Exim Bank Ltd.
ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

মানসিক হাসপাতালে কবির মুখোমুখি

স্বকৃত নোমান
বাংলা ভাষার বর্তমান সময়ের ঔপন্যাসিকদের মধ্যে অন্যতম এক নাম স্বকৃত নোমান। ১৯৮০ সালের ৮ নভেম্বর ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মাওলানা আবদুল জলিল ও মাতা জাহানারা বেগম। ১১ ভাইবোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। স্ত্রী নাসরিন আক্তার নাজমা ও কন্যা নিশাত আনজুম সাকিকে নিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবন। তার উপন্যাসে উঠে আসে গ্রামবাংলার বিচিত্র মানুষ, প্রকৃতি, ইতিহাস, সমকাল, পুরাণ, বাস্তবতা ও কল্পনা। এখন পর্যন্ত তার আটটি উপন্যাস এবং দুটি গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া আরও এগারটি অন্যান্য গ্রন্থ আছে তার লেখা। বর্তমানে তিনি বাংলা একাডেমিতে কর্মরত রয়েছেন। ২০০২ সালে দৈনিক আজকের কাগজের পরশুরাম উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। ২০০৪ সালে ম্যাস লাইন মিডিয়া সেন্টার (এমএমসি)-এর ফেলোশীপ লাভ করেন। ২০০৬ সালে প্রয়াত নাট্যকার আচার্য সেলিম আল দীনের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে যোগদান করেন।

বাইরে ভাদ্রের কড়া রোদ। পাবনা মানসিক হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডের সামনে চার-পাঁচজন দর্শনার্থী দাঁড়িয়ে। কবি অরবিন্দ চক্রবর্তী আর আমিও দাঁড়ালাম। ওয়ার্ডের ভেতরে দশ-বারোজন মানসিক রোগী, যাদের আমরা পাগল বলি।

বয়সে সবাই তরুণ। একজন বক্তৃতা দিচ্ছে, আরেকজন আত্মকথা বলছে, বাকিদের কেউ বিড়ি ফুঁকছে, কেউ নীরবে কলাপসিবল গেট ধরে দাঁড়িয়ে। আত্মকথা বয়ানকারীর বয়স বত্রিশ-চৌত্রিশের বেশি হবে না। সুরা ফাতেহা পড়তে না পারার কারণে বিয়ের পরদিন কীভাবে সে নববধূকে বেদম প্রহার করেছিল, গর্বের সঙ্গে সেই ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছে। কিছুদিন আগে একটা খুনও করেছে। মাস দুয়েক হলো এই হাসপাতালে এসেছে। এর আগে ভারতের বিভিন্ন মানসিক চিকিৎসালয়ে ছিল। কথা বলতে বলতে সে একটা বিড়ি ধরাল। সুখ টান দিয়ে আবার বলতে শুরু করল নিজের কথা।

কবি অরবিন্দ চক্রবর্তীর গাত্রবর্ণ তো ফর্সা। এক পাগল তার উদ্দেশে বলল, ‘হ্যালো, আর ইউ চাইনিজ?’ অরবিন্দ হেসে উঠলেন। আমি বললাম, ‘নো, হি ইজ এন ইংলিশ। হি হেজ কাম ফর্ম অ্যামেরিকা।’ পাগল বলল, ‘একটা বাংলা গান শুনবেন?’ বললাম, ‘হ্যাঁ, শোনান।’ বাংলা সিনেমার একটা জনপ্রিয় গান গাইল সে। পাশের আরেক পাগল বলল, ‘আমিও একটা গাইব।’ আরেক পাগল বলল, ‘আমিও গাইব।’ গান গাওয়া নিয়ে পাগলদের মধ্যে শুরু হলো তর্কাতর্কি। একজন আরেকজনকে ধমকাতে লাগল। শোরগোলের ভেতর থেকে ভেসে এল একটা কণ্ঠস্বর, ‘আমি একটা সিরিয়াস কবিতা আবৃত্তি করব, কেউ কি শুনবেন? কথাটা আমার কান এড়াল না। আমি পাগলটির দিকে তাকালাম। পঁয়ত্রিশ থেকে চল্লিশের মধ্যে বয়স। পরনে প্যান্ট, গায়ে ফুল শার্ট, চোখেমুখে এক ধরনের সারল্য।

