ঢাকা, শুক্রবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৯ ১৪২৫,   ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০

‘খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি যুবরাজই দায়ী’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৫:৩২ ৫ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৫:৩২ ৫ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ভিন্নমতাবলম্বী সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে সিআইএ’র ব্রিফিং শোনার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ মার্কিন সিনেটররা। তারা ওই ঘটনার জন্য সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে দায়ী করেছেন।

মঙ্গলবার ব্রিফিংয়ের পর তারা জানান, এ বিষয়ে এখন তারা আগের চেয়ে আরো বেশি নিশ্চিত। খবর রয়টার্সে’র

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘সিআইএ’ এর প্রধান গিনা হাস্পেলের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, এ কাজটি এমবিএসের (মোহাম্মদ বিন সালমান) নির্দেশ ও তার অধীনে থাকা লোকজনের পরিকল্পনায় সংঘটিত হয়েছে, এই সিদ্ধান্তে না আসার জন্য আপনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্ধ হয়ে থাকতে হবে।

টেনেসি অঙ্গরাজ্যের সিনেটর বব কর্কার বলেন, চার সন্তানের জনক খাশোগি হত্যাকাণ্ডের নির্দেশনা, নজরদারি করেছেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান।

সৌদি ক্রাউন প্রিন্স বিন সালমানের নিন্দা করতে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হয়তো অভিযুক্ত করার মতো কোনো ‘ধূমায়িত বন্দুক’ সেখানে ছিল না, কিন্তু ‘ধূমায়িত করাত’ তো ছিল।

এ মন্তব্যের মাধ্যমে গ্রাহাম একটি হাড় কাটার করাতের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যেটি খাশোগির মৃতদেহ টুকরো টুকরো করতে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও তদন্ত প্রতিবেদনে খাশোগির মৃতদেহ কাটার জন্য ঘটনাস্থলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিত থাকার ব্যাপারটিও উল্লেখ করেন তিনি।  

খাশোগি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এ পর্যন্ত তাদের সবচেয়ে কঠোর কিছু অভিযোগ তুলে ধরে, রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট, উভয় দলের সিনেটরা জানিয়েছেন, তারা এখন এমন একটি প্রস্তাব পাস করতে চান যাতে ‘যুক্তরাষ্ট্র খাশোগি হত্যার নিন্দা করে’ সৌদি আরবকে একটি বার্তা দিতে পারে। 

কিন্তু ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় এটি করা হবে তা নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন তারা।

ডেমোক্রেটদের অনেকে চান কোনো সংশোধনী ছাড়াই ইয়েমেনে সৌদি জোটের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সব সমর্থন বন্ধ করার জন্য ‘ওয়ার পাওয়ার রেজোলিউশন’ এর অধীনে কংগ্রেসের উচ্চ অথবা নিম্ন কক্ষের সরাসরি ভোট।

তবে আবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার অনুগামী কিছু রিপাবলিকান বলেছেন, ওয়াশিংটনের এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া উচিত হবে না যা রিয়াদের সঙ্গে তার বন্ধুত্যপূর্ণ সম্পর্ককে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী/এমআরকে