.ঢাকা, শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৯ ১৪২৫,   ১৬ রজব ১৪৪০

‌স্কোয়া‌শে মোড়া‌নো স্বপ্ন

ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১১:৫৬ ১২ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১১:৫৬ ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মানিকগঞ্জের কৃষকদের মধ্যে স্কোয়াশ আবাদে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। স্বল্প সময় ও অল্প খরচে ব্যাপক লাভজনক হওয়ায় এই সবজি এ অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল হতে পারে বলে মনে করছে চাষিরা।

শীতকালীন সবজির তালিকায় যোগ হওয়া এই বিদেশি সবজি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আবাদ হয়ে থাকে। চাইনিজ রেস্টুরেন্টে সবজি ও সালাদ তৈরিতে স্কোয়াশের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ভোজনরসিকদের মাঝে আলোড়ন তুলেছে নতুন এই সবজি।

বাজারে প্রতি কেজি স্কোয়াশ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। স্কোয়াশ দেখতে লাউ আকৃতির, খেতে সুস্বাদু। একেকটি স্কোয়াশের ওজন পাঁচ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। উচ্চ ফলনশীল এই দুই জাতের ফসল ভাজি, মাছ ও মাংসে রান্না উভয়ভাবেই খাওয়ার উপযোগী এবং সুস্বাদু। 

এরইমধ্যে ঘিওরের পুরানগ্রামের মো. জয়নাল আবেদীন ঝন্টু ও বাষ্টিয়া গ্রামের মো. ফরমান মিয়া স্কোয়াশ চাষে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছেন। জয়নাল আবেদীন ছয় বিঘা জমিতে আবাদ করেছেন স্কোয়াশ। সব মিলিয়ে খরচ পড়েছে এক লক্ষ টাকা। পাঁচ দফায় বিক্রি হয়েছে দুই লক্ষাধিক টাকা। আরো এক দেড় লাখ টাকার মতো স্কোয়াশ বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। মাত্র ৯০ দিনেই লাখপতি হওয়ার এক উজ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। 

পাশের বাষ্টিয়া গ্রামের মো. ফরমান মিয়া প্রথমবারের মতো ২০ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশ আবাদ করেছেন। তিনিও বিক্রি করেছেন ২৫ হাজার টাকার মতো।

ফরমান বলেন, “২৫-৩০ দিনে ফুল থেকে সবজি ধরতে শুরু করে। ৪০-৪৫ দিনে মাথায় ক্ষেত থেকে সবজি তুলে বাজারে ওঠান। বাজারের প্রথম দিনে বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি জানান, নতুন সবজি পেয়ে ক্রেতাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজার ও বাইপাইল সবজি আড়তে তিনি পাইকারী মণ প্রতি চারশ' থেকে সাড়ে চারশ' টাকায় বিক্রি করেন।

তাছাড়া এক বিঘা জমিতে যে পরিমাণ কুমড়া লাগানো যায় তার চেয়ে দ্বিগুণ এ সবজি আবাদ করা সম্ভব। গাছের একেকটি গোঁড়ায় ৮ থেকে ১২টি স্কোয়াশ বের হয়।

এ স্কোয়াশ চাষের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বানিয়াজুরী, বালিয়াখোড়া, মাইলাঘী, আশাপুর, সিংজুরী, রাধাকান্তপুরসহ আশপাশের গ্রামের অসংখ্য কৃষক। ভালো বীজের নিশ্চয়তা ও চাষের প্রয়োজনীয় পরামর্শ মিললে এটি এ অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল হতে পারে বলে মনে করেন উপজেলা কৃষি বিভাগ।

এ ব্যাপারে ঘিওর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ বিপুল হোসেন বলেন, স্কোয়াশ আমাদের নতুন আবাদ করা সবজি। এই সবজি আবাদে অন্যান্য ফসলের চেয়ে উৎপাদন ও মুনাফা দুটোই বেশি। স্কোয়াশ আবাদে কৃষককে যে কোন পরামর্শ কিংবা সহায়তা দিতে মাঠ কর্মীদের গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে বলা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেস/জেএস

শিরোনাম

শিরোনামএশিয়ান জোনাল দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতলেন ফাহাদ; বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন শিরোনামপুরান ঢাকার কেমিক্যাল গোডাউন সরাতে অভিযান চলবে; অনৈতিকভাবে কাউকে হয়রানি করা যাবে না: র‌্যাব মহাপরিচালক শিরোনামজামায়াতের মতো বিএনপিও একসময় নিঃশেষ হয়ে যাবে: হানিফ শিরোনামবিমানবন্দরে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে; অস্ত্র নিয়ে প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিরোনামধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ডাকসু প্রতিনিধিদের শ্রদ্ধা শিরোনামবিরোধী দলীয় উপনেতার পদ থেকে জিএম কাদেরকে সরিয়ে রওশন এরশাদকে দায়িত্ব দিয়েছেন এইচ এম এরশাদ শিরোনামডাকসুর প্রথম কার্যকরী সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজীবন সদস্য করার প্রস্তাব গৃহীত