করছে না মাঠে ঘাটে। তাদের বেড়ে ওঠা হয়ে যাচ্ছে প্রযুক্তি নির্ভর। তারা এখন আর আলিফ লায়লা, মুগলি, হারকিউলিস, রবিনহুড, মিস্টেরিয়াস আইল্যান্ড দেখে না।

মজা করে বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেল মুখস্থ করে বলে না ‘ভাসা ভাসা স্মৃতিগুলো আজও মনে পড়ে।’ তদবির ছাড়া চাকরি মিলছে না, মিললেও সস্তায় শ্রম বিক্রি হচ্ছে, অফিস পলিটিক্সে পড়ে এ ওর চাকরি খাচ্ছে, একজন আরেকজনের উন্নতি সহ্য করতে পারছে না। তরুণেরা হয়ে পড়ছে মাদকাসক্ত। রাস্তার মোড় থেকে গলি বা গলি থেকে রাজপথ পর্যন্ত ভয় ছেয়ে আছে। নারীকে একজন মানুষ মনে না করে এখনো আলাদা ভাবে শুধু একজন নারীই ভাবা হচ্ছে। নানা রকম ভয়ের মধ্যে আমদের বসবাস। সে ভয়গুলো বৈচিত্র্যময়। রন্ধ্রে রন্ধ্রে অসুস্থতা ঢুকে গেছে সমাজে। সামাজিক, রাজনৈতিক ক্যান্সার নিয়ে বেঁচে আছি আমরা। ফিল্ম পলিটিক্সে ক্যারিয়ার শেষ হচ্ছে প্রতিভাবানদের আবার প্রতিভাহীনরা কোন না কোন সুবিধার বিনিময়ে করছে রাজত্ব।

সিনেমার গল্পে ঘটমান বাস্তবতার এসব নমুনা দেখতে চায় বর্তমানের দর্শক। হোক তা বাণিজ্যিক বা অন্যধারার কোন চলচ্চিত্র। তবে বর্তমানে যে পরিবর্তন আসছে না তা না। পরিবর্তন অনেক বড় না হলেও ছোট ছোট প্রয়াস যে চালু হয়েছে তাই অনেক বড় ব্যাপার। সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে মুক্ত হয়ে বর্তমান প্রজন্ম যেন সুস্থ সংস্কৃতির মাঝে বেড়ে উঠতে পারে এটি খেয়াল রাখতে হবে বর্তমান নির্মাতাদেরই। এখন অনেকেই অন্য ধারার সিনেমা তৈরি করতে গিয়ে টেলিফিল্ম ও চলচ্চিত্রের মাঝে কোন পার্থক্য রাখছে না। তাদের এই ভিন্ন কিছু করার ইচ্ছা প্রশংসনীয় হলেও চলচ্চিত্র নির্মাতারা গুণগত মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণের দায় পুরোপুরি এড়াতে পারছে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

আরও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
চার মাসের ‘গর্ভবতী’ বুবলী!
জাবির 'এইচ' ইউনিটের ফল প্রকাশ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিসা সেন্টার এখন ঢাকায়
শাকিবের সঙ্গে বিয়ে, যা বললেন নায়িকা বুবলী
ক্যামেরায় সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছেন এই অভিনেত্রীরা, কারা এরা?
ভেঙে গেলো পূর্ণিমার সংসার, পাল্টা জবাবে যা বললেন নায়িকা
মায়ের জিন থেকেই শিশুর বুদ্ধি বিকশিত হয়!
বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে নেয়ার কিছু টিপস
ব্যর্থ হলো মার্কিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী পরীক্ষা
এইচএসসি'র ফল জানা যাবে যেভাবে
ধর্ষণের কবলে মৌসুমী হামিদ, ধর্ষক গাড়িচালক!
চীনের মধ্যস্থতায় তথ্য আদান-প্রদানে সম্মত পাকিস্তান-আফগানিস্তান
বিশ্বকাপের সব গোল্ডেন বল জয়ীরা
গৌরিকে নিয়ে ভক্তের প্রশ্ন, উত্তর দিলেন শাহরুখ!
প্রায় ৬ হাজার বছর পূর্বের বিস্ময়কর প্রেম কাহিনী!
দেহব্যবসার জন্যেই নতুন বাড়িতে শাহিদ দম্পত্তি!
‘দর্শকরাই জানেন কখন দেবেন তালি, কখন গালি’
যেসব দেশে কোনো নদী নেই
মহান আল্লাহ তাআলা যাদের প্রতি সন্তুষ্ট
আমি বিশ্বের সেরা ক্লাবটিই বেছে নিয়েছি
শিরোনাম:
নাশকতার মামলায় খালেদার জামিন আবেদন কুমিল্লার আদালতকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের কোটা ইস্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংসতার চার মামলা প্রতিবেদন ৫ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক আজ ঢাকার চারদিকে হবে এলিভেটেড রিং রোড: প্রধানমন্ত্রী বন্ধ হয়ে গেলো বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র