এবার সু চির সম্মাননা প্রত্যাহার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৩ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪২৬,   ১৭ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

এবার সু চির সম্মাননা প্রত্যাহার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের

 প্রকাশিত: ১১:২৬ ১৩ নভেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১২:২৭ ১৩ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

এবার সু চিকে দেয়া সম্মাননা ফিরিয়ে নিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। 

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী পরিচালিত নৃশংসতায় উদাসীন থাকার কারণে দেশটির স্টেট কাউন্সিল অং সান সু চিকে দেয়া সর্বোচ্চ সম্মাননা ফিরিয়ে নিল সংস্থাটি। 

শান্তিতে নোবেলজয়ী এই রাজনীতিবিদকে তাঁর দেশে গৃহবন্দি থাকাকালে ২০০৯ সালে ‘অ্যাম্বাসেডর অব কনসান্স’ বা ‘বিবেকের দূত’ সম্মাননাটি দেয় আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংগঠন।

রোববার সু চিকে লেখা এক চিঠিতে বিষয়টি জানিয়েছেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব কুমি নাইড়ু। চিঠিতে পুরস্কার প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে বলা হয়, সু চি মিয়ানমারের মানবাধিকার প্রশ্নে, তাঁর আগের নৈতিক অবস্থানের সঙ্গে লজ্জাজনকভাবে সাংঘাতিক প্রতারণা করেছেন।

কুমি নাইড়ু লিখেছেন, ‘আট বছর আগে গৃহবন্দী থাকা নেত্রী ক্ষমতা গ্রহণের পর তার রাজনৈতিক নীতি-আদর্শ, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার কথা ভুলে সামরিক বাহিনীর চালানো জাতিগত নিধনযজ্ঞ এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে ছিলেন উদাসীন। বিশ্বের সঙ্গে আমরাও ধরে নিয়েছি যে, এতে তার পরিপূর্ণ সমর্থন ছিলো।’ 

রোহিঙ্গাদের ওপর অভিযানের কথা উল্লেখ করে সংস্থাটি বলছে, ‘গত বছর নিধনযজ্ঞ চলার সময় মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী হত্যা করেছে হাজার হাজার মানুষ। ধর্ষিত হয়েছে অগণিত নারী ও শিশু, আটক ও নৃশংসতার হাত থেকে রেহাই পায়নি বৃদ্ধ, শিশু এবং কিশোরও। শতাধিক গ্রাম আগুনে পুড়ায়ে ছাই করে দেয়া হয়েছে। তখনো সুচি ছিলেন নিরব। দর্শক।’ 

সংস্থাটি বলছে, সামরিক বাহিনীর বিস্তর ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আইন তৈরি ও সংশোধনের বেশ কিছু ক্ষমতা ছিল বেসামরিক সরকারের হাতে। কিন্তু অং সান সু চি’র সরকার ক্ষমতা গ্রহণের দু’বছরের মাথায় মানবাধিকার কর্মী, শান্তিকর্মী ও সাংবাদিকদের কারাবরণ পর্যন্ত করতে হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ//আরআই  

Best Electronics