Exim Bank Ltd.
ঢাকা, মঙ্গলবার ২০ নভেম্বর, ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

প্লুটোকে কেন এখন গ্রহ বলা হয় না?

সিফাত সোহাডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
প্লুটোকে কেন এখন গ্রহ বলা হয় না?
ফাইল ছবি

সৌরজগত বলতে আমরা একটি নক্ষত্র এবং আটটি গ্রহকে বুঝি। যার উৎপত্তি আজ থেকে প্রায় চার দশমিক ছয় লক্ষ কোটি বছর আগে হয়েছিলো। গ্রহগুলোর মধ্যে চারটি হল গ্যাস প্ল্যানেট আর বাকি চারটি হল রকি প্ল্যানেট। কিন্তু আমরা জানি আমাদের সৌর জগতে মোট গ্রহের সংখ্যা নয়টি। ছোটবেলায় আমরা স্কুলে এটাই শিখে এসেছি।

পাঠ্যপুস্তকে এমরা পড়েছিলাম সৌরজগতে মোট নয়টি গ্রহ আছে আর তাদের মধ্যে সব থেকে ছোট গ্রহটির নাম হলো প্লুটো। কিন্তু এখন কেন আটটি গ্রহ বলা হয় তাহলে কি প্লুটো আর নেই নাকি ধ্বংস হয়ে গেছে। এ প্রশ্নটিই আমাদের সকলের মনে আসতে পারে। এটি কি একাই ধ্বংস হয়ে গেল নাকি পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা এটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

প্লুটোকে এখন গ্রহ না বলার প্রধান কারণ হলো ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন। এই সংস্থা নির্ধারণ করে কোনটি গ্রহ বা কোনটি নক্ষত্র বা কোনটা উপগ্রহ। ২০০৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন জানায় প্লুটো একটি ড্রফ প্লানেট বা বামন গ্রহ বামন অর্থ হলো তুলনায় ছোট।

১৯৭৭ সালে বয়জার নামে স্পেস ক্রাফট লঞ্চ করা হয়েছিলো। প্রথমে বয়জার ২ এবং তার কিছু পর বয়জার ওয়ান লঞ্চ করা হয়। যা আমাদের সোলার সিস্টেমের গ্যাস প্লানটসগুলোকে দেখতে সাহায্য করে আর এগুলোতে লাগানো ক্যামেরাগুলো বন্ধ করার পরেও আজও তারা তাদের মহাকাশ যাত্রা চালু রেখেছে। কিন্তু বয়জারের মিশনগুলোতে প্লুটোকে সেই সময় কাছ থেকে দেখা যায়নি।

যে কারণে ১৯৩০ সালে আমেরিকার বিজ্ঞানী ক্লাইট টম ব্যাক প্রথম প্লুটোর খোঁজ পান যার জন্য পরে আমাদের সৌরজগতে ৯টি গ্রহ ঘোষণা করা হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা মনে করত প্লুটো আকারে অনেক বড় কিন্তু অনেক বিজ্ঞানীরা এটি মানতে রাজি ছিল না। প্লুটো সৌরজগতের অনেকগুলো গ্রহের থেকে অনেক আলাদা ছিল এটি। এটি দেখতে একটি ছোট্ট বরফের গোলার মতো যাযর তাপমাত্রা মাইনাস ২২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাছাড়া প্লুটোর অরবিটটি ছিল অন্যান্য গ্রহ থেকে আলাদা। যেখানে অন্যান্য গ্রহের অরবিট প্রায় গোল সেখানে প্লুটোর অরবিট এক্সট্রিমলি ইলেকট্রিক্যাল ডিম্বাকৃতির। এটি সূর্যের চারদিকে ১৭ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরে। আর সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় অনুযায়ী এটির সময় লাগে ২৪৮ বছর। অর্থাৎ প্লুটোতে কোনো মানুষ যদি একবার যায় তবে তার মৃত্যু হয়ে যাবে তাও প্লুটোর এক বছর পূর্ণ হবে না।

এর আগে ১৮৪০ সালের ফ্রেঞ্চ ম্যাথামেটিশিয়ান কিছু ক্যালকুলেশন করে নেপচুনের অস্তিত্ব প্রমাণ করেছিলেন। তিনি দেখিয়েছিলেন ইউরেনাসের অরবিটে কোনো একটি জিনিস প্রভাব বিস্তার করছে এই ব্যাপারে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি নেপচুনের খোঁজ পেয়েছিলেন। কিন্তু নেপচুনের অবজারভেশনের পরে বিজ্ঞানীরা দেখেছিল ইউরেনাসের অরবিটকে। শুধু নেপচুনই নয় বরং আরো একটি শক্তি এই অরবিটের সমস্যা করছিল তবে আদৌ এটা কি ছিল তা বিজ্ঞানীরা খোঁজ করতে শুরু করলো।

এরপর ১৯০৬ সালে আমেরিকান ম্যাথমেটিসিয়ান পারসিভাল লয়েল 'দ্য সার্চ অফ এ পসিবল নাইনথ প্লানেট' নামে একটি প্রজেক্ট শুরু করে। আর এর নাম দেয়া হয়েছিল প্লানেট 'এক্স'। ১৯১৫ সালে লয়েলের অজান্তেই তার সার্ভেতে প্লুটোর একটি ছবি তোলা হয়ে গিয়েছিল কিন্তু সে সময় সেদিকে খেয়াল বা বুঝতে পারেনি সেটা আসলে কি ছিল। যদিওবা এরপর কিছু আইনে ধারাবাহিকতার জন্য লেয়েলেরে প্রজেক্টটিকে বন্ধ করে দেয়া হয়।

১৯২৬ সালে এই প্রজেক্টটি আবার শুরু করা হয় এবং প্লানেট এক্স খোজার দায়িত্ব দেয়া হয় ক্লাইট টম্বককে। ঠিক এক বছর পর ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৩০ সালে টম্বক প্লুটোর খোঁজ করে ফেলে। এরই মধ্যে প্লুটো বেশ জনপ্রিয় হয়ে যায়। যে কারণে এত বিচার-বিশ্লেষণ বাদ দিয়ে প্লুটোকে সৌরজগতে নতুন সদস্য এবং নবম গ্রহ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু শুরু থেকেই প্লুটোর আকার যা অংক দ্বারা গণনা করা শুরু হয়েছিল তা ভুল প্রমাণিত হতে শুরু করে। শুরুতে বিজ্ঞানীদের মনে হয়েছিল প্লুটোর ম্যাচ আমাদের পৃথিবী ম্যাচের সমান। কিন্তু যখন এর ওপর বেশি রিচার্জ শুরু হলো তখন জানা যায় এর বাস্তব ম্যাচ আমাদের গণনার তুলনায় অনেক কম।

১৯৭৮ সালে যখন প্লুটোর মূল বা উপগ্রহ স্যারনের খোঁজ করা হয় তখন প্রথমবার প্লুটোর বাস্তবিক ম্যাচ মাপার উপযুক্ত হয় এবং আমরা জানতে পারি নতুন ম্যাচ আমাদের পৃথিবীর ম্যাচের তুলনায় কেবল শূন্য দশমিক দুই শতাংশ এবং এর আকার খুবই ছোট। প্লুটো এতটাই ছোট যে এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবের ইউরেনাস এর অরবিটের প্রভাবিত হত। এর জন্য লয়েলের প্লানেট এক্স এর ছেনি থেকে প্লুটকে সরিয়ে দেয়া হয়। তবুও প্লুটো তখন একটি গ্রহ ছিল কারণ প্লুটোকে গ্রহ থেকে বাদ দেয়ার জন্য কিছু প্রমাণের দরকার ছিল আর আমাদের কাছে তখন প্লুটোর পরিষ্কার কোনো ছবি ছিল না। বিজ্ঞানীরা পুনরায় প্লুটোর আকারের ওপর গবেষণা শুরু করলো। কিন্তু এর বাস্তবিক আকার জানার জন্য আমাদের পৃথিবী থেকে সাড়ে সাত লক্ষ কোটি কিলোমিটার দূরে ট্রাভেল করে প্লুটোর কাছে যেতে হতো, যাতে আমরা প্লুটোকে কাছ থেকে দেখতে পারি। প্লুটো পর্যন্ত যাওয়াটা সামান্য ব্যাপার ছিল না কারণ এর জন্য একদম সঠিক টাইমিং, এঙ্গেল এবং স্পিডের প্রয়োজন ছিল।

এর মধ্যে যদি একটিও একটুখানি উলট পালট হয়ে যেত তাহলে আমরা আমাদের লক্ষ্য হারিয়ে ফেলতাম। এরপর ১৯৭৭ সালে করা হয়জার মিশনগুলো আমাদের সোলার সিস্টেমের গ্যাস জাইনগুলোকে কাছে থেকে দেখাতে পারলেও প্লুটো কিন্তু তখনো আড়ালেই থেকে যায়। ১৯ জানুয়ারি ২০০৬ সালে নাসা নিজের নিউ আরাইজন স্পেস ক্রাফট লঞ্চ করে যেটা প্লুটোর জন্য পাঠানো প্রথম স্প্রেস ক্রাফট ছিল। যেটা নয় বছর পাঁচ মাস ট্রাভেল করার পরে ২০১৫ সালে প্লুটোকে কাছ থেকে দেখতে পারে।

নিউ আরায়জন ছিল বিশেষভাবে বানানো স্পেস ক্রাফট প্লুটো পর্যন্ত তাড়াতাড়ি পৌঁছানোর জন্য এই স্পেস ক্রাফটকে জুপিটারের সাহায্য নিতে হয়েছিল। জুপিটার এই স্পেস ক্রাফট ইকে একটি গ্র্যাভিটেশনাল সাপোজ প্রোভাইড করে। যার জন্য এই স্পেস ক্রাফটটির গতি আরো বিশ শতাংশ বেড়ে যায় আর ১৫ জানুয়ারি ২০১৫ সালে নিউ আরায়জন শেষ পর্যন্ত নিজের লক্ষ্যে পৌঁছায়। অর্থাৎ প্লুটো পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়। কিন্তু প্লুটো মিশনে এটির শেষ লক্ষ্য ছিল না বরং এরপর এটিকে উইপার বোল্টের দিকে যেতে হতো। এই কারণে প্লুটোর স্টাডিজ এর জন্য বিজ্ঞানীদের বেশি সময় ছিল না। তবুও কম সময়ে নিউ আরায়জন প্রায় অনেক তথ্য দিয়েছিল প্লুটো সম্বন্ধে। যার পরে প্লুটোকে আমরা অনেক ভালোভাবে জানতে পারি। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না এই স্পেস ক্রাফটটিতে প্লুটোর খোঁজ কর্তা ক্লাইট টম্বকের ভস্মীভূত অস্তি ছিল। পরে তা প্লুটোতে পৌঁছে দেয় স্পেস ক্রাফটটি। যা কোনো অ্যাস্ট্রোলজির'র পক্ষে ভীষণ সম্মানজনক ছিল।

যে ব্যক্তি প্রথম প্লুটোর খোঁজ করেছিল তার শরীরের কিছু অংশ এখন প্লুটোতে। কিন্তু ২০০৫ সালে যখন আরেকটি বামন গ্রহের খোঁজ হয়, যা প্লুটো থেকে দূরে অবস্থিত ছিল। আর যার আয়তন প্লুটোর থেকে ২৭ শতাংশ বেশি ছিল যার নাম রাখা হয় ইরিস। এটা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নকে বাধ্য করে গ্রহের সংজ্ঞাকে আরো ভালভাবে ব্যাখ্যা করতে এবং সংশোধন করতে। তাই ২০০৬ সালে তারা তাদের জেনারেল এসএমব্লি কোনো গ্রহপিন্ডকে গ্রহ বলার জন্য কিছু নতুন রুলস কার্যকরী করে।

যেগুলো থেকে এমন ছিল কোনো পিণ্ডকে গ্রহ বলতে হলে প্রথমত সেই পিণ্ড সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত সে পিণ্ডকে গোলাকার আকৃতি থাকার জন্য যথেষ্ট ম্যাচ থাকতে হবে। এ দুটি রুলসই প্লুটো যথাযথ অনুসরণ করে কিন্তু তৃতীয় বা নতুন রুলসটি ছিল পিণ্ডটির আশেপাশে অংশ যেন পরিষ্কার থাকে। মানে পিণ্ডটির আশেপাশের ছোট ছোট পিণ্ডগুলো হয় তাকে প্রদক্ষিণ করুক। এই ক্রাইটেরিয়া যা প্লুটো ফলো করে না। আর সে জন্যই প্লুটো এখন একটি বামন গ্রহ। আর আমাদের সৌরমণ্ডলের এমনই চারটি বামন গ্রহের খোঁজ পাওয়া গেছে। আপাতত তাই প্লুটোকে ধ্বংস করা হয়নি আর এটি হারিয়েও যায়নি আর স্কুলের বইগুলোতেও ভুল বলা হয়নি। এখন বোঝা যাচ্ছে যে আমাদের ধারণাটা শুধু ভুল ছিল। প্লুটোকে এখন শুধুমাত্র অন্য শ্রেণীতে ধরা হচ্ছে। বা বলা যেতে পারে রুটের মান কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
পুলিশের গাড়ি ভাঙায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
পুলিশের গাড়ি ভাঙায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
আবারো মা হচ্ছেন কারিনা!
আবারো মা হচ্ছেন কারিনা!
ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম
ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম
নির্বাচন একমাস পেছানোর আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল
নির্বাচন একমাস পেছানোর আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল
কাজলকে ‘জোর করে’ চুমু, ছিল অশ্লীল আচরণ!
কাজলকে ‘জোর করে’ চুমু, ছিল অশ্লীল আচরণ!
বিএনপিতে যোগ দিলেন সৈয়দ আলী
বিএনপিতে যোগ দিলেন সৈয়দ আলী
বিএনপির কার্যালয়ে ছিনতাইয়ের কবলে ফটোসাংবাদিক
বিএনপির কার্যালয়ে ছিনতাইয়ের কবলে ফটোসাংবাদিক
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী দেবে না ড. কামাল
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী দেবে না ড. কামাল
ভাবীর শরীরে দেবরের ‘আপত্তিকর’ স্পর্শ
ভাবীর শরীরে দেবরের ‘আপত্তিকর’ স্পর্শ
তাহলে কি এখনো তারা স্বামী-স্ত্রী?
তাহলে কি এখনো তারা স্বামী-স্ত্রী?
ফারহানার স্বপ্নের মৃত্যু
ফারহানার স্বপ্নের মৃত্যু
বাড়িতে বাবার লাশ, ছেলে পরীক্ষার হলে
বাড়িতে বাবার লাশ, ছেলে পরীক্ষার হলে
মুম্বাইতে ‘তারা’
মুম্বাইতে ‘তারা’
স্বপ্ন পূরণ হলো গোপালগঞ্জবাসীর
স্বপ্ন পূরণ হলো গোপালগঞ্জবাসীর
মির্জা ফখরুলকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ছাত্রলীগের
মির্জা ফখরুলকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ছাত্রলীগের
লাল শাড়িতে চীনে ঐশী!
লাল শাড়িতে চীনে ঐশী!
মেয়ের সামনেই বেডরুম ‘সিক্রেট’ ফাঁস করলেন সাইফ
মেয়ের সামনেই বেডরুম ‘সিক্রেট’ ফাঁস করলেন সাইফ
যে তারকারা কিনেছেন বিএনপির মনোনয়ন ফরম
যে তারকারা কিনেছেন বিএনপির মনোনয়ন ফরম
‘নৌকার মনোনয়ন পাবে জরিপে অগ্রগামীরা’
‘নৌকার মনোনয়ন পাবে জরিপে অগ্রগামীরা’
কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? জানালেন ড. কামাল
কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? জানালেন ড. কামাল
শিরোনাম:
মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক নীতিমালা ২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক নীতিমালা ২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দেয়া ১০ বছরের সাজার রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন খালেদা জিয়া জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দেয়া ১০ বছরের সাজার রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন খালেদা জিয়া চীন-মার্কিন দ্বন্দ্ব: যৌথ বিবৃতি ছাড়াই শেষ অ্যাপেক সম্মেলন চীন-মার্কিন দ্বন্দ্ব: যৌথ বিবৃতি ছাড়াই শেষ অ্যাপেক সম্মেলন দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার; বিএনপির ইশতেহারে থাকবে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা: আমির খসরু দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার; বিএনপির ইশতেহারে থাকবে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা: আমির খসরু