বললাম, ‘হ্যাঁ, শুনতে চাই।’ পাগল শুরু করল। কবি পুর্ণেন্দু পত্রীর একটি কবিতা বিশুদ্ধ উচ্চারণে আবৃত্তি করল। তার আবৃত্তি শুনে খানিকা অবাক হলাম। অরবিন্দও। আবৃত্তির জন্য টাকা দাবি করল সে। আমি দশ টাকার একটা নোট দিয়ে তার নাম জিজ্ঞেস করলাম। বললেন, ‘তারিক আজিজ।’ নামটা পরিচিত মনে হলো। কোথাও যেন শুনেছি। মনে হচ্ছে এই নামে যেন কোনো এক কবি আছেন কিংবা ছিলেন। শুরু করলাম তার ঠিকুজি-কুলুজির অনুসন্ধান। একের পর এক প্রশ্ন করতে লাগলাম, আর তিনি উত্তর দিয়ে যেতে লাগলেন। তার বাড়ি নোয়াখালী। ঢাকার তেঁজগাও কলেজে পড়তেন। ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত পড়ে আর পড়নেনি। প্রথম দশকের শুরুতে কবিতাচর্চা শুরু করেছিলেন। দৈনিক আজকের কাগজ, জনকণ্ঠ, ইত্তেফাকসহ নানা পত্রপত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে ছাপা হতো তার কবিতা।

বললাম, ‘আপনার লেখা একটা কবিতা শুনতে চাই।’ তিনি স্বরচিত একটা কবিতা আবৃত্তি শুরু করলেন : ‘বালক বলিল ও আমার ফুলকুড়ানি মন/ শ্রাবণ বাতাস জানে, পোড়া দুপুরে মেঘের জরায়ু থেকে খসে পড়া পরদেশি রোদ জানে/ বুকের গহীনে বেড়েওঠা বেনামি সকল সর্পিল বালিকাগাছ/ আর ঠুনকো বালিঘর/ বাঁধভাঙা বালকমনে, চোখ বদলের মতো অমোঘ ঋতুতে ভেঙে যায়, চুরে যায়, ভেসে যায় যুবতী বাতাস/ ও আমার নেশালাগা ভোর মেয়ে, বকুল কুড়ানো সকালগুলো এখনো কারো কারো মালা পাবার আশায় সান্ত্বনায় বসে থাকে।’ আমি বললাম, ‘আরেকটি শুনতে চাই।’ তিনি শুরু করলেন। কবিতার নাম ‘আত্মপরিচয় তালিকায়’। দুই লাইনের কবিতা : ‘আমার ভেতর থেকে আমার পিতৃপুরুষ তার লকলকে যৌনাঙ্গ রাষ্ট্রকে দেখিয়ে বলেছিলেন, ব্যক্তিত্বের অপর নাম...(অস্পষ্ট)।’ (তার আবৃত্তি আমি মোবাইলে রেকর্ড করেছিলাম, এখন লিখছি সেই রেকর্ড থেকে। ফলে কবিতার শব্দ বা পঙক্তি-বিভাজনে ভুল হতে পারে)।

আবৃত্তি শেষ করে তারিক বললেন, ‘দিন, টাকা দিন।’ আমি তার হাতে এবার ৫০ টাকার একটা নোট দিলাম। পাশ থেকে আরেক তরুণ পাগল নোটটা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করল তারিকের হাত থেকে। পারল না। তারিক আমার সঙ্গে কথা বলছেন। তরুণ পাগল তাকে ধমক দিয়ে বলল, ‘ওই বেটা, তুই থামবি?’ আমি বললাম, ‘তুমি থামো মিয়া। তিনি কবি। অনেক বড় মাপের মানুষ। তাকে সম্মান করো।’ তরুণ পাগল বলল, ‘আমি কি ছোট মাপের মানুষ? আমি এখান থেকে ঠেটঠেট করে মারব আর ওখানে সব ধ্বংস হয়ে যাবে।’ বললাম, ‘পরে ধ্বংস করো, এখন আমাদের কথা বলতে দাও।’ বকাবকি করতে করতে তরুণ পাগল এক পাশে সরে দাঁড়াল।

তারিক আজিজ আমার নাম জানতে চাইলেন। জানালাম। তিনি মনে করার চেষ্টা করলেন। না, ঠিক মনে পড়ল না। বললেন, ‘আপনিও কবি?’ বললাম, ‘না, আমি গল্প-উপন্যাস লেখার চেষ্টা করি।’ ইমদাদুল হক মিলন, আহমাদ মোস্তফা কামাল ও প্রশান্ত মৃধাকে চিনি কিনা জানতে চাইলেন। বললাম, ‘হ্যাঁ, সবাইকে চিনি।’ অরবিন্দ জানতে চাইলেন, ‘আপনার কয়েকজন বন্ধুর নাম বলুন।’ তারিক বললেন, ‘কবি সোমেশ্বর অলির সাথে আমার বন্ধুত্ব ছিল। জানি না এখনো আমাকে মনে রেখেছে কিনা।’ তারপর বলতে লাগলেন তার পরিচিত কবিদের নাম। চঞ্চল আশরাফ, টোকন ঠাকুর, সরকার আমিন, মজনু শাহ, আলফ্রেড খোকনসহ দশ-বারোজন কবির নাম বললেন। সবার নাম মনে নেই আমার। মাহবুব আজীজ এখনো যুগান্তরে কাজ করেন কিনা জানতে চাইলেন। বললাম, ‘না, তিনি এখন দৈনিক সমকালের ফিচার এডিটর।’ সবশেষে জানতে চাইলেন কবি শামীম রেজার কথা। তিনি কোথায় আছেন, কী করেন ইত্যাদি জানতে চাইলেন। আমি সবই জানালাম। আমি পাবনা কেন এসেছি সেই ব্যাপারে জানতে চাইলেন। জানালাম, কবি ও কথাসাহিত্যিক মোখলেছ মুকুলের আমন্ত্রণে এসেছি। তাকে নিয়ে একটা অনুষ্ঠান চলছে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে। কবি মাকিদ হায়দার, কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশীদ, কবি ও কথাসাহিত্যিক ঝর্ণা রহমান, কথাসহিত্যিক মণি হায়দারসহ অনেকে এসেছেন।’ সবাইকে চিনতে পারলেন তিনি। সবার লেখাজোখা তিনি পড়েছেন।

কিন্তু কবি তারিক আজিজ গাগলা গারদে কেন? কেন তিনি পাগল হলেন? তারিক জানালেন, একটা সময় খুব নেশা করতেন। হেন নেশা নেই যাতে তিনি আসক্ত ছিলেন না। একটা সময় মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তার বাবা তাকে তাজ্যপুত্র ঘোষণা করেন। তার এক চাচা তাকে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেন। আমি বললাম, ‘এখনো কি নেশা করতে মন চায়?’ বললেন, ‘না না, আমার মনে হচ্ছে আমি সুস্থ হয়ে গেছি।’ বললাম, ‘আমার তো সুস্থই মনে হচ্ছে আপনাকে। আপনি একজন কবি। ভালো-খারাপের পার্থক্য আপনি নিশ্চয়ই বোঝেন। নেশার কারণে যদি এভাবে বন্দি থাকতে হয়, তাহলে নেশা করার কী দরকার?’ তারিক মাথা দোলালেন। তার বাবার মোবাইল নম্বরটি দিয়ে বললেন, ‘আমি বাড়ি ফিরে যেতে চাই। আমার বাবাকে বলবেন আমি আর নেশা করব না। আমি এখন সুস্থ। বাড়িতে বসে আমি লেখালেখি করতে চাই।’ আমি বললাম, ‘ঠিক আছে, আমি আপনার বাবা বা চাচার সঙ্গে যোগাযোগ করে আপনার কথাগুলো জানাবার চেষ্টা করব।’

আমি হাত বাড়িয়ে দিলাম। গেটের ফাঁকে তিনি হাতটি বের করলেন। করমর্দন করলাম। তাকে মোট ৬০ টাকা দিয়েছিলাম। তিনি নোট দুটি আমার হাতে গুঁজে দিয়ে বললেল, ‘এই নিন, আমার টাকা লাগবে না। আপনার সঙ্গে কথা বলে ভালো লেগেছে।’ না, আমি টাকা ফেরত নিলাম না। কিন্তু তিনি ফেরত দেবেনই। বারবারই ফেরত নেওয়ার কথা বলছেন। আমি বললাম, ‘ফেরত দিতে হবে না। এই টাকা দিয়ে আপনি কিছু কিনে খাবেন।’ এমন সময় তার হাত থেকে টান দিয়ে সেই পাগল, যে কিনা একটা খুন করেছিল, দশ টাকার নোটটি নিয়ে নিল। তারিক প্রতিবাদ করলেন না। বুঝতে পারি, আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়াটা তার আত্মসম্মানে লেগেছে, তাই ফেরত দিতে চাইছেন। তবে প্রথমে কেন টাকা চাইলেন? চাইলেন এই জন্য যে, সবাই দর্শনার্থীদের কাছে নানা কথা বলে টাকা চাচ্ছে, তাই তিনিও চেয়েছেন। সঙ্গদোষে লোহা ভাসে। সঙ্গদোষে তিনিও চেয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের সঙ্গে কথা বলার পর তার কবিসত্তা জেগে উঠেছে। তাই ফেরত দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাকা আমি ফেরত নিলাম না।

পাবনা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মোখলেছ মুকুলের অনুষ্ঠান চলছে। আমাদের যেতে হবে সেখানে। তারিক আজিজের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে পেছনে সরে দাঁড়ালাম। অরবিন্দ তখনো তারিকের সঙ্গে কথা বলছেন। এক অচেনা তরুণ সামনে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আপনার সঙ্গে একটা ছবি তুলতে চাই।’ বললাম, ‘নিশ্চয়ই।’ তরুণ নাকি আমাকে চেনে। বাইরে নিয়ে চা খাওয়াতে চাইল। আমি রাজি হলাম না। কারণ দ্রুত আমাদের ফিরতে হবে। অরবিন্দকে ডাকলাম। দুজন রিকশায় উঠে বসলাম। রিকশা চলতে থাকে। আমি ভাবতে থাকি, এই পাগলা গারদ থেকে কবি তারিক আজিজের মুক্তি দরকার। মনে হচ্ছে না তিনি এখন সম্পূর্ণ উন্মাদ। মনে হচ্ছে না তিনি আর নেশা করবেন। এখনো তার ভেতর কবিত্বশক্তি আছে। তার মুক্তি দরকার। কিন্তু কীভাবে? তার বাবা কি সন্তানকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেবেন? পুত্রস্নেহে আবার বাড়িতে ঠাঁই দেবেন? জানি না। এই লেখা তার বাবার চোখে পড়তেও তো পারে। এই লেখা পড়ে তার মনটা গলে যেতেও তো পারে। পিতৃহৃদয় তো আর পাথর হতে পার না।

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
ক্যান্সার শনাক্তে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য
ক্যান্সার শনাক্তে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
তামিম-সৌম্য শতকে ৩৩২ তাড়া করে জয়
তামিম-সৌম্য শতকে ৩৩২ তাড়া করে জয়
তামান্নার অন্তরঙ্গ ছবি, রয়েছে শারীরিক সম্পর্ক!
তামান্নার অন্তরঙ্গ ছবি, রয়েছে শারীরিক সম্পর্ক!
“কে ডেকেছে, চলে যান, ১টায় ছেলেকে দাফন করবো”
“কে ডেকেছে, চলে যান, ১টায় ছেলেকে দাফন করবো”
বিএনপির বিরুদ্ধে লড়বেন হিরো আলম
বিএনপির বিরুদ্ধে লড়বেন হিরো আলম
শিরোনাম :
শাই হোপের শতকে এগিয়ে যাচ্ছে উইন্ডিজ, ৫৪ বলে প্রয়োজন ৬১ । উইন্ডিজ ১৯৫/৬, ওভার ৪১, শাই হোপের শতকে এগিয়ে যাচ্ছে উইন্ডিজ, ৫৪ বলে প্রয়োজন ৬১ । উইন্ডিজ ১৯৫/৬, ওভার ৪১, জেএসসি-জেডিসির ফল প্রকাশ ২৪ ডিসেম্বর জেএসসি-জেডিসির ফল প্রকাশ ২৪ ডিসেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যানরা পদত্যাগ না করেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি উপজেলা চেয়ারম্যানরা পদত্যাগ না করেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি উইন্ডিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৫ উইন্ডিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৫ জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের আপিল বাতিল জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের আপিল বাতিল আইএসপিআরের নতুন পরিচালক হলেন লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. আবদুল্লা ইবনে জায়েদ আইএসপিআরের নতুন পরিচালক হলেন লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. আবদুল্লা ইবনে জায়েদ