.ঢাকা, শুক্রবার   ২২ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৫ রজব ১৪৪০

যশোরে স্বাস্থ্য বিভাগে চিকিৎসক সংকট চরমে

যশোর প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৯:০৫ ৯ নভেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৯:০৫ ৯ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

যশোর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে চিকিৎসক সংকট চরম আকার ধারন করেছে। অভিজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে রোগীরা সুষ্ঠু চিকিৎসা পাচ্ছে না। জেলার পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর দশাও বেহাল।

জেলার প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সরকার কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত চিকিৎসকদের মোট পদের অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক পদ শূন্য থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জুনিয়র কনসালটেন্ট, মেডিকেল অফিসার ও সহকারী সার্জন সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে।

যশোর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে সরকার অনুমোদিত চিকিৎসকের পদ রয়েছে ২০৯টি। এর মধ্যে ৯৮টি পদে চিকিৎসক কর্মরত আছেন। বাকি ১১১টি পদে কোন চিকিৎসক নেই। জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জনের অফিসে মেডিকেল অফিসার লেপ্রসী ও বক্ষব্যাধি কিনিকে জুনিয়র মেডিকেল কনসালট্যান্টের পদ বছরের পর বছর ধরে শূন্য।

সদরের অধীনে শাখারিগাতী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, হৈবতপুর, কাশিমপুর, দেয়াড়া, নতুন উপশহর, নওয়াপাড়া, কচুয়া, ফতেপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে।

অভয়নগরে সরকার অনুমোদিত অ্যানেসথেশিয়া, সার্জারি, মেডিসিন, আর্থোসার্জারি, চর্ম ও যৌন, কার্ডিও বিভাগের ১৭ পদে কোন চিকিৎসক নেই। বাঘারপাড়ায়  ১ জন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ও  ৫ ইউপিতে ৫ সহকারী সার্জনের পদ শূন্য রয়েছে।

মনিরামপুরে ১৬টি, কেশবপুরে ১৮টি, ঝিকরগাছায় ১০টি, শার্শায় ১২টি পদ চিকিৎসক শূন্য। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হচ্ছে বাংলাদেশের মডেল হাসপাতাল। অথচ বারবার পুরস্কার পাওয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সরকার অনুমোদিত ২১টি পদই শূন্য।

এসব পদে কোন চিকিৎসককে বদলি দেয়া হচ্ছে না। এমনকি পদায়নও হচ্ছে না। বছরের পর বছর ধরে চিকিৎসকের এসব পদ শূন্য থাকায় মানুষ প্রাপ্য চিকিৎসা পাচ্ছে না। কমিউনিটি কিনিকের চিকিৎসা পর্যাপ্ত নয়। ফলে চিকিৎসা নিতে জেলা শহরে আসতে হচ্ছে। আর এ সুযোগে দালালরা নানা কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা টাকা।

স্থানীয়দের দাবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শূন্য পদ পূরণ ও রোগ নির্ণয়ের সব ব্যবস্থা করা হলে তৃণমূলের লোকজন যথাযথ চিকিৎসা পাবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